ট্রেডিং স্ট্রাটেজি কি?
ট্রেডিং স্ট্রাটেজি মানে হল আপনি কিভাবে ট্রেড করবেন। আপনার সম্পূর্ণ ট্রেডিং প্লান। আপনার ট্রেড করার অবশ্যই একটি নিয়ম থাকা উচিত। তাই আপনি বাই করুন, অথবা সেল করুন তার একটা কারন অবশ্যই থাকতে হবে। আপনি যেই ট্রেডিং স্ট্রাটেজি অনুসরন করবেন, তাই আপনাকে বলে দিবে এখন আপনার বাই করা উচিত না সেল করা উচিত, অথবা এখন ট্রেড করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজির নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকতে হবেঃ
যেহুতু আমরা প্রায় সবাই ইন্ডিকেটর ফলো করে ট্রেড করি, তাই প্রথমে ইন্ডিকেটর বেসড ট্রেডিং স্ট্রাটেজির কথাই বলা যাক।
উদাহরণ ১
নিচের চার্টটি দেখুন। এখানে একটি লাল লাইন দেখা যাচ্ছে। এটা হল মুভিং এভারেজের লাইন। ধরুন এটাই আমাদের ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। মুভিং এভারেজ আমাদের মার্কেট ট্রেন্ড নির্দেশ করে। লাল লাইনের ওপরে যখন ক্যানডেল থাকে তখন বাই সিগন্যাল, আর যখন ক্যানডেল লাল লাইনের নিচে থাকে তখন সেল সিগন্যাল।

আপনি একটি ট্রেড করলেন, প্রফিটও হল। (সবসময় যে কাজ করবে তা নয়। কিভাবে সিগন্যাল আরও রিস্ক ফ্রি করা যায় সে ব্যাপারে আমরা পরে আলোচনা করবো) এখন যদি কেউ আপনাকে জিজ্ঞেস করে, বাই দিলেন কেন? সেল কেনো দিলেন না? তখন আপনার উত্তর হবে আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। আপনার স্ট্রাটেজি আপনাকে বলেছে বাই করতে। এখন থেকে আপনাকে আর আন্দাজে ট্রেড করতে হবে না। আপনার এই ট্রেডিং স্ট্রাটেজি আপনাকে বলে দিবে এখন বাই করুন, এখন সেল করুন। আপনি সেভাবে ট্রেড করবেন। অন্তত আন্দাজে ট্রেড করার থেকে কি এটা ভাল নয়?
উদাহরণ ২
এবার আমরা মুভিং এভারেজের সাথে আরেকটা ইডিকেটর যোগ করে সিগন্যালটাকে ফিল্টার করে আরও পারফেক্ট করার চেষ্টা করবো।
নিচের চার্টে দেখুন। চার্টে প্যারাবোলিক ইন্ডিকেটর যোগ করা হয়েছে। এখন থেকে যদি ২টি ইন্ডিকেটর বাই করতে বলে তবেই আমরা বাই করবো, আবার ২টি ইন্ডিকেটর যদি সেল করতে বলে, তবেই আমরা সেল করবো। কিন্তু যদি ২টি ইন্ডিকেটর ভিন্ন ভিন্ন সিগন্যাল দেখায়, তবে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকবো। প্যারাবোলিক ইন্ডিকেটরে ডট যখন ক্যানডেলের নিচে থাকে তা তখন বাই নির্দেশ করে, আর ডট যখন ক্যানডেলের ওপরে থাকে তখন তা সেল নির্দেশ করে।

দেখুন মুভিং এভারেজ লাল দাগের ওপরে। আবার প্যারাবোলিকও ক্যানডেলের নিচে ডট দেখাচ্ছে। তারমানে ২টাই বাই নির্দেশ করছে। তাহলে এখন বাই করার পক্ষে যুক্তি বেশি।
এগুলো শুধু মাত্র উদাহরণ। বোঝার সুবিধার্তে এভাবে দেখানো হয়েছে।
ট্রেড থেকে এক্সিটঃ
ট্রেড তো ওপেন করা হল, প্রফিটও হচ্ছে। কিন্তু কথা হল ট্রেড ক্লোজ করবো কখন? কত প্রফিটে ক্লোজ করবো? ১০ পিপস? ৫০ পিপস না ১০০ পিপস? কিংবা ট্রেড লসে চলে যাচ্ছে, কত লসে ক্লোজ করবেন? ১০ পিপস লসেই কি ক্লোজ করে দিবেন? না ২০০ পিপস লস পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন? তাই অবশ্যই আপনার ট্রেড থেকে এক্সিট হওয়ার একটি নিয়ম দরকার।
এটা নির্ভর করে আপনার মানি ম্যানেজমেন্টের ওপর। ধরুন আপনি $১০০০ ডিপোজিট করেছেন। আপনি চান আপনার প্রতিটি ট্রেডে সর্বোচ্চ ৫% রিস্ক নিতে। তাহলে আপনি প্রতি ট্রেডে সর্বোচ্চ $৫০ লস করতে রাজি আছেন। তাহলে আপনি যদি ৫০ পিপস স্টপ লস সেট করতে চান। পিপস ভ্যালু $১ সেট করতে হবে। আবার যদি ১০০ পিপস স্টপ লস সেট করতে চান তাহলে পিপস ভ্যালু ৫০ সেন্ট সিলেক্ট করতে হবে।
এবার প্রসঙ্গে আসি কেন ট্রেড ক্লোজ করবেন।
এটা আপনার ট্রেডিং সিস্টেমের ওপর নির্ভর করে যে একসাথে আপনি কতগুলো ট্রেড করবেন। মনে রাখবেন, একসাথে আপনি যেন কোনভাবেই ৫% এর বেশি রিস্ক নিয়ে ট্রেড না করেন। যদি আপনি একসাথে বিভিন্ন পেয়ার নিয়ে ট্রেড করতে চান, তাহলে লক্ষ করবেন যে সবগুলো ট্রেডের রিস্ক যেনও সব মিলিয়ে আপনার অ্যাকাউন্টের ৫% এর বেশি না যায়। মোট কথা, বেশি লস হবার কোন সুযোগ দিবেন না।
শেষকথাঃ
এখন আপনি জানেন কিভাবে ট্রেড করতে হবে। কখন বাই করবেন, কিংবা কখন সেল করবেন। কখন ট্রেড লসে ক্লোজ করতে হবে, বা কতটুকু লাভ নিয়ে ট্রেড ক্লোজ করা উচিত। এগুলো সবকিছু নিয়েই আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। ট্রেডিং স্ট্রাটেজি না মেনে ট্রেড করবেন, মানে আপনি লসের দিকে একধাপ এগিয়ে যাবেন। এখন আপনিও ফরেক্সের অস্ত্রাগার থেকে প্রয়োজনীয় অস্ত্রগুলো বেছে নিয়ে আপনার নিজের ট্রেডিং স্ট্রাটেজি তৈরি করে ফেলুন। অন্যদের স্ট্রাটেজিগুলো টেস্ট করুন এবং যেগুলো ভাল সেগুলো নিজেরটার সাথে যোগ করে আরও ডেভেলপড স্ট্রাটেজি তৈরি করে আমাদের সাথে শেয়ার করুন। কোন প্রশ্ন থাকলে বা কিছু না বুঝলে প্রশ্ন করতে পারেন।
২য় মাসে ১২০$ আপনার প্রফিট টারগেট ২০%। তাহলে আপনার ২য় মাসে প্রফিট ২৪$ এবং ২য় মাস পর আপনার টোটাল ব্যালেন্স ২৪$+১২০$=১৪৪$
আমি নিচে ২৪মাস এর একটা প্রফিট এর ধারনা দিচছি।
ইনভেসট ১০০$ মাসিক প্রফিট টারগেট ২০%

দুই বছর পর আপনার ১০০$=৭৯৪৯.৬৮২৯$
১০০$=৮০০০৳ ৭৯৪৯.৬৮২৯$=৬,৩৫,৯৭৪.৬৩২৳
৮০০০৳=৬,৩৫,৯৭৪.৬৩২৳ After two years.
তাহলে দুই বছরে আপনার মাসিক আয়
৬,৩৫,৯৭৪.৬৩২৳/২৪মাস=২৬৪৯৮.৯৪৩
বরতমানে ২৬০০০৳ বেতন এর চাকরি পাওয়া সহজ কথা না।
আমি এইভাবে ট্রেড করার চেষটা করছি।কতটুকু সফল হতে পারব জানি না।
অনেক কষট করে লিখলাম Avro দিয়া। বানান অনেক ভুল হইছে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
বেশিরভাগ ফরেক্স ট্রেডাররা সবসময় চেস্টা করে অনেক প্রফিট করতে। চাইবে নাও বা কেন? এই মার্কেটে সম্ভাবনার তো অভাব নেই। কিন্তু অনেক জায়গায় ফোকাস করতে গিয়ে যা হয় তা হল ভালমতো কোন একটা সেক্টরকে তেমন গুরুত্ব না দেয়া। আর এই জিনিষ অনেক ক্ষতিকর যেকোনো ট্রেডার লস এর পাল্লা ভারী করতে এই টেকনিক ই যথেষ্ট। তাই সবসময় আমাদের চেস্টা করতে হবে হাতে গনা কয়েকটি পেয়ার নিয়ে সবসময় কাজ করা। তাতে আপনার ওই পেয়ারের ব্যাপারে একটা ধারনা সবসময় থাকবে। ওই পেয়ারের বিভিন্ন লেভেল আর মুভমেন্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা থাকবে যা কিন্তু মটেও চারটি খানি কথা না।
ফরেক্স মার্কেট অনেক বিশাল আর এতে প্রাই ২৫০+ পেয়ার আছে। এমনও দেখা যায়, এক্সটিক এক পেয়ারে প্রায় ২০০-৩০০ পিপ্স মুভমেন্ট হয় একদিনে, কিন্তু আমরা যে পেয়ার নিয়ে কাজ করছি তাতে পুরো দিন মিলে ৫০ পিপ্স মুভমেন্ট হয়েছে। তাই বলে কি আমরা ২৫০ টি পেয়ার ই ঘেটে দেখব? না, আপনি আপনার পছন্দের কিছু পেয়ার বাছাই করুন তারপর তার উপর এনালাইসিস চালিয়ে যান। একটি ট্রেডারস হেন্ডবুক রাখুন সাথে। তাতে নোট রাখুন কখন কোন পেয়ারের কি অবস্থা, মার্কেট ভিউ কেমন, নেক্সট টার্গেট কেমন, রিভারসাল এরিয়া কথাই ইত্যাদি।
আমাদের লাইফে যেমন সবকিছু করা সম্ভব না তেমন ফরেক্স মার্কেটেও সব কিছু নিয়ে কাজ করা সম্ভব না, যদি করেন তবে লসের সম্মুখীন হবেন এবং তা অবধারিত। চিন্তা করে দেখুন, আপনি আজ যদি অফিসে না যেতেন তবে বাসায় আরও কিছুক্ষন ঘুমাতে পারতেন। তাই এখানে আপনি ঘুম বাদ দিয়ে অফিসে কাজ করতে গেলেন, কিন্তু অনেকে দেখবেন অফিসেই ঘুমায়। তারা ভালমত ঘুমাতেও পারে না আবার অফিসের কাজ ও করতে পারে না, উল্টো অনেক বিপদের সম্মুখীন হয়। আমরা মানুষ, আমরা মাল্টিটাস্কিং করতে পারি। কিন্তু সবসময় মাল্টিটাস্কিং মানায় না, তা যদি হত তা হল দেখা যেত মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।
তাই ফরেক্স মার্কেট কিন্তু সস্থা কোন মার্কেট নয়। এতে লাগে ডেডিকেশন, উইল পাওয়ার, এবং অনেক অধ্যাবসায়। এখানে আপনি $১০০ নিয়ে এন্ট্রি করতে পারছেন বলে যে এই মার্কেট বা এই ব্যাবসাকে ব্যাবসা ভাববেন না তা কিন্তু না। যদি তা ভাবেন আপনার কেপিটাল খুব জলদি হারাবেন।
কিছু টিপস -
১। সর্বচ্চ ৩ টি পেয়ার নিয়ে কাজ করুন।
২। ধারণা আনার চেস্টা করুন মার্কেট মুভমেন্টের ব্যাপারে।
৩। ১-২ টি ট্রেড ওপেন রাখুন, এর বেশি হলে অনেক সময় মেনেজ করতে কষ্ট হয়ে পড়ে।
৪। বড় পিপ্সের মুভমেন্ট হয়ে গেলে সেই পেয়ার পর্যবেক্ষণ করা ছাড়া ট্রেড দিবেন না।
৫। মানি ম্যানাজমেন্ট সমানভাবে ট্রেডে বিভক্ত করুন। অতিরিক্ত লট নিবেন না যা আপনার মানি ম্যানাজমেন্ট এর নিয়ম ভঙ্গ করে।
৬। ই সি এন এবং রেগুলেটেড ব্রোকার দ্বারা ট্রেড করুন।
৭। সুযোগ হারিয়ে গেলে আফসোস করে তারাহুরো করে ট্রেড নিবেন না, নিজেকে কন্ট্রোল করুন।
৮। সাপোর্ট রেসিস্টেন্স মেনে ট্রেড করুন।
ট্রেডিং স্ট্রাটেজি মানে হল আপনি কিভাবে ট্রেড করবেন। আপনার সম্পূর্ণ ট্রেডিং প্লান। আপনার ট্রেড করার অবশ্যই একটি নিয়ম থাকা উচিত। তাই আপনি বাই করুন, অথবা সেল করুন তার একটা কারন অবশ্যই থাকতে হবে। আপনি যেই ট্রেডিং স্ট্রাটেজি অনুসরন করবেন, তাই আপনাকে বলে দিবে এখন আপনার বাই করা উচিত না সেল করা উচিত, অথবা এখন ট্রেড করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজির নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকতে হবেঃ
- কখন বাই-সেল করবেন অথবা ট্রেড থেকে বিরত থাকবেন
- কি পরিমান ভলিউমে/লটে ট্রেড করবেন
- কি পরিমান রিস্ক নিবেন প্রতিটি ট্রেডে
- স্টপ লস/টেক প্রফিট/ট্রেইলিং স্টপ কত ইউজ করবেন
- একসাথে সর্বোচ্চ কতগুলো ট্রেড করবেন
- কেন ট্রেড করবেন? কেন বাই করবেন? কেন সেল করবেন?
যেহুতু আমরা প্রায় সবাই ইন্ডিকেটর ফলো করে ট্রেড করি, তাই প্রথমে ইন্ডিকেটর বেসড ট্রেডিং স্ট্রাটেজির কথাই বলা যাক।
উদাহরণ ১
নিচের চার্টটি দেখুন। এখানে একটি লাল লাইন দেখা যাচ্ছে। এটা হল মুভিং এভারেজের লাইন। ধরুন এটাই আমাদের ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। মুভিং এভারেজ আমাদের মার্কেট ট্রেন্ড নির্দেশ করে। লাল লাইনের ওপরে যখন ক্যানডেল থাকে তখন বাই সিগন্যাল, আর যখন ক্যানডেল লাল লাইনের নিচে থাকে তখন সেল সিগন্যাল।
আপনি একটি ট্রেড করলেন, প্রফিটও হল। (সবসময় যে কাজ করবে তা নয়। কিভাবে সিগন্যাল আরও রিস্ক ফ্রি করা যায় সে ব্যাপারে আমরা পরে আলোচনা করবো) এখন যদি কেউ আপনাকে জিজ্ঞেস করে, বাই দিলেন কেন? সেল কেনো দিলেন না? তখন আপনার উত্তর হবে আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। আপনার স্ট্রাটেজি আপনাকে বলেছে বাই করতে। এখন থেকে আপনাকে আর আন্দাজে ট্রেড করতে হবে না। আপনার এই ট্রেডিং স্ট্রাটেজি আপনাকে বলে দিবে এখন বাই করুন, এখন সেল করুন। আপনি সেভাবে ট্রেড করবেন। অন্তত আন্দাজে ট্রেড করার থেকে কি এটা ভাল নয়?
উদাহরণ ২
এবার আমরা মুভিং এভারেজের সাথে আরেকটা ইডিকেটর যোগ করে সিগন্যালটাকে ফিল্টার করে আরও পারফেক্ট করার চেষ্টা করবো।
নিচের চার্টে দেখুন। চার্টে প্যারাবোলিক ইন্ডিকেটর যোগ করা হয়েছে। এখন থেকে যদি ২টি ইন্ডিকেটর বাই করতে বলে তবেই আমরা বাই করবো, আবার ২টি ইন্ডিকেটর যদি সেল করতে বলে, তবেই আমরা সেল করবো। কিন্তু যদি ২টি ইন্ডিকেটর ভিন্ন ভিন্ন সিগন্যাল দেখায়, তবে ট্রেড করা থেকে বিরত থাকবো। প্যারাবোলিক ইন্ডিকেটরে ডট যখন ক্যানডেলের নিচে থাকে তা তখন বাই নির্দেশ করে, আর ডট যখন ক্যানডেলের ওপরে থাকে তখন তা সেল নির্দেশ করে।
দেখুন মুভিং এভারেজ লাল দাগের ওপরে। আবার প্যারাবোলিকও ক্যানডেলের নিচে ডট দেখাচ্ছে। তারমানে ২টাই বাই নির্দেশ করছে। তাহলে এখন বাই করার পক্ষে যুক্তি বেশি।
এগুলো শুধু মাত্র উদাহরণ। বোঝার সুবিধার্তে এভাবে দেখানো হয়েছে।
ট্রেড থেকে এক্সিটঃ
ট্রেড তো ওপেন করা হল, প্রফিটও হচ্ছে। কিন্তু কথা হল ট্রেড ক্লোজ করবো কখন? কত প্রফিটে ক্লোজ করবো? ১০ পিপস? ৫০ পিপস না ১০০ পিপস? কিংবা ট্রেড লসে চলে যাচ্ছে, কত লসে ক্লোজ করবেন? ১০ পিপস লসেই কি ক্লোজ করে দিবেন? না ২০০ পিপস লস পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন? তাই অবশ্যই আপনার ট্রেড থেকে এক্সিট হওয়ার একটি নিয়ম দরকার।
এটা নির্ভর করে আপনার মানি ম্যানেজমেন্টের ওপর। ধরুন আপনি $১০০০ ডিপোজিট করেছেন। আপনি চান আপনার প্রতিটি ট্রেডে সর্বোচ্চ ৫% রিস্ক নিতে। তাহলে আপনি প্রতি ট্রেডে সর্বোচ্চ $৫০ লস করতে রাজি আছেন। তাহলে আপনি যদি ৫০ পিপস স্টপ লস সেট করতে চান। পিপস ভ্যালু $১ সেট করতে হবে। আবার যদি ১০০ পিপস স্টপ লস সেট করতে চান তাহলে পিপস ভ্যালু ৫০ সেন্ট সিলেক্ট করতে হবে।
এবার প্রসঙ্গে আসি কেন ট্রেড ক্লোজ করবেন।
- একটি কারণ হতে পারে আপনি আপনার টার্গেট অনুযায়ী প্রফিট পেয়ে গেছেন এই ট্রেড থেকে। তাই আর প্রফিট দরকার নেই। ট্রেড ক্লোজ করে দিন।
- আরেকটি কারণ হল এখন ট্রেন্ড পরিবর্তিত হতে পারে। তাই আপনার লাভ কমে যেতে পারে অথবা লস আরও বাড়তে পারে। তাই পুরনো ট্রেড ক্লোজ করে দিয়ে নতুন ট্রেন্ড ধরতে চেষ্টা করুন। লসের ট্রেড লাভে আসবে এরকম আশা করে অনেক লস শিকার করাটা অনেক সময় বোকামি। ট্রেডিং স্ট্রাটেজি মেনে চলুন।
- আপনি সাপোর্ট-রেসিসট্যান্স-পিভট পয়েন্টের অনুযায়ী স্টপ লস সেট করতে পারেন
- ফিক্সড ৩০/৫০/১০০ পিপস সেট করতে পারেন। যদিও এ ধরনের স্টপ লস অধিকাংশ সময় আপনার ট্রেড লসে ক্লোজ হবার কারণ হিসেবে দেখা দেয়।
- আপনি সাপোর্ট-রেসিসট্যান্স-পিভট পয়েন্টের অনুযায়ী টেক প্রফিট সেট করতে পারেন
- ফিক্সড ৩০/৫০/১০০ পিপস সেট করতে পারেন।
- ট্রেইলিং স্টপ হিসেবে ১৫/২৫/ইত্যাদি সংখ্যক পিপস সেট করতে পারেন। ট্রেইলিং স্টপ নিজে নিজেই আপনার ট্রেডে প্রফিট বাড়ার সাথে সাথে নির্দিষ্ট সংখ্যক পিপস দূরত্ব রেখে ট্রেড লাভে ক্লোজ হবার পয়েন্ট সেট করবে।
এটা আপনার ট্রেডিং সিস্টেমের ওপর নির্ভর করে যে একসাথে আপনি কতগুলো ট্রেড করবেন। মনে রাখবেন, একসাথে আপনি যেন কোনভাবেই ৫% এর বেশি রিস্ক নিয়ে ট্রেড না করেন। যদি আপনি একসাথে বিভিন্ন পেয়ার নিয়ে ট্রেড করতে চান, তাহলে লক্ষ করবেন যে সবগুলো ট্রেডের রিস্ক যেনও সব মিলিয়ে আপনার অ্যাকাউন্টের ৫% এর বেশি না যায়। মোট কথা, বেশি লস হবার কোন সুযোগ দিবেন না।
শেষকথাঃ
এখন আপনি জানেন কিভাবে ট্রেড করতে হবে। কখন বাই করবেন, কিংবা কখন সেল করবেন। কখন ট্রেড লসে ক্লোজ করতে হবে, বা কতটুকু লাভ নিয়ে ট্রেড ক্লোজ করা উচিত। এগুলো সবকিছু নিয়েই আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। ট্রেডিং স্ট্রাটেজি না মেনে ট্রেড করবেন, মানে আপনি লসের দিকে একধাপ এগিয়ে যাবেন। এখন আপনিও ফরেক্সের অস্ত্রাগার থেকে প্রয়োজনীয় অস্ত্রগুলো বেছে নিয়ে আপনার নিজের ট্রেডিং স্ট্রাটেজি তৈরি করে ফেলুন। অন্যদের স্ট্রাটেজিগুলো টেস্ট করুন এবং যেগুলো ভাল সেগুলো নিজেরটার সাথে যোগ করে আরও ডেভেলপড স্ট্রাটেজি তৈরি করে আমাদের সাথে শেয়ার করুন। কোন প্রশ্ন থাকলে বা কিছু না বুঝলে প্রশ্ন করতে পারেন।
- সব চেয়ে বড় কথা হল ফরেক্স ব্যাবসায় কে দীঘ্ মায়াদি ব্যাবসায় মনে করতে হবে
২য় মাসে ১২০$ আপনার প্রফিট টারগেট ২০%। তাহলে আপনার ২য় মাসে প্রফিট ২৪$ এবং ২য় মাস পর আপনার টোটাল ব্যালেন্স ২৪$+১২০$=১৪৪$
আমি নিচে ২৪মাস এর একটা প্রফিট এর ধারনা দিচছি।
ইনভেসট ১০০$ মাসিক প্রফিট টারগেট ২০%
দুই বছর পর আপনার ১০০$=৭৯৪৯.৬৮২৯$
১০০$=৮০০০৳ ৭৯৪৯.৬৮২৯$=৬,৩৫,৯৭৪.৬৩২৳
৮০০০৳=৬,৩৫,৯৭৪.৬৩২৳ After two years.
তাহলে দুই বছরে আপনার মাসিক আয়
৬,৩৫,৯৭৪.৬৩২৳/২৪মাস=২৬৪৯৮.৯৪৩
বরতমানে ২৬০০০৳ বেতন এর চাকরি পাওয়া সহজ কথা না।
আমি এইভাবে ট্রেড করার চেষটা করছি।কতটুকু সফল হতে পারব জানি না।
অনেক কষট করে লিখলাম Avro দিয়া। বানান অনেক ভুল হইছে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
বেশিরভাগ ফরেক্স ট্রেডাররা সবসময় চেস্টা করে অনেক প্রফিট করতে। চাইবে নাও বা কেন? এই মার্কেটে সম্ভাবনার তো অভাব নেই। কিন্তু অনেক জায়গায় ফোকাস করতে গিয়ে যা হয় তা হল ভালমতো কোন একটা সেক্টরকে তেমন গুরুত্ব না দেয়া। আর এই জিনিষ অনেক ক্ষতিকর যেকোনো ট্রেডার লস এর পাল্লা ভারী করতে এই টেকনিক ই যথেষ্ট। তাই সবসময় আমাদের চেস্টা করতে হবে হাতে গনা কয়েকটি পেয়ার নিয়ে সবসময় কাজ করা। তাতে আপনার ওই পেয়ারের ব্যাপারে একটা ধারনা সবসময় থাকবে। ওই পেয়ারের বিভিন্ন লেভেল আর মুভমেন্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা থাকবে যা কিন্তু মটেও চারটি খানি কথা না।
ফরেক্স মার্কেট অনেক বিশাল আর এতে প্রাই ২৫০+ পেয়ার আছে। এমনও দেখা যায়, এক্সটিক এক পেয়ারে প্রায় ২০০-৩০০ পিপ্স মুভমেন্ট হয় একদিনে, কিন্তু আমরা যে পেয়ার নিয়ে কাজ করছি তাতে পুরো দিন মিলে ৫০ পিপ্স মুভমেন্ট হয়েছে। তাই বলে কি আমরা ২৫০ টি পেয়ার ই ঘেটে দেখব? না, আপনি আপনার পছন্দের কিছু পেয়ার বাছাই করুন তারপর তার উপর এনালাইসিস চালিয়ে যান। একটি ট্রেডারস হেন্ডবুক রাখুন সাথে। তাতে নোট রাখুন কখন কোন পেয়ারের কি অবস্থা, মার্কেট ভিউ কেমন, নেক্সট টার্গেট কেমন, রিভারসাল এরিয়া কথাই ইত্যাদি।
আমাদের লাইফে যেমন সবকিছু করা সম্ভব না তেমন ফরেক্স মার্কেটেও সব কিছু নিয়ে কাজ করা সম্ভব না, যদি করেন তবে লসের সম্মুখীন হবেন এবং তা অবধারিত। চিন্তা করে দেখুন, আপনি আজ যদি অফিসে না যেতেন তবে বাসায় আরও কিছুক্ষন ঘুমাতে পারতেন। তাই এখানে আপনি ঘুম বাদ দিয়ে অফিসে কাজ করতে গেলেন, কিন্তু অনেকে দেখবেন অফিসেই ঘুমায়। তারা ভালমত ঘুমাতেও পারে না আবার অফিসের কাজ ও করতে পারে না, উল্টো অনেক বিপদের সম্মুখীন হয়। আমরা মানুষ, আমরা মাল্টিটাস্কিং করতে পারি। কিন্তু সবসময় মাল্টিটাস্কিং মানায় না, তা যদি হত তা হল দেখা যেত মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে গাড়ি চালাচ্ছে।
তাই ফরেক্স মার্কেট কিন্তু সস্থা কোন মার্কেট নয়। এতে লাগে ডেডিকেশন, উইল পাওয়ার, এবং অনেক অধ্যাবসায়। এখানে আপনি $১০০ নিয়ে এন্ট্রি করতে পারছেন বলে যে এই মার্কেট বা এই ব্যাবসাকে ব্যাবসা ভাববেন না তা কিন্তু না। যদি তা ভাবেন আপনার কেপিটাল খুব জলদি হারাবেন।
কিছু টিপস -
১। সর্বচ্চ ৩ টি পেয়ার নিয়ে কাজ করুন।
২। ধারণা আনার চেস্টা করুন মার্কেট মুভমেন্টের ব্যাপারে।
৩। ১-২ টি ট্রেড ওপেন রাখুন, এর বেশি হলে অনেক সময় মেনেজ করতে কষ্ট হয়ে পড়ে।
৪। বড় পিপ্সের মুভমেন্ট হয়ে গেলে সেই পেয়ার পর্যবেক্ষণ করা ছাড়া ট্রেড দিবেন না।
৫। মানি ম্যানাজমেন্ট সমানভাবে ট্রেডে বিভক্ত করুন। অতিরিক্ত লট নিবেন না যা আপনার মানি ম্যানাজমেন্ট এর নিয়ম ভঙ্গ করে।
৬। ই সি এন এবং রেগুলেটেড ব্রোকার দ্বারা ট্রেড করুন।
৭। সুযোগ হারিয়ে গেলে আফসোস করে তারাহুরো করে ট্রেড নিবেন না, নিজেকে কন্ট্রোল করুন।
৮। সাপোর্ট রেসিস্টেন্স মেনে ট্রেড করুন।
No comments:
Post a Comment