01 ট্রেন্ড স্পট করা
ট্রেন্ড স্পট করা
২টা প্রশ্নের উত্তর দিনঃ
- মার্কেট কোন ডায়রেকশনে যাচ্ছে, এটা জানা কি জরুরী?
- আপনার কি মনে হয় যে আপনার ট্রেডিং সিস্টেম ফালতু?
মাঝেমধ্যে ট্রেডিং সিস্টেম খারাপ হতে পারে, আবার কোন ভালো ট্রেডিং সিস্টেম খারাপভাবে ব্যাবহার হতে পারে। অবশ্যই ট্রেডিং সিস্টেম যদি খারাপ পারফর্মেন্স দেয়, তাহলে দোষ ট্রেডিং সিস্টেমের। আপনার কোন দোষই হতে পারে না, তাই না?
কোন ট্রেডিং মেথডই ভালো হবে না, যদি সেটা সঠিক ডায়রেকশনে ট্রেড না করে থাকেন। যদি মার্কেট কোন ডায়রেকশনে যাচ্ছে তা ধরতে পারেন, তাহলে একটা এভারেজ ট্রেডিং সিস্টেমও আপনাকে লাভ দিতে পারে।
একসময় না একসময় আমরা ভিন্ন ধরনের মার্কেট এনভাইরনমেন্টে প্রবেশ করে থাকি। সেগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়ঃ
- আপট্রেন্ড
- ডাউনট্রেন্ড
- রেঞ্জিং/ফ্ল্যাট
ভিন্ন ভিন্ন টাইমফ্রেমে ফরেক্স মার্কেট অনেক সুযোগ দেয় যেখানে রেঞ্জিং এবং ট্রেন্ডিং মার্কেটে বিভিন্ন স্ট্রাটেজি খাটানো যায়। যদি জানতে পারেন যে কোন মার্কেটে কোন স্ট্রাটেজি উপযুক্ত, আপনি আপনার ট্রেডিং ট্যুলবক্স থেকে সেগুলো ব্যবহার করে মার্কেট থেকে লাভ নিয়ে নিতে পারবেন।
২টা প্রশ্নের উত্তর দিনঃ
- মার্কেট কোন ডায়রেকশনে যাচ্ছে, এটা জানা কি জরুরী?
- আপনার কি মনে হয় যে আপনার ট্রেডিং সিস্টেম ফালতু?
মাঝেমধ্যে ট্রেডিং সিস্টেম খারাপ হতে পারে, আবার কোন ভালো ট্রেডিং সিস্টেম খারাপভাবে ব্যাবহার হতে পারে। অবশ্যই ট্রেডিং সিস্টেম যদি খারাপ পারফর্মেন্স দেয়, তাহলে দোষ ট্রেডিং সিস্টেমের। আপনার কোন দোষই হতে পারে না, তাই না?
কোন ট্রেডিং মেথডই ভালো হবে না, যদি সেটা সঠিক ডায়রেকশনে ট্রেড না করে থাকেন। যদি মার্কেট কোন ডায়রেকশনে যাচ্ছে তা ধরতে পারেন, তাহলে একটা এভারেজ ট্রেডিং সিস্টেমও আপনাকে লাভ দিতে পারে।
একসময় না একসময় আমরা ভিন্ন ধরনের মার্কেট এনভাইরনমেন্টে প্রবেশ করে থাকি। সেগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়ঃ
- আপট্রেন্ড
- ডাউনট্রেন্ড
- রেঞ্জিং/ফ্ল্যাট
ভিন্ন ভিন্ন টাইমফ্রেমে ফরেক্স মার্কেট অনেক সুযোগ দেয় যেখানে রেঞ্জিং এবং ট্রেন্ডিং মার্কেটে বিভিন্ন স্ট্রাটেজি খাটানো যায়। যদি জানতে পারেন যে কোন মার্কেটে কোন স্ট্রাটেজি উপযুক্ত, আপনি আপনার ট্রেডিং ট্যুলবক্স থেকে সেগুলো ব্যবহার করে মার্কেট থেকে লাভ নিয়ে নিতে পারবেন।
02 ট্রেন্ডিং মার্কেট কি?
ট্রেন্ডিং মার্কেট কি?
প্রাইস যখন এক ডায়রেকশনে মুভ করে তখন আমরা ট্রেন্ডিং মার্কেট দেখি। ট্রেন্ডিং মার্কেটে প্রাইসকে সবসময় ট্রেন্ডের বিপরীতে যেতে দেখা যায়। সেগুলোকে রিট্রেসমেন্ট বলা হয়।
ট্রেন্ড সাধারনত চিনহিত করা যায়ঃ
- আপট্রেন্ডে হাইয়ার হাই এবং হাইয়ার লো দিয়ে
- ডাউনট্রেন্ডে লোয়ার হাই এবং লোয়ার লো দিয়ে।
ট্রেন্ড ট্রেডিং করতে ট্রেডাররা সাধারনত মেজর কারেন্সি পেয়ার বেছে নেয়। এছাড়াও অন্যান্য কারেন্সি যাতে ডলারের প্রভাব থাকে কারন সেসব কারেন্সি পেয়ারে অন্যান্য পেয়ার থেকে লিকুইডিটি বেশী থাকে।
লিকুইডিটি ট্রেন্ড ভিত্তিক স্ট্রাটেজির জন্য জরুরী। কারেন্সি পেয়ারে লিকুইডিটি বেশী থাকলে আমরা বড় মুভ (বেশী ভলাটালিটি) আশা করতে পারি।
শুধুমাত্র প্রাইসের দিকে না তাকিয়ে, আমরা যেসব ট্রেডিং ট্যুলের ব্যাবহার শিখেছি সেগুলো কাজে লাগাতে পারি। চলুন কিছু উদাহরন দেখিঃ
ট্রেন্ডিং মার্কেটে মুভিং এভারেজ
মার্কেট ট্রেন্ড নির্ণয় করতে আমরা মুভিং এভারেজ ব্যাবহার করতে পারি। এখানে ৩ টা সিম্পল মুভিং এভারেজ ব্যাবহার করা হয়েছেঃ
- এসএমএ ১০
- এসএমএ ৫০
- এসএমএ ২০০
প্রাইস যখন এক ডায়রেকশনে মুভ করে তখন আমরা ট্রেন্ডিং মার্কেট দেখি। ট্রেন্ডিং মার্কেটে প্রাইসকে সবসময় ট্রেন্ডের বিপরীতে যেতে দেখা যায়। সেগুলোকে রিট্রেসমেন্ট বলা হয়।
ট্রেন্ড সাধারনত চিনহিত করা যায়ঃ
- আপট্রেন্ডে হাইয়ার হাই এবং হাইয়ার লো দিয়ে
- ডাউনট্রেন্ডে লোয়ার হাই এবং লোয়ার লো দিয়ে।
ট্রেন্ড ট্রেডিং করতে ট্রেডাররা সাধারনত মেজর কারেন্সি পেয়ার বেছে নেয়। এছাড়াও অন্যান্য কারেন্সি যাতে ডলারের প্রভাব থাকে কারন সেসব কারেন্সি পেয়ারে অন্যান্য পেয়ার থেকে লিকুইডিটি বেশী থাকে।
লিকুইডিটি ট্রেন্ড ভিত্তিক স্ট্রাটেজির জন্য জরুরী। কারেন্সি পেয়ারে লিকুইডিটি বেশী থাকলে আমরা বড় মুভ (বেশী ভলাটালিটি) আশা করতে পারি।
শুধুমাত্র প্রাইসের দিকে না তাকিয়ে, আমরা যেসব ট্রেডিং ট্যুলের ব্যাবহার শিখেছি সেগুলো কাজে লাগাতে পারি। চলুন কিছু উদাহরন দেখিঃ
ট্রেন্ডিং মার্কেটে মুভিং এভারেজ
মার্কেট ট্রেন্ড নির্ণয় করতে আমরা মুভিং এভারেজ ব্যাবহার করতে পারি। এখানে ৩ টা সিম্পল মুভিং এভারেজ ব্যাবহার করা হয়েছেঃ
- এসএমএ ১০
- এসএমএ ৫০
- এসএমএ ২০০
03 রেঞ্জিং মার্কেট কি?
রেঞ্জিং মার্কেট কি?
প্রাইস সবসময় ট্রেন্ডিং হবে না। এমনও সময় যাবে যে মার্কেট কোন একটা নির্দিষ্ট হাই আর লো এর মধ্যে আপডাউন করতে থাকবে। মার্কেট যখন নির্দিষ্ট একটা রেঞ্জের মধ্যে মুভ করে তখন সেটাকে আমরা রেঞ্জিং মার্কেট বলে থাকি। জ্ঞানীগুণীরা বলে থাকেন যে প্রাইস শতকরা ৮০% সময় রেঞ্জের মধ্যে থাকে।
প্রাইস যে লোটাকে ভাঙতে পারেনা সেটাকে আমরা সাপোর্ট বলে থাকি আর যে টপ ভাঙতে পারে না সেটাকে আমরা রেজিস্টান্স বলে থাকি। রেঞ্জিং মার্কেটে সেল হাই এবং বাই লো স্ট্রাটেজি দারুন কাজ করে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
চার্টে দেখতে পারছেন যে, প্রাইস একটা নিদিষ্ট রেঞ্জ ব্রেক করতে পারছে না। প্রাইস বারবার রেজিস্টেন্সে গিয়ে আবার সাপোর্টের দিকে ফিরে আসছে। যখন প্রাইস রেজিস্টেন্স ব্রেক করতে সফল হয়, পরবর্তীতে সেটা সাপোর্ট হিসেবে কাজ করে।
রেঞ্জিং মার্কেটে ইনডিকেটর
আমরা যানি যে, মার্কেটে যখন ভলাটিলিটি বেশী থাকে তখন বোলিঙ্গার ব্যান্ডস বিস্তার করে আর ভলাটিলিটি যখন কম থাকে তখন বোলিঙ্গার ব্যান্ডস সংকুচিত হতে থাকে।
রেঞ্জিং মার্কেটে এডিএক্স লাইন ২০ লেভেলের নিচে মুভ করে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
প্রাইস যখন একটা রেঞ্জের মধ্যে মুভ করছে তখন বোলিঙ্গার ব্যান্ডস সংকুচিত হচ্ছে আর এডিএক্স ২০ লেভেলের নিচে মুভ করছে। ডিআইও বারবার ক্রস করছে। যখন প্রাইস যখন রেঞ্জ ব্রেক করলো তখন ইনডিকেটরের আচরনেও পরিবর্তন আসতে দেখা যাচ্ছে।
ট্রেন্ডিং অথবা রেঞ্জিং যে এনভায়রমেন্টেই ট্রেড করেন না কেন, একথা চিন্তা করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে পারেন যে, যেকোনো এনভায়রমেন্ট থেকে লাভ নিতে পারবেন। শুধু এনভায়রমেন্ট বুঝে সঠিক স্ট্রাটেজি প্রয়োগ করতে শেখেন।
প্রাইস সবসময় ট্রেন্ডিং হবে না। এমনও সময় যাবে যে মার্কেট কোন একটা নির্দিষ্ট হাই আর লো এর মধ্যে আপডাউন করতে থাকবে। মার্কেট যখন নির্দিষ্ট একটা রেঞ্জের মধ্যে মুভ করে তখন সেটাকে আমরা রেঞ্জিং মার্কেট বলে থাকি। জ্ঞানীগুণীরা বলে থাকেন যে প্রাইস শতকরা ৮০% সময় রেঞ্জের মধ্যে থাকে।
প্রাইস যে লোটাকে ভাঙতে পারেনা সেটাকে আমরা সাপোর্ট বলে থাকি আর যে টপ ভাঙতে পারে না সেটাকে আমরা রেজিস্টান্স বলে থাকি। রেঞ্জিং মার্কেটে সেল হাই এবং বাই লো স্ট্রাটেজি দারুন কাজ করে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
চার্টে দেখতে পারছেন যে, প্রাইস একটা নিদিষ্ট রেঞ্জ ব্রেক করতে পারছে না। প্রাইস বারবার রেজিস্টেন্সে গিয়ে আবার সাপোর্টের দিকে ফিরে আসছে। যখন প্রাইস রেজিস্টেন্স ব্রেক করতে সফল হয়, পরবর্তীতে সেটা সাপোর্ট হিসেবে কাজ করে।
রেঞ্জিং মার্কেটে ইনডিকেটর
আমরা যানি যে, মার্কেটে যখন ভলাটিলিটি বেশী থাকে তখন বোলিঙ্গার ব্যান্ডস বিস্তার করে আর ভলাটিলিটি যখন কম থাকে তখন বোলিঙ্গার ব্যান্ডস সংকুচিত হতে থাকে।
রেঞ্জিং মার্কেটে এডিএক্স লাইন ২০ লেভেলের নিচে মুভ করে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
প্রাইস যখন একটা রেঞ্জের মধ্যে মুভ করছে তখন বোলিঙ্গার ব্যান্ডস সংকুচিত হচ্ছে আর এডিএক্স ২০ লেভেলের নিচে মুভ করছে। ডিআইও বারবার ক্রস করছে। যখন প্রাইস যখন রেঞ্জ ব্রেক করলো তখন ইনডিকেটরের আচরনেও পরিবর্তন আসতে দেখা যাচ্ছে।
ট্রেন্ডিং অথবা রেঞ্জিং যে এনভায়রমেন্টেই ট্রেড করেন না কেন, একথা চিন্তা করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে পারেন যে, যেকোনো এনভায়রমেন্ট থেকে লাভ নিতে পারবেন। শুধু এনভায়রমেন্ট বুঝে সঠিক স্ট্রাটেজি প্রয়োগ করতে শেখেন।
04 রিট্রেসমেন্ট ও রিভার্সাল
রিট্রেসমেন্ট ও রিভার্সাল
আপনি এমন কোন পরিস্থিতিতে পরেছেন যেখানে আপনি দেখছেন প্রাইস ডায়রেকশন পরিবর্তন হচ্ছে, আর যখন আপনি সেই ডায়রেকশনে ট্রেড শুরু করেছেন, প্রাইস কিছুদূর গিয়ে আপনার ট্রেডের বিপরীতে দৌড় দিয়েছে?
যদি এরকম অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে তাহলে আপনি যেখানে রিভার্সালের আশা করছিলেন, সেখানে রিট্রেসমেন্ট ঘটেছে। কষ্ট পাবার কিছু নেই। এরকম সচরাচর হয়ে থাকে।
রিট্রেসমেন্ট কি?
প্রতিষ্ঠিত ট্রেন্ডের বিপরীতে ছোট মুভগুলো হল রিট্রেসমেন্ট। এগুলোকে কারেকশনও বলা হয়ে থাকে।
রিভার্সাল কি?
রিভার্সাল হল, যখন প্রাইস ডায়রেকশন পরিবর্তন করে থাকে। যখন আপট্রেন্ড দিক পরিবর্তন করে ডাউনট্রেন্ডে পরিনত হয়, সেটা রিভার্সাল।
নিচের চার্টটি দেখুনঃ
উপরের চার্টে প্রতিষ্ঠিত ট্রেন্ডের বিপরীতে মুভগুলো দেখতে পারছেন? মার্কেট যখন রিভার্স করেছে সেটা কি দেখতে পারছেন?
রিভার্সাল যেকোনো সময় ঘটতে পারে, তাই কোন পয়েন্টে ঘটবে তা নির্ণয় করা কষ্টকর হতে পারে। ট্রেন্ড ট্রেডিঙের ক্ষেত্রে ট্রেইলিং স্টপ একটা ভালো রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টেকনিক প্রমানিত হতে পারে। কারন যদিও আপনার ট্রেড স্টপ লসে হিট করে, আপনি কিছু পিপ ধরে রাখতে পারবেন।
আপনি এমন কোন পরিস্থিতিতে পরেছেন যেখানে আপনি দেখছেন প্রাইস ডায়রেকশন পরিবর্তন হচ্ছে, আর যখন আপনি সেই ডায়রেকশনে ট্রেড শুরু করেছেন, প্রাইস কিছুদূর গিয়ে আপনার ট্রেডের বিপরীতে দৌড় দিয়েছে?
যদি এরকম অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে তাহলে আপনি যেখানে রিভার্সালের আশা করছিলেন, সেখানে রিট্রেসমেন্ট ঘটেছে। কষ্ট পাবার কিছু নেই। এরকম সচরাচর হয়ে থাকে।
রিট্রেসমেন্ট কি?
প্রতিষ্ঠিত ট্রেন্ডের বিপরীতে ছোট মুভগুলো হল রিট্রেসমেন্ট। এগুলোকে কারেকশনও বলা হয়ে থাকে।
রিভার্সাল কি?
রিভার্সাল হল, যখন প্রাইস ডায়রেকশন পরিবর্তন করে থাকে। যখন আপট্রেন্ড দিক পরিবর্তন করে ডাউনট্রেন্ডে পরিনত হয়, সেটা রিভার্সাল।
নিচের চার্টটি দেখুনঃ
উপরের চার্টে প্রতিষ্ঠিত ট্রেন্ডের বিপরীতে মুভগুলো দেখতে পারছেন? মার্কেট যখন রিভার্স করেছে সেটা কি দেখতে পারছেন?
রিভার্সাল যেকোনো সময় ঘটতে পারে, তাই কোন পয়েন্টে ঘটবে তা নির্ণয় করা কষ্টকর হতে পারে। ট্রেন্ড ট্রেডিঙের ক্ষেত্রে ট্রেইলিং স্টপ একটা ভালো রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টেকনিক প্রমানিত হতে পারে। কারন যদিও আপনার ট্রেড স্টপ লসে হিট করে, আপনি কিছু পিপ ধরে রাখতে পারবেন।
05 রিভার্সাল চিনহিত করা
রিভার্সাল চিনহিত করা
যদি রিট্রেসমেন্ট আর রিভার্সালের মধ্যে পার্থক্য ধরা যায় তাহলে আপনার লসের সংখ্যা কমার সম্ভাবনা থাকে অথবা লাভের পরিমান বেড়ে যেতে পারে।
রিট্রেসমেন্ট আর রিভার্সালের পার্থক্য আছে যা দিয়ে রিট্রেসমেন্টকে রিভার্সাল থেকে আলাদাভাবে দেখা যায়। সেগুলো হলঃ
চলুন কিছু উদাহরন দেখিঃ
ফিবোনাচ্চি হল রিট্রেসমেন্ট চিনহিত করার একটা জনপ্রিয় মাধ্যম। ট্রেন্ড কন্টিনিউ করার আগে ফিবনাস্যি রিট্রেসমেন্ট লেভেল ৩৮.২%-৬১.৮% এর মধ্যে বেশীরভাগ সময় প্রাইস রিট্রেস করে থাকে।
প্রাইস এই লেভেলগুলোর বাইরে গেলে, রিভার্সালের আশংকা থাকে। লক্ষ্য করবেন, রিভার্সাল ঘটবে সেটা বলিনি, বলেছি যে আশংকা থাকে। ফরেক্স মার্কেটে কোন কিছু নিশ্চিত না। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
উপরে যা যা বলেছি, তা কি চার্টে দেখা যাচ্ছে? প্রাইস ফিবো লেভেল ১২৭.২% মুভ করার কথা ছিল কিন্তু করেনি। এইসব পরিস্থিতি মোকাবেলা করার সরঞ্জাম কি আপনার আছে?
রিভার্সাল নির্ণয় করার আরেকটা উপায় হল পিভট পয়েন্ট।
আপট্রেন্ডে ট্রেডাররা সাপোর্ট পয়েন্টের দিকে নজর দিবে আর সেটা ব্রেক করার অপেক্ষায় থাকবে। ডাউনট্রেন্ডে ট্রেডাররা রেজিস্টান্সের দিকে নজর দিবে আর সেটা ব্রেক করার অপেক্ষায় থাকে।
যদি ব্রেক করে, তাহলে রিভার্সাল ফর্ম করার সম্ভাবনা থাকে। আরও তথ্য অথবা পিভট পয়েন্টের কথা ভুলে গেলে আবার পড়তে পারেন।
শেষ উদাহরণটা দিবো হল ট্রেন্ডলাইন দিয়ে। যখন ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে, রিভার্সাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এই টেকনিক্যাল ট্যুলের সাথে অন্যান্য ট্যুল যেমন ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন অথবা অন্য কিছু ব্যাবহার করে রিভার্সাল সম্পর্কে ধারনা নেয়া যেতে পারে।
উপরোক্ত পদ্ধতিদ্বারা রিভার্সাল চিনহিত করা গেলেও এগুলো শুধুমাত্র একমাত্র পদ্ধতি না। একটু চিন্তা করে দেখেন যে আর কিছু শিখেছেন কিনা? এগুলোর বিকল্প পেয়েছেন?
একটা জিনিসের বিকল্প নেই আর সেটা হল অভিজ্ঞতা। পর্যাপ্ত পরিমানে সময় চার্টের সামনে তাকিয়ে থাকলে আপনি আপনার পারসোনালিটি অনুযায়ী রিট্রেসমেন্ট অথবা রিভার্সাল চিনহিত করার পদ্ধতি পেয়ে যাবেন।
যদি রিট্রেসমেন্ট আর রিভার্সালের মধ্যে পার্থক্য ধরা যায় তাহলে আপনার লসের সংখ্যা কমার সম্ভাবনা থাকে অথবা লাভের পরিমান বেড়ে যেতে পারে।
রিট্রেসমেন্ট আর রিভার্সালের পার্থক্য আছে যা দিয়ে রিট্রেসমেন্টকে রিভার্সাল থেকে আলাদাভাবে দেখা যায়। সেগুলো হলঃ
চলুন কিছু উদাহরন দেখিঃ
ফিবোনাচ্চি হল রিট্রেসমেন্ট চিনহিত করার একটা জনপ্রিয় মাধ্যম। ট্রেন্ড কন্টিনিউ করার আগে ফিবনাস্যি রিট্রেসমেন্ট লেভেল ৩৮.২%-৬১.৮% এর মধ্যে বেশীরভাগ সময় প্রাইস রিট্রেস করে থাকে।
প্রাইস এই লেভেলগুলোর বাইরে গেলে, রিভার্সালের আশংকা থাকে। লক্ষ্য করবেন, রিভার্সাল ঘটবে সেটা বলিনি, বলেছি যে আশংকা থাকে। ফরেক্স মার্কেটে কোন কিছু নিশ্চিত না। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
উপরে যা যা বলেছি, তা কি চার্টে দেখা যাচ্ছে? প্রাইস ফিবো লেভেল ১২৭.২% মুভ করার কথা ছিল কিন্তু করেনি। এইসব পরিস্থিতি মোকাবেলা করার সরঞ্জাম কি আপনার আছে?
রিভার্সাল নির্ণয় করার আরেকটা উপায় হল পিভট পয়েন্ট।
আপট্রেন্ডে ট্রেডাররা সাপোর্ট পয়েন্টের দিকে নজর দিবে আর সেটা ব্রেক করার অপেক্ষায় থাকবে। ডাউনট্রেন্ডে ট্রেডাররা রেজিস্টান্সের দিকে নজর দিবে আর সেটা ব্রেক করার অপেক্ষায় থাকে।
যদি ব্রেক করে, তাহলে রিভার্সাল ফর্ম করার সম্ভাবনা থাকে। আরও তথ্য অথবা পিভট পয়েন্টের কথা ভুলে গেলে আবার পড়তে পারেন।
শেষ উদাহরণটা দিবো হল ট্রেন্ডলাইন দিয়ে। যখন ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে, রিভার্সাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এই টেকনিক্যাল ট্যুলের সাথে অন্যান্য ট্যুল যেমন ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন অথবা অন্য কিছু ব্যাবহার করে রিভার্সাল সম্পর্কে ধারনা নেয়া যেতে পারে।
উপরোক্ত পদ্ধতিদ্বারা রিভার্সাল চিনহিত করা গেলেও এগুলো শুধুমাত্র একমাত্র পদ্ধতি না। একটু চিন্তা করে দেখেন যে আর কিছু শিখেছেন কিনা? এগুলোর বিকল্প পেয়েছেন?
একটা জিনিসের বিকল্প নেই আর সেটা হল অভিজ্ঞতা। পর্যাপ্ত পরিমানে সময় চার্টের সামনে তাকিয়ে থাকলে আপনি আপনার পারসোনালিটি অনুযায়ী রিট্রেসমেন্ট অথবা রিভার্সাল চিনহিত করার পদ্ধতি পেয়ে যাবেন।
06 রিভার্সাল থেকে সাবধান
রিভার্সাল থেকে সাবধান
আগেও বলা হয়েছে যে আপনার মূলধনের সুরক্ষা হল আপনার প্রথম উদ্দেশ্য। টাকা আছে ট্রেড করতে পারছেন, টাকা নেই ডেমো আর ভালো লাগে না। লাভ কম হোক ঠিক আছে, লস যেন এত বেশী না হয় যা সামলাতে পারবো না।
রিট্রেসমেন্ট যেকোন সময় কোন প্রকার সংকেত না দিয়েই রিভার্সালে পরিনত হতে পারে। সেজন্য সবসময় প্রস্তুও থাকবেন যেন যে পরিস্থিতিই আসুক না কেন, তা যেন সামলাতে পারেন।
তাই সবসময় স্টপ লস এবং ট্রেইলিং স্টপ ব্যাবহারের অভ্যাস করুন। এটা আপনাকে কোন না কোন দিন বাঁচাবে।
আরও মনে রাখবেন যে রিট্রেসমেন্ট আর রিভার্সাল চিনহিত করার অনেক উপায় আছে। তাই যেটা আপনার জন্য উপযোগী সেটা ব্যাবহার করুন।
আর একটা কথা মনে রাখবেন যে মার্কেটে কি হবে, সেই সম্পর্কে আপনি সবসময় সঠিক হতে পারবেন না। যখন ভুল হবেন, সেটা গ্রহন করতে শিখুন।
আগেও বলা হয়েছে যে আপনার মূলধনের সুরক্ষা হল আপনার প্রথম উদ্দেশ্য। টাকা আছে ট্রেড করতে পারছেন, টাকা নেই ডেমো আর ভালো লাগে না। লাভ কম হোক ঠিক আছে, লস যেন এত বেশী না হয় যা সামলাতে পারবো না।
রিট্রেসমেন্ট যেকোন সময় কোন প্রকার সংকেত না দিয়েই রিভার্সালে পরিনত হতে পারে। সেজন্য সবসময় প্রস্তুও থাকবেন যেন যে পরিস্থিতিই আসুক না কেন, তা যেন সামলাতে পারেন।
তাই সবসময় স্টপ লস এবং ট্রেইলিং স্টপ ব্যাবহারের অভ্যাস করুন। এটা আপনাকে কোন না কোন দিন বাঁচাবে।
আরও মনে রাখবেন যে রিট্রেসমেন্ট আর রিভার্সাল চিনহিত করার অনেক উপায় আছে। তাই যেটা আপনার জন্য উপযোগী সেটা ব্যাবহার করুন।
আর একটা কথা মনে রাখবেন যে মার্কেটে কি হবে, সেই সম্পর্কে আপনি সবসময় সঠিক হতে পারবেন না। যখন ভুল হবেন, সেটা গ্রহন করতে শিখুন।








No comments:
Post a Comment