01 ব্রেকআউট ট্রেডিং
ব্রেকআউট ট্রেডিং
ব্রেকআউট কি এবং এর থেকে কিভাবে লাভ নেয়া যায়?
ব্রেকআউট দেখা যায় যখন প্রাইস কোন রেঞ্জ থেকে বের হয়। এছাড়াও ব্রেকআউট দেখা যায় যখন প্রাইস সাপোর্ট/রেজিস্টান্স, পিভট পয়েন্ট, ফিবনাস্যি লেভেল ইত্যাদি ব্রেক করে।
ব্রেকআউট ট্রেডে ট্রেডারের লক্ষ্য থাকে যে, যখন মার্কেটে ভলাটালিটি আসার সম্ভাবনা থাকে, সঠিকভাবে ব্রেকআউটে এন্ট্রি করা আর ট্রেড ম্যানেজমেন্ট করা যতক্ষণ না ভলাটিলিটি কমতে দেখা যায়।
ভলিউম না, ভলাটিলিটি!
স্টক অথবা ফিউচার মার্কেটের মত, ফরেক্স মার্কেটে ট্রেডের ভলিউম দেখার কোন উপায় নেই। স্টক অথবা ফিউচার মার্কেটে, ভলিউম ব্রেকআউট ট্রেডের জন্য প্রয়োজনীয় একটা উপাদান আর আমাদের কাছে সেই ডাটা না থাকায়, আমাদের জন্য অসুভিধা হতে পারে।
এই অসুবিধার জন্য আমাদের ভালো রিস্ক ম্যানেজমেন্টের উপর নির্ভর করতে হয়, এছাড়াও আমাদের ভালোভাবে ব্রেকআউট ধরার জন্য কিছু জিনিসের দিকে খেয়াল করতে হয়।
যখন খুব অল্প সময়ের মধ্যে বড় ধরনের মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন ভলাটিলিটি হাই ধরে নেয়া হয়। আর যখন মার্কেটে অল্পসময়ে তুলনামুলক কম মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন ভলাটিলিটি কম ধরে নেয়া হয়।
মার্কেটে এইরকম হাই ভলাটিলিট ট্রেডারদের আকর্ষিত করে, আর এই হাই ভলাটিলিটিই অনেক ট্রেডারদের শেষ করে দেয়। এরকম হাই ভলাটিলিতে লাফ দেয়ার চেয়ে, যখন কারেন্সি পেয়ারে কম ভলাটিলিটি দেখা যায়, সেই অপেক্ষায় থাকা ভালো।
এভাবে আপনি ব্রেকআউটের প্রস্তুতি নিতে পারবেন, আর মার্কেটে ভলাটিলিটি আপনার আয়ত্তে থাকবে।
ব্রেকআউট কি এবং এর থেকে কিভাবে লাভ নেয়া যায়?
ব্রেকআউট দেখা যায় যখন প্রাইস কোন রেঞ্জ থেকে বের হয়। এছাড়াও ব্রেকআউট দেখা যায় যখন প্রাইস সাপোর্ট/রেজিস্টান্স, পিভট পয়েন্ট, ফিবনাস্যি লেভেল ইত্যাদি ব্রেক করে।
ব্রেকআউট ট্রেডে ট্রেডারের লক্ষ্য থাকে যে, যখন মার্কেটে ভলাটালিটি আসার সম্ভাবনা থাকে, সঠিকভাবে ব্রেকআউটে এন্ট্রি করা আর ট্রেড ম্যানেজমেন্ট করা যতক্ষণ না ভলাটিলিটি কমতে দেখা যায়।
ভলিউম না, ভলাটিলিটি!
স্টক অথবা ফিউচার মার্কেটের মত, ফরেক্স মার্কেটে ট্রেডের ভলিউম দেখার কোন উপায় নেই। স্টক অথবা ফিউচার মার্কেটে, ভলিউম ব্রেকআউট ট্রেডের জন্য প্রয়োজনীয় একটা উপাদান আর আমাদের কাছে সেই ডাটা না থাকায়, আমাদের জন্য অসুভিধা হতে পারে।
এই অসুবিধার জন্য আমাদের ভালো রিস্ক ম্যানেজমেন্টের উপর নির্ভর করতে হয়, এছাড়াও আমাদের ভালোভাবে ব্রেকআউট ধরার জন্য কিছু জিনিসের দিকে খেয়াল করতে হয়।
যখন খুব অল্প সময়ের মধ্যে বড় ধরনের মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন ভলাটিলিটি হাই ধরে নেয়া হয়। আর যখন মার্কেটে অল্পসময়ে তুলনামুলক কম মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন ভলাটিলিটি কম ধরে নেয়া হয়।
মার্কেটে এইরকম হাই ভলাটিলিট ট্রেডারদের আকর্ষিত করে, আর এই হাই ভলাটিলিটিই অনেক ট্রেডারদের শেষ করে দেয়। এরকম হাই ভলাটিলিতে লাফ দেয়ার চেয়ে, যখন কারেন্সি পেয়ারে কম ভলাটিলিটি দেখা যায়, সেই অপেক্ষায় থাকা ভালো।
এভাবে আপনি ব্রেকআউটের প্রস্তুতি নিতে পারবেন, আর মার্কেটে ভলাটিলিটি আপনার আয়ত্তে থাকবে।
02 ভলাটিলিটি নির্ধারণের উপায়
ভলাটিলিটি নির্ধারণের উপায়
আমরা যখন ব্রেকআউট ট্রেডিঙের সুযোগ খুজি, ভলাটিলিটি একটা প্রয়োজনীয় উপাদান। ভলাটিলিটি কোন নির্দিষ্ট সময়ে প্রাইস ওঠানামা পরিমাপ করে আর এই তথ্য সম্ভাব্য ব্রেকআউট চিনহিত করতে সহায়তা করতে পারে। আমরা আগে কিছু ইনডিকেটর দেখেছিলাম যে কোন কারেন্সি পেয়ারে ভলাটিলিটি ধরতে সাহায্য করে। এইসব ইনডিকেটর ব্রেকআউট ট্রেডিঙে আপনাকে অনেক সাহায্য করতে পারে।
বোলিঙ্গার ব্যান্ডস (বিবি)
বোলিঙ্গার ব্যান্ডস মার্কেটে ভলাটিলিটি পরিমাপ করার জন্য একটা চমৎকার ট্যুল। কারন এটা এই কাজের জন্যই তৈরি হয়েছে।
যখন ব্যান্ডস সংকুচিত হতে থাকে তখন মার্কেটে কম ভলাটিলিটি। যখন ব্যান্ডস বিস্তার করতে থাকে তখন মার্কেটে ভলাটিলিটি বাড়তে থাকে।
ম্যাকডি
ম্যাকডি হল ভলাটিলিটি নির্ণয় করার আর একটা ট্যুল। যখন মার্কেটে কম ভলাটিলিটি থাকে, তখন ম্যাকডি মোমেন্টাম হারাতে থাকে। আর যখন মার্কেটে ভলাটিলিটি বাড়তে থাকে, তখন ম্যাকডি মোমেন্টাম গেইন করতে থাকে।
ম্যাকডি সম্পর্কে ভুলে গেলে আবার ম্যাকডি লেসন পড়তে পারেন।
এভারেজ ট্রু রেঞ্জ (এটিআর)
শেষ উদাহরণটা হল এটিআর অথবা এভারেজ ট্রু রেঞ্জ দিয়ে।
এটিআর ভলাটিলিটি নির্ণয়ের জন্য আরেকটা চমৎকার ট্যুল কারন এটা আমাদের মার্কেটে এক্স সময়ের মধ্যে এভারেজ ট্রেডিং রেঞ্জ দেখায়, যেখানে এক্স হল আপনার নির্ধারিত সময়।
উপরের চার্টে দেখা যাচ্ছে যে, যখন প্রাইসে হাই ভলাটিলিটি আছে তখন এটিআর বাড়ছে আর যখন প্রাইসে ভলাটিলিটি কমছে তখন এটিআর কমছে। এটিআর সম্পর্কে রিভিউ লাগলে আবার পড়ে আসতে পারেন।
আমরা যখন ব্রেকআউট ট্রেডিঙের সুযোগ খুজি, ভলাটিলিটি একটা প্রয়োজনীয় উপাদান। ভলাটিলিটি কোন নির্দিষ্ট সময়ে প্রাইস ওঠানামা পরিমাপ করে আর এই তথ্য সম্ভাব্য ব্রেকআউট চিনহিত করতে সহায়তা করতে পারে। আমরা আগে কিছু ইনডিকেটর দেখেছিলাম যে কোন কারেন্সি পেয়ারে ভলাটিলিটি ধরতে সাহায্য করে। এইসব ইনডিকেটর ব্রেকআউট ট্রেডিঙে আপনাকে অনেক সাহায্য করতে পারে।
বোলিঙ্গার ব্যান্ডস (বিবি)
বোলিঙ্গার ব্যান্ডস মার্কেটে ভলাটিলিটি পরিমাপ করার জন্য একটা চমৎকার ট্যুল। কারন এটা এই কাজের জন্যই তৈরি হয়েছে।
যখন ব্যান্ডস সংকুচিত হতে থাকে তখন মার্কেটে কম ভলাটিলিটি। যখন ব্যান্ডস বিস্তার করতে থাকে তখন মার্কেটে ভলাটিলিটি বাড়তে থাকে।
ম্যাকডি
ম্যাকডি হল ভলাটিলিটি নির্ণয় করার আর একটা ট্যুল। যখন মার্কেটে কম ভলাটিলিটি থাকে, তখন ম্যাকডি মোমেন্টাম হারাতে থাকে। আর যখন মার্কেটে ভলাটিলিটি বাড়তে থাকে, তখন ম্যাকডি মোমেন্টাম গেইন করতে থাকে।
ম্যাকডি সম্পর্কে ভুলে গেলে আবার ম্যাকডি লেসন পড়তে পারেন।
এভারেজ ট্রু রেঞ্জ (এটিআর)
শেষ উদাহরণটা হল এটিআর অথবা এভারেজ ট্রু রেঞ্জ দিয়ে।
এটিআর ভলাটিলিটি নির্ণয়ের জন্য আরেকটা চমৎকার ট্যুল কারন এটা আমাদের মার্কেটে এক্স সময়ের মধ্যে এভারেজ ট্রেডিং রেঞ্জ দেখায়, যেখানে এক্স হল আপনার নির্ধারিত সময়।
উপরের চার্টে দেখা যাচ্ছে যে, যখন প্রাইসে হাই ভলাটিলিটি আছে তখন এটিআর বাড়ছে আর যখন প্রাইসে ভলাটিলিটি কমছে তখন এটিআর কমছে। এটিআর সম্পর্কে রিভিউ লাগলে আবার পড়ে আসতে পারেন।
03 ব্রেকআউটের ধরন
ব্রেকআউটের ধরন
ব্রেকআউট ট্রেডিঙের সময় ব্রেকআউটের ধরন জানা প্রয়োজন। ব্রেকআউট ২ ধরনের হয়ঃ
- ধারাবাহিক (Continuation) ব্রেকআউট
- রিভার্সাল ব্রেকআউট
কোন ব্রেকআউট আপনি চিনহিত করছেন, তা জানলে পরবর্তীতে মার্কেটে কি হতে পারে তা ধারনা করতে পারবেন।
ব্রেকআউট গুরুত্বপূর্ণ জিনিস কারন এগুলো কারেন্সি পায়ারে সাপ্লাই ও ডিমান্ডের পরিবর্তনের সংকেত দেয়।
ধারাবাহিক (Continuation) ব্রেকআউট
মাঝেমাঝে প্রাইস যখন একদিকে মুভ করতে থাকে, মার্কেটের তারপর বিরতির প্রয়োজন হয়। এটা সেই সময় যখন বুল এবং বিয়াররা পরবর্তীতে কি করবে তা চিন্তা করে। এর ফলে প্রাইসকে একটা রেঞ্জের মধ্যে দেখবেন যেটাকে কন্সোলিডেশন বলা হয়।
এখানে যদি ট্রেডাররা চিন্তা করে যে এই ট্রেন্ডটা ঠিক ডায়রেকশনে আছে আর তারা প্রাইসকে ওই ডায়রেকশনে নিয়ে যায়, তাহলে সেটা হবে ধারাবাহিক (Continuation) ব্রেকআউট। এত না পেচিয়ে সোজা কথা হল ট্রেন্ড কন্টিনিউ করেছে বুঝেছেন?
রিভার্সাল ব্রেকআউট
রিভার্সাল ব্রেকআউট ধারাবাহিক ব্রেকআউটের মতই শুরু হয়। একটা ট্রেন্ডিং মুভের পরে আর তারপরে আসে কন্সোলিডেশন।
উপরে পার্থক্য দেখছেন যে ট্রেডাররা ট্রেন্ডের বিপরীতে প্রাইসকে নিয়ে যাচ্ছে। তথায় এটাকে রিভার্সাল ব্রেকআউট বলা হয়।
ব্রেকআউট ট্রেডিঙের সময় ব্রেকআউটের ধরন জানা প্রয়োজন। ব্রেকআউট ২ ধরনের হয়ঃ
- ধারাবাহিক (Continuation) ব্রেকআউট
- রিভার্সাল ব্রেকআউট
কোন ব্রেকআউট আপনি চিনহিত করছেন, তা জানলে পরবর্তীতে মার্কেটে কি হতে পারে তা ধারনা করতে পারবেন।
ব্রেকআউট গুরুত্বপূর্ণ জিনিস কারন এগুলো কারেন্সি পায়ারে সাপ্লাই ও ডিমান্ডের পরিবর্তনের সংকেত দেয়।
ধারাবাহিক (Continuation) ব্রেকআউট
মাঝেমাঝে প্রাইস যখন একদিকে মুভ করতে থাকে, মার্কেটের তারপর বিরতির প্রয়োজন হয়। এটা সেই সময় যখন বুল এবং বিয়াররা পরবর্তীতে কি করবে তা চিন্তা করে। এর ফলে প্রাইসকে একটা রেঞ্জের মধ্যে দেখবেন যেটাকে কন্সোলিডেশন বলা হয়।
এখানে যদি ট্রেডাররা চিন্তা করে যে এই ট্রেন্ডটা ঠিক ডায়রেকশনে আছে আর তারা প্রাইসকে ওই ডায়রেকশনে নিয়ে যায়, তাহলে সেটা হবে ধারাবাহিক (Continuation) ব্রেকআউট। এত না পেচিয়ে সোজা কথা হল ট্রেন্ড কন্টিনিউ করেছে বুঝেছেন?
রিভার্সাল ব্রেকআউট
রিভার্সাল ব্রেকআউট ধারাবাহিক ব্রেকআউটের মতই শুরু হয়। একটা ট্রেন্ডিং মুভের পরে আর তারপরে আসে কন্সোলিডেশন।
উপরে পার্থক্য দেখছেন যে ট্রেডাররা ট্রেন্ডের বিপরীতে প্রাইসকে নিয়ে যাচ্ছে। তথায় এটাকে রিভার্সাল ব্রেকআউট বলা হয়।
04 ব্রেকআউট চিনহিতকরন
ব্রেকআউট চিনহিতকরন
ব্রেকআউট ট্রেডিঙের অনেক টেকনিক আমরা আগেই শিখে এসেছি। সেগুলো হলঃ
- চার্ট প্যাটার্ন
- ডাবল টপ/বটম
- হেড এন্ড শোল্ডার
- ট্রিপল টপ/বটম
- ট্রায়েঙ্গেল ইত্যাদি
ট্রেন্ডলাইন
- উদ্ধগামী/নিম্নগামী ট্রেন্ডলাইন
- চ্যানেল
ট্রেন্ডলাইন
ট্রেন্ডলাইন আকার নিয়ম হল যে, ২টা টপ অথবা বটমকে কানেক্ট করা। যতবার প্রাইস ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করতে ব্যার্থ হয় ট্রেন্ডলাইন তত শক্তিশালী হয়।
তাহলে ট্রেন্ডলাইন দিয়ে কিভাবে লাভ নেবেন? যখন প্রাইস ট্রেন্ডলাইনে পৌছায় তখন হয় এটা ব্রেক করবে অথবা প্রাইস এখান থেকে বাউন্স করবে। ব্রেকাউট হলে রিভার্সালের সম্ভাবনা থাকে। শুধুমাত্র ট্রেন্ডলাইন ব্রেক পর্যাপ্ত নয়। অন্যান্য ট্যুল এর সাথে ব্যাবহার করে আমরা আরেকটু কনফার্ম হয়ে নিতে পারি। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
উপরের চার্টে ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে আর ম্যাকডি বিয়ারিশ মমেন্টাম দেখাচ্ছে। ২টা কনফার্মেশন দিয়ে আমরা আশা করতে পারি যে প্রাইস পরবর্তীতে নিচে নামবে।
চার্ট প্যাটার্ন
বিভিন্ন চার্ট যেমন হেড এন্ড শোল্ডার, ডাবল টপ অথবা বটম ইত্যাদি প্যাটার্ন যেগুলোর নেকলাই ব্রেক করলে আমরা ট্রেড শুরু করি। নিচের চার্টগুলো দেখুনঃ
উপরের চার্টে ডাবল টপ ফর্ম করেছে আর নেকলাইন ব্রেক করার পরে প্রাইস প্যাটার্নের সমান মুভ করেছে।
উপরের চার্টে হেড এন্ড শোল্ডার প্যাটার্ন তৈরি করে নেকলাইন ব্রেক করেছে। কিন্তু প্রাইস পরবর্তীতে একটু টুইস্ট নিয়ে তারপর উপরে উঠেছে।
ট্রায়েঙ্গেল
ব্রেকআউট চিনহিত করার আরেকটা উপায় হল ট্রায়েঙ্গেল ব্রেকআউট। ট্রায়েঙ্গেল দেখা যায় যখন প্রাইস ভলাটাইল থেকে কনসোলিডেশনের দিকে একটা রেঞ্জের মধ্যে যায়। আমাদের লক্ষ্য থাকে যে, যখন প্রাইস এই কনসোলিডেশন থেকে বের হয় তখন ট্রেডে এন্ট্রি করা। নিচের চার্টগুলো দেখুনঃ
উপরের চার্টগুলোতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, প্রাইস যখন কনসোলিডেশন থেকে বের হয়, তখন একটা কমপক্ষে সেই চার্ট প্যাটার্নের সমান মুভ করে।
যদি কোন কিছু ভুলে গিয়ে থাকেন তাহলে আগেল লেসনগুলো পুনরায় পড়ে আসতে পারেন।
ব্রেকআউট ট্রেডিঙের অনেক টেকনিক আমরা আগেই শিখে এসেছি। সেগুলো হলঃ
- চার্ট প্যাটার্ন
- ডাবল টপ/বটম
- হেড এন্ড শোল্ডার
- ট্রিপল টপ/বটম
- ট্রায়েঙ্গেল ইত্যাদি
ট্রেন্ডলাইন
- উদ্ধগামী/নিম্নগামী ট্রেন্ডলাইন
- চ্যানেল
ট্রেন্ডলাইন
ট্রেন্ডলাইন আকার নিয়ম হল যে, ২টা টপ অথবা বটমকে কানেক্ট করা। যতবার প্রাইস ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করতে ব্যার্থ হয় ট্রেন্ডলাইন তত শক্তিশালী হয়।
তাহলে ট্রেন্ডলাইন দিয়ে কিভাবে লাভ নেবেন? যখন প্রাইস ট্রেন্ডলাইনে পৌছায় তখন হয় এটা ব্রেক করবে অথবা প্রাইস এখান থেকে বাউন্স করবে। ব্রেকাউট হলে রিভার্সালের সম্ভাবনা থাকে। শুধুমাত্র ট্রেন্ডলাইন ব্রেক পর্যাপ্ত নয়। অন্যান্য ট্যুল এর সাথে ব্যাবহার করে আমরা আরেকটু কনফার্ম হয়ে নিতে পারি। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
উপরের চার্টে ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে আর ম্যাকডি বিয়ারিশ মমেন্টাম দেখাচ্ছে। ২টা কনফার্মেশন দিয়ে আমরা আশা করতে পারি যে প্রাইস পরবর্তীতে নিচে নামবে।
চার্ট প্যাটার্ন
বিভিন্ন চার্ট যেমন হেড এন্ড শোল্ডার, ডাবল টপ অথবা বটম ইত্যাদি প্যাটার্ন যেগুলোর নেকলাই ব্রেক করলে আমরা ট্রেড শুরু করি। নিচের চার্টগুলো দেখুনঃ
উপরের চার্টে ডাবল টপ ফর্ম করেছে আর নেকলাইন ব্রেক করার পরে প্রাইস প্যাটার্নের সমান মুভ করেছে।
উপরের চার্টে হেড এন্ড শোল্ডার প্যাটার্ন তৈরি করে নেকলাইন ব্রেক করেছে। কিন্তু প্রাইস পরবর্তীতে একটু টুইস্ট নিয়ে তারপর উপরে উঠেছে।
ট্রায়েঙ্গেল
ব্রেকআউট চিনহিত করার আরেকটা উপায় হল ট্রায়েঙ্গেল ব্রেকআউট। ট্রায়েঙ্গেল দেখা যায় যখন প্রাইস ভলাটাইল থেকে কনসোলিডেশনের দিকে একটা রেঞ্জের মধ্যে যায়। আমাদের লক্ষ্য থাকে যে, যখন প্রাইস এই কনসোলিডেশন থেকে বের হয় তখন ট্রেডে এন্ট্রি করা। নিচের চার্টগুলো দেখুনঃ
উপরের চার্টগুলোতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, প্রাইস যখন কনসোলিডেশন থেকে বের হয়, তখন একটা কমপক্ষে সেই চার্ট প্যাটার্নের সমান মুভ করে।
যদি কোন কিছু ভুলে গিয়ে থাকেন তাহলে আগেল লেসনগুলো পুনরায় পড়ে আসতে পারেন।
05 ব্রেকআউটের জোড় নির্ণয় করা
ব্রেকআউটের জোড় নির্ণয় করা
আমরা আগে পড়েছি যে প্রাইস যখন একদিকে কিছুসময় ধরে মুভ করতে থাকে এবং তারপর কনসোলিডেট হতে থাকে, নিম্নোক্ত যেকোনো একটা জিনিস হতে পারেঃ
১) প্রাইস ট্রেন্ড কন্টিনিউ করতে পারে (ব্রেকআউট কন্টিনিউয়েশন)
২) প্রাইস অন্য দিকে রিভার্স করতে পারে (ব্রেকআউট রিভার্সাল)
মুভিং এভারেজ কনভারজেন্স/ডাইভারজেন্স (ম্যাকডি)
ম্যাকডি ট্রেডারদের মধ্যে একটা প্রচলিত ইনডিকেটর। এটা ব্যাবহার খুব সোজা এবং এবং মোমেন্টাম বের করার জন্য বিশ্বস্ত ইনডিকেটর, এবং এই ক্ষেত্রে মোমেন্টামের অনুপুস্থিতি।
ম্যাকডি আমরা বিভিন্নভাবে ব্যাবহার করা শিখেছি কিন্তু এখানে আমরা ম্যাকডি হিস্টগ্রাম ব্যাবহার দেখবো। হিস্টগ্রাম আমাদের স্লো এবং ফাস্ট ম্যাকডি লাইনের পার্থক্য দেখায়। হিস্টগ্রাম বড় হলে মোমেন্টাম শক্তিশালী হওয়ার সংকেত পাই আর হিস্টগ্রাম ছোট হলে মমেন্টাম দুর্বল হওয়ার সংকেত পাই।
ম্যাকডি নিয়ে অনেক ধরনের ব্যাবহার দেখানো হয়েছে। প্রয়োজনে সেগুলো আবার রিভিউ দিতে পারেন।
আচ্ছা আগে যে ডাইভারজেন্সের কথা বলেছিলাম যাতে প্রাইস এবং ইনডিকেটর ভিন্নমত পোষণ করে, তার কথা কি মনে আছে? নিচের চার্টটি দেখুনঃ
উপরের চার্টে প্রাইস হাইয়ার হাই আর ম্যাকডি লোয়ার হাই তৈরি করেছে। এর মানে প্রাইস ট্রেন্ডিং হওয়াকালীন মোমেন্টাম হারাচ্ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা একটা রিভার্সাল আশা করতে পারি।
রিলেটিভ স্ট্রেনথ ইনডেক্স (আরএসআই)
আরএসআই আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ মোমেন্টাম ইনডিকেটর যেটা রিভার্সাল ব্রেকআউট চিনহিত করতে সাহায্য করে। সাধারনত এই ইনডিকেটরটি আমাদের নির্দিষ্ট কোন সময়ের মধ্যে হাইয়ার এবং লোয়ার ক্লোজিং প্রাইসের পার্থক্য দেখায়। আরএসআই সম্পর্কে আরও জানতে পিপকমিউনিটির আগের লেসন দেখে আসতে পারেন।
আরএসআই ম্যাকডির মত ডাইভারজেন্স দেখায়। ডাইভারজেন্স ধরতে পারলে ট্রেন্ড রিভার্সাল বের করতে পারবেন।
এছাড়াও, ট্রেন্ড কত সময় ধরে ওভারবট অথবা ওভারসোল্ড জোনে ছিল, আরএসআই দ্বারা তা দেখা যায়। ওভারবট জোনে থাকার একটা প্রচলিত লক্ষন হল যখন আরএসআই ৭০ লেভেলের উপরে থাকে। আর ওভারসোল্ডের জন্য ৩০ লেভেলের নিচে।
ট্রেন্ড মুভমেন্ট দীর্ঘ সময় ধরে একই ডায়রেকশনে মুভ করলে আরএসআইকে সাধারনত ওভারবট/ওভারসোল্ড জোনে দেখা যায়। এই ধরনের পরিস্থিতি থেকে আরএসআই যখন এর নরমাল রেঞ্জের মধ্যে ফিরতে থাকে, তখন রিভার্সালের সম্ভাবনা থাকে।
উপরের চার্টে ধরে নিন যে, হাজার বছর ধরে মার্কেট ওভারবট জোনে ছিল। যখন আরএসআই ৭০ লেভেলের নিচে আসা শুরু করলো, তখন আমরা ধরে নিতে পারি যে ট্রেন্ড রিভার্সালের সময় ঘনিয়ে এসেছে।
আমরা আগে পড়েছি যে প্রাইস যখন একদিকে কিছুসময় ধরে মুভ করতে থাকে এবং তারপর কনসোলিডেট হতে থাকে, নিম্নোক্ত যেকোনো একটা জিনিস হতে পারেঃ
১) প্রাইস ট্রেন্ড কন্টিনিউ করতে পারে (ব্রেকআউট কন্টিনিউয়েশন)
২) প্রাইস অন্য দিকে রিভার্স করতে পারে (ব্রেকআউট রিভার্সাল)
মুভিং এভারেজ কনভারজেন্স/ডাইভারজেন্স (ম্যাকডি)
ম্যাকডি ট্রেডারদের মধ্যে একটা প্রচলিত ইনডিকেটর। এটা ব্যাবহার খুব সোজা এবং এবং মোমেন্টাম বের করার জন্য বিশ্বস্ত ইনডিকেটর, এবং এই ক্ষেত্রে মোমেন্টামের অনুপুস্থিতি।
ম্যাকডি আমরা বিভিন্নভাবে ব্যাবহার করা শিখেছি কিন্তু এখানে আমরা ম্যাকডি হিস্টগ্রাম ব্যাবহার দেখবো। হিস্টগ্রাম আমাদের স্লো এবং ফাস্ট ম্যাকডি লাইনের পার্থক্য দেখায়। হিস্টগ্রাম বড় হলে মোমেন্টাম শক্তিশালী হওয়ার সংকেত পাই আর হিস্টগ্রাম ছোট হলে মমেন্টাম দুর্বল হওয়ার সংকেত পাই।
ম্যাকডি নিয়ে অনেক ধরনের ব্যাবহার দেখানো হয়েছে। প্রয়োজনে সেগুলো আবার রিভিউ দিতে পারেন।
আচ্ছা আগে যে ডাইভারজেন্সের কথা বলেছিলাম যাতে প্রাইস এবং ইনডিকেটর ভিন্নমত পোষণ করে, তার কথা কি মনে আছে? নিচের চার্টটি দেখুনঃ
উপরের চার্টে প্রাইস হাইয়ার হাই আর ম্যাকডি লোয়ার হাই তৈরি করেছে। এর মানে প্রাইস ট্রেন্ডিং হওয়াকালীন মোমেন্টাম হারাচ্ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা একটা রিভার্সাল আশা করতে পারি।
রিলেটিভ স্ট্রেনথ ইনডেক্স (আরএসআই)
আরএসআই আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ মোমেন্টাম ইনডিকেটর যেটা রিভার্সাল ব্রেকআউট চিনহিত করতে সাহায্য করে। সাধারনত এই ইনডিকেটরটি আমাদের নির্দিষ্ট কোন সময়ের মধ্যে হাইয়ার এবং লোয়ার ক্লোজিং প্রাইসের পার্থক্য দেখায়। আরএসআই সম্পর্কে আরও জানতে পিপকমিউনিটির আগের লেসন দেখে আসতে পারেন।
আরএসআই ম্যাকডির মত ডাইভারজেন্স দেখায়। ডাইভারজেন্স ধরতে পারলে ট্রেন্ড রিভার্সাল বের করতে পারবেন।
এছাড়াও, ট্রেন্ড কত সময় ধরে ওভারবট অথবা ওভারসোল্ড জোনে ছিল, আরএসআই দ্বারা তা দেখা যায়। ওভারবট জোনে থাকার একটা প্রচলিত লক্ষন হল যখন আরএসআই ৭০ লেভেলের উপরে থাকে। আর ওভারসোল্ডের জন্য ৩০ লেভেলের নিচে।
ট্রেন্ড মুভমেন্ট দীর্ঘ সময় ধরে একই ডায়রেকশনে মুভ করলে আরএসআইকে সাধারনত ওভারবট/ওভারসোল্ড জোনে দেখা যায়। এই ধরনের পরিস্থিতি থেকে আরএসআই যখন এর নরমাল রেঞ্জের মধ্যে ফিরতে থাকে, তখন রিভার্সালের সম্ভাবনা থাকে।
উপরের চার্টে ধরে নিন যে, হাজার বছর ধরে মার্কেট ওভারবট জোনে ছিল। যখন আরএসআই ৭০ লেভেলের নিচে আসা শুরু করলো, তখন আমরা ধরে নিতে পারি যে ট্রেন্ড রিভার্সালের সময় ঘনিয়ে এসেছে।
06 ফেকআউট ট্রেডিং
ফেকআউট ট্রেডিং
এতক্ষণে হয়ত আপনারা ধরে নিয়েছেন যে ব্রেকআউট ট্রেডিং ট্রেডারদের কাছে একটা জনপ্রিয় মেথড।
প্রাইসের সাধারনত ট্রেন্ডের দিকে ঝোঁক বেশী থাকে। আর তাই ট্রেন্ডের সাথে তাল মিলিয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ। ট্রেন্ড একসময় না একসময় পরিবর্তন হয়। আর পরিবর্তনের মাঝে আপনাকে ফেক সিগন্যাল দেয়। চলুন দেখিঃ
উপরের চার্টে ইএমএ-২১ ব্যাবহার করা হয়েছে। মুভিং এভারেজকে আমরা ডায়নামিক সাপোর্ট/রেজিস্টান্স হিসেবে ব্যাবহার করে থাকি। আপট্রেন্ডে প্রাইস ২ বার ইএমএ-২১ ব্রেক করে নিচে নামতে ব্যার্থ হয়েছে। প্রথমত আপট্রেন্ড, আর ৩য় বার যখন প্রাইস আবার ব্যার্থ হয়েছে তখন আপনার মনে হতে পারে যে এখন বুঝি বাই দেয়ার ভালো সময়। ধরুন এখানে বাই দিলেন, কিন্তু পড়ে দেখলেন যে সেটা একটা ফেকআউট ছিল।
এত অ্যানালিসিস করার পরে ধরা খেয়ে সহ্য না করতে পেরে এতক্ষণে হয়ত কাঁদতে কাঁদতে আপনার নাক দিয়ে পানিও বের হওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।
আপনি চিন্তা করছেন যে, এই রকম লস থেকে কি কখনোই বাচতে পারবো না? উত্তর হল, সবসময় বাঁচা সম্ভব নয়। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
আগের চার্টকেই আবার দেখছি। উপরের যেই প্যাটার্ন দেখা যাচ্ছে সেটা কি ওয়েজ প্যাটার্ন নাকি ট্রায়েঙ্গেল? আমরা যদি আগে এটা ধরতে পারতাম, তাহলে হয়ত লসের বদলে এখন লাভ হত।
এতক্ষণে হয়ত আপনারা ধরে নিয়েছেন যে ব্রেকআউট ট্রেডিং ট্রেডারদের কাছে একটা জনপ্রিয় মেথড।
প্রাইসের সাধারনত ট্রেন্ডের দিকে ঝোঁক বেশী থাকে। আর তাই ট্রেন্ডের সাথে তাল মিলিয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ। ট্রেন্ড একসময় না একসময় পরিবর্তন হয়। আর পরিবর্তনের মাঝে আপনাকে ফেক সিগন্যাল দেয়। চলুন দেখিঃ
উপরের চার্টে ইএমএ-২১ ব্যাবহার করা হয়েছে। মুভিং এভারেজকে আমরা ডায়নামিক সাপোর্ট/রেজিস্টান্স হিসেবে ব্যাবহার করে থাকি। আপট্রেন্ডে প্রাইস ২ বার ইএমএ-২১ ব্রেক করে নিচে নামতে ব্যার্থ হয়েছে। প্রথমত আপট্রেন্ড, আর ৩য় বার যখন প্রাইস আবার ব্যার্থ হয়েছে তখন আপনার মনে হতে পারে যে এখন বুঝি বাই দেয়ার ভালো সময়। ধরুন এখানে বাই দিলেন, কিন্তু পড়ে দেখলেন যে সেটা একটা ফেকআউট ছিল।
এত অ্যানালিসিস করার পরে ধরা খেয়ে সহ্য না করতে পেরে এতক্ষণে হয়ত কাঁদতে কাঁদতে আপনার নাক দিয়ে পানিও বের হওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।
আপনি চিন্তা করছেন যে, এই রকম লস থেকে কি কখনোই বাচতে পারবো না? উত্তর হল, সবসময় বাঁচা সম্ভব নয়। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
আগের চার্টকেই আবার দেখছি। উপরের যেই প্যাটার্ন দেখা যাচ্ছে সেটা কি ওয়েজ প্যাটার্ন নাকি ট্রায়েঙ্গেল? আমরা যদি আগে এটা ধরতে পারতাম, তাহলে হয়ত লসের বদলে এখন লাভ হত।
07 ফলস ব্রেকআউট কিভাবে ট্রেড করে?
ফলস ব্রেকআউট কিভাবে ট্রেড করে?
আপনি হয়ত মনে মনে বলছেন এটা ফাজলামি নাকি? ফলস ব্রেকআউটও কি আবার ট্রেড করা যায়? তাহলে মানুষ লস খাবে কখন? উত্তর হল, মার্কেট আপনার কাছে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ট্রেডের সুযোগ পেশ করে, সেটা থেকে লাভ নিয়ে নেয়া আপনার উপর।
ফলস ব্রেকআউট ট্রেড করা হয় যখন আপনি মনে করেন যে, কোন সাপোর্ট অথবা রেজিস্টান্স লেভেলে ব্রেকআউট ওই ডায়রেকশনে মুভ করার ক্ষমতা রাখে না। এইক্ষেত্রে ফলস ব্রেকআউট ট্রেডিং একটা ভালো ট্রেডের সুযোগ দিতে পারে।
একটা কথা মনে রাখবেন যে, ফলস ব্রেকআউট ট্রেডিং সর্ট-টার্মের জন্য ভালো একটা স্ট্রাটেজি। লং-টার্মের জন্য নয়।
ব্রেকআউট ট্রেডিং অনেক স্বাধীন ট্রেডারকে আকর্ষিত করে। কেন?
সাপোর্ট/রেজিস্টান্স লেভেল হল একটা পয়েন্ট যেখানে প্রাইস যদি এই লেভেল ব্রেক করে, একজন স্বভাবতই চিন্তা করবে যে প্রাইস ওই ডায়রেকশনে যাবে। যদি সাপোর্ট লেভেল ব্রেক করে, তাহলে পরবর্তী মুভ নিচের দিকে যাওয়ার আশা থাকে। আর যদি রেজিস্টান্স ব্রেক করে, তাহলে পরবর্তী মুভ উপরের দিকে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আমরা ট্রেডাররা স্বাধীনভাবে সবকিছু করি। এটা যেমন সত্য আবার এটাও সত্য যে আমাদের একটা লোভী মন আছে যেটা আমাদের ব্রেকআউটের দিকে ঝোঁক দেয়। আমরা সবসময় বেশী লাভ, বেশী পিপের চিন্তা করতে ওস্তাদ।
পারফেক্ট ওয়ার্ল্ডে এটা সত্য হত। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে আমরা পারফেক্ট ওয়ার্ল্ডে বসবাস করি না। আর ব্রেকআউট সবসময় কাজ করার বদলে বেশীরভাগ সময় ব্যার্থ হয়।
ব্রেকআউট ব্যার্থ হবার একটা প্রধান কারন হল যে কিছু বুদ্ধিমান মাইনরিটি আছে যারা আমাদের মেজরিটির লস দিয়ে বড় ধরনের লাভ নিয়ে থাকে। দুঃখ পাবার কিছু নেই, ওইসব মাইনরিটির দল হল বড় খেলোয়াড় যাদের দৈত্যের মত অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স আর বিশাল বাই/সেল অর্ডার।
যখন আমরা মার্কেটে সেল করতে চাই, মার্কেটে তা কেনার জন্য বায়ারও থাকতে হবে। কিন্তু যদি সবাই যদি রেজিস্টান্সের উপরে বাই আর সাপোর্টের নিচে সেল করতে চায়, সেইক্ষেএে মার্কেট মেকারকে অন্য পাশের সমীকরণকে সমান করতে হবে। আর আমরা জানি যে মার্কেট মেকাররা বোকা না।
রিটেইল ট্রেডাররা ব্রেকআউট ট্রেড করে। কিন্তু বুদ্ধিমান মাইনরিটি, ইন্সটিটিউশন, সিজনড ট্রেডাররা ফেক ব্রেকআউট ট্রেড সমর্থন করে।
বুদ্ধিমান ট্রেডাররা এইসকল সমষ্টিগত দলের চিন্তার ফায়দা নেয় অথবা কম অভিজ্ঞ ট্রেডারদের উপর দিয়ে লাভ নিয়ে নেয়। একারনে অভিজ্ঞ ট্রেডারদের পাশাপাশি ট্রেড করা লাভজনক প্রমানিত হতে পারে।
এখন বলেন আপনি কোন দলে ট্রেড করতে চানঃ বুদ্ধিমান মাইনরিটি নাকি মেজরিটি যারা ফলস ব্রেকআউটে আটকা পড়ে যায়?
আপনি হয়ত মনে মনে বলছেন এটা ফাজলামি নাকি? ফলস ব্রেকআউটও কি আবার ট্রেড করা যায়? তাহলে মানুষ লস খাবে কখন? উত্তর হল, মার্কেট আপনার কাছে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ট্রেডের সুযোগ পেশ করে, সেটা থেকে লাভ নিয়ে নেয়া আপনার উপর।
ফলস ব্রেকআউট ট্রেড করা হয় যখন আপনি মনে করেন যে, কোন সাপোর্ট অথবা রেজিস্টান্স লেভেলে ব্রেকআউট ওই ডায়রেকশনে মুভ করার ক্ষমতা রাখে না। এইক্ষেত্রে ফলস ব্রেকআউট ট্রেডিং একটা ভালো ট্রেডের সুযোগ দিতে পারে।
একটা কথা মনে রাখবেন যে, ফলস ব্রেকআউট ট্রেডিং সর্ট-টার্মের জন্য ভালো একটা স্ট্রাটেজি। লং-টার্মের জন্য নয়।
ব্রেকআউট ট্রেডিং অনেক স্বাধীন ট্রেডারকে আকর্ষিত করে। কেন?
সাপোর্ট/রেজিস্টান্স লেভেল হল একটা পয়েন্ট যেখানে প্রাইস যদি এই লেভেল ব্রেক করে, একজন স্বভাবতই চিন্তা করবে যে প্রাইস ওই ডায়রেকশনে যাবে। যদি সাপোর্ট লেভেল ব্রেক করে, তাহলে পরবর্তী মুভ নিচের দিকে যাওয়ার আশা থাকে। আর যদি রেজিস্টান্স ব্রেক করে, তাহলে পরবর্তী মুভ উপরের দিকে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আমরা ট্রেডাররা স্বাধীনভাবে সবকিছু করি। এটা যেমন সত্য আবার এটাও সত্য যে আমাদের একটা লোভী মন আছে যেটা আমাদের ব্রেকআউটের দিকে ঝোঁক দেয়। আমরা সবসময় বেশী লাভ, বেশী পিপের চিন্তা করতে ওস্তাদ।
পারফেক্ট ওয়ার্ল্ডে এটা সত্য হত। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে আমরা পারফেক্ট ওয়ার্ল্ডে বসবাস করি না। আর ব্রেকআউট সবসময় কাজ করার বদলে বেশীরভাগ সময় ব্যার্থ হয়।
ব্রেকআউট ব্যার্থ হবার একটা প্রধান কারন হল যে কিছু বুদ্ধিমান মাইনরিটি আছে যারা আমাদের মেজরিটির লস দিয়ে বড় ধরনের লাভ নিয়ে থাকে। দুঃখ পাবার কিছু নেই, ওইসব মাইনরিটির দল হল বড় খেলোয়াড় যাদের দৈত্যের মত অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স আর বিশাল বাই/সেল অর্ডার।
যখন আমরা মার্কেটে সেল করতে চাই, মার্কেটে তা কেনার জন্য বায়ারও থাকতে হবে। কিন্তু যদি সবাই যদি রেজিস্টান্সের উপরে বাই আর সাপোর্টের নিচে সেল করতে চায়, সেইক্ষেএে মার্কেট মেকারকে অন্য পাশের সমীকরণকে সমান করতে হবে। আর আমরা জানি যে মার্কেট মেকাররা বোকা না।
রিটেইল ট্রেডাররা ব্রেকআউট ট্রেড করে। কিন্তু বুদ্ধিমান মাইনরিটি, ইন্সটিটিউশন, সিজনড ট্রেডাররা ফেক ব্রেকআউট ট্রেড সমর্থন করে।
বুদ্ধিমান ট্রেডাররা এইসকল সমষ্টিগত দলের চিন্তার ফায়দা নেয় অথবা কম অভিজ্ঞ ট্রেডারদের উপর দিয়ে লাভ নিয়ে নেয়। একারনে অভিজ্ঞ ট্রেডারদের পাশাপাশি ট্রেড করা লাভজনক প্রমানিত হতে পারে।
এখন বলেন আপনি কোন দলে ট্রেড করতে চানঃ বুদ্ধিমান মাইনরিটি নাকি মেজরিটি যারা ফলস ব্রেকআউটে আটকা পড়ে যায়?
08 ফলস ব্রেকআউট ট্রেডের পদ্ধতি
ফলস ব্রেকআউট ট্রেডের পদ্ধতি
ফলস ব্রেকআউট ট্রেড করার জন্য আপনার জানতে হবে যে, সম্ভাব্য ফেকআউট কোথায় দেখা দিতে পারে। সম্ভাব্য ফেকআউট ট্রেন্ডলাইন, চার্ট প্যাটার্ন অথবা পূর্ববর্তী হাই/লোতে দেখা যেতে পারে।
ট্রেন্ডলাইন
ফলস ব্রেকআউটে, সবসময় মনে রাখবেন যে, প্রাইস এবং ট্রেন্ডলাইনের মধ্যে কিছু গ্যাপ থাকা প্রয়োজন।
প্রাইস আর ট্রেন্ডলাইনের মধ্যে গ্যাপ থাকলে, সেটা ইঙ্গিত করে যে প্রাইসের ট্রেন্ডের ডায়রেকশনের ঝোঁক বেশী আর ট্রেন্ডলাইনের থেকে দূরত্ব বাড়ছে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
প্রাইস আর ট্রেন্ডলাইনের মাঝে গ্যাপ থাকার কারনে, প্রাইস ট্রেন্ডলাইনের দিকে রিট্রেস করার জায়গা পাচ্ছে, আবার ব্রেকও করেছে যা পরবর্তীতে ফলস ব্রেকআউট ট্রেডিঙের সুযোগ করে দিয়েছে।
প্রাইস মুভমেন্টের গতিও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
প্রাইস যদি কষ্ট করে ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে তাহলে ফলস ব্রেকআউট হবার সম্ভাবনা থাকে। আর প্রাইস যদি মহিষের দৌড় দিয়ে ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে, তাহলে সফল ব্রেকআউট হবার সম্ভাবনা থাকে। এরকম সময়ে ফেকআউটের সুযোগ না ধরাই উত্তম।
কিভাবে এই ফলস ট্রেন্ডলাইন ব্রেক ট্রেড করা যায়?
সহজ! যখন প্রাইস আবার ট্রেন্ডলাইনের রেঞ্জে চলে আসবে তখন ট্রেডে এন্ট্রি করবো। এটা ট্রেডের একটা নিরাপদ উপায়। প্রথমে যে চার্ট দেখেছিলাম, সেটা আবার দেখিঃ
চার্ট প্যাটার্ন
চার্ট প্যাটার্ন টেকনিক্যাল অ্যানালিসিসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা আমাদের ডিসিশন মেকিং প্রসেসে সহায়তা করে। ২টা সচরাচর দেখা প্যাটার্ন যেগুলোতে ফলস ব্রেকআউট দেখা যায় তা হলঃ
- হেড এন্ড শোল্ডারস
- ডাবল টপ/বটম
হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্ন নতুন ট্রেডারদের জন্য চিনহিত করতে কষ্টকর হতে পারে। কিন্তু সময় এবং অভিজ্ঞতার সাথে সাথে এটা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা ট্যুলে পরিনত হতে পারে।
হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্ন একটা রিভার্সাল প্যাটার্ন হিসেবে আমরা চিনে থাকি। এই প্যাটার্নে ফলস ব্রেকআউট সচরাচর দেখা যায় কারন অনেক ট্রেডাররা স্টপ লস নেকলাইন ব্রেকের খুব কাছে দিয়ে থাকে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
যখন প্যাটার্নটা ফলস ব্রেকআউটের শিকার হয়, প্রাইস সাধারনত রিবাউন্ড করতে দেখা যায়। যেসব ট্রেডাররা নিচের দিকের ব্রেকআউটে সেল অথবা উপরের দিকের ব্রেকআউটে বাই দিয়েছে, সাধারনত তাদের স্টপ লস হিট করে। এগুলো হল ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডারদের কাজ যারা অন্যান্য ট্রেডারদের লসকে কুড়িয়ে নেয়।
যদি এটা ধরে নেন যে উপরের হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্নটার প্রথম ব্রেকটা ফলস ব্রেক হবে তাহলে আপনি আপনার ট্রেড অর্ডার প্রথম নেকলাইন ব্রেকের হাইয়ের একটু উপরে দিতে পারেন অথবা ২য় শোল্ডারের একটু নিচে দিতে পারেন।
মনে ব্রেকআউট চিনহিতকরন লেসনে একটা উদাহরন দিয়েছিলাম? চাইলে সেটা আরেকবার দেখে আসতে পারেন।
ডাবল টপ/বটম
বলেনতো ডাবল টপ/বটম প্যাটার্ন ট্রেডারদের কাছে খুব পছন্দনীয় প্যাটার্ন কেন? কারন, এটা চিনহিত করা খুব সহজ।
যখন প্রাইস নেকলাইন ব্রেক করে, এটা সম্ভাব্য রিভার্সালের সংকেত দেয়। একারনে অনেক ট্রেডাররা তাদের এন্ট্রি অর্ডার নেকলাইন ব্রেকের কাছাকাছি দিয়ে থাকে।
এই প্যাটার্নের একটা সমস্যা হল গিয়ে যে প্রচুর পরিমানে ট্রেডাররা এই প্যাটার্ন সম্পর্কে জানে আর একই জায়গায় ট্রেডে এন্ট্রি করে। এটা ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডারদের সাধারন ট্রেডারদের কাছ থেকে টাকা হাতানোর সুযোগ করে দেয়।
হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্নের মত, যখন প্রাইস আবার বাউন্স করে তখন আপনার স্টপ ফেক ব্রেকআউট ক্যান্ডেলের নিচে দিতে পারেন। এখন বুঝতে পারছেন যে মার্কেট আপনাকে কত ধরনের প্যাচের মধ্যে ফেলতে পারে?
এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, কোন ধরনের মার্কেটে ফলস ব্রেকআউট ট্রেড করা যায়?
উত্তর হল যে, সবচেয়ে ভালো ফলাফল রেঞ্জিং মার্কেটে পাওয়া যায়। তাই বলে আপনি মার্কেট সেন্টিমেন্ট, মেজর নিউজ এভেন্ট, কমন সেন্স, এবং অন্যান্য ধরনের মার্কেট অ্যানালিসিস বাদ দিতে পারবেন না।
ফিনান্সিয়াল মার্কেট একটা রেঞ্জের মধ্যে প্রাইস উঠানামা করতে অনেক সময় ব্যায় করে এবং এই হাই ও লো থেকে সরে যাওয়ার খুব বেশী প্রচেষ্টা করে না।
সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স রেঞ্জের মধ্যে বায়ার এবং সেলাররা প্রাইস উঠানামা করায়। এই রেঞ্জবাউন্ড এনভায়রমেন্টে ফলস ব্রেকআউট ট্রেড অনেক লাভজনক হতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন, একসময় না একসময় রেঞ্জ ব্রেক করে এবং নতুন ট্রেন্ডের পথে পা বাড়ায়।
ফলস ব্রেকআউট ট্রেড করার জন্য আপনার জানতে হবে যে, সম্ভাব্য ফেকআউট কোথায় দেখা দিতে পারে। সম্ভাব্য ফেকআউট ট্রেন্ডলাইন, চার্ট প্যাটার্ন অথবা পূর্ববর্তী হাই/লোতে দেখা যেতে পারে।
ট্রেন্ডলাইন
ফলস ব্রেকআউটে, সবসময় মনে রাখবেন যে, প্রাইস এবং ট্রেন্ডলাইনের মধ্যে কিছু গ্যাপ থাকা প্রয়োজন।
প্রাইস আর ট্রেন্ডলাইনের মধ্যে গ্যাপ থাকলে, সেটা ইঙ্গিত করে যে প্রাইসের ট্রেন্ডের ডায়রেকশনের ঝোঁক বেশী আর ট্রেন্ডলাইনের থেকে দূরত্ব বাড়ছে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
প্রাইস আর ট্রেন্ডলাইনের মাঝে গ্যাপ থাকার কারনে, প্রাইস ট্রেন্ডলাইনের দিকে রিট্রেস করার জায়গা পাচ্ছে, আবার ব্রেকও করেছে যা পরবর্তীতে ফলস ব্রেকআউট ট্রেডিঙের সুযোগ করে দিয়েছে।
প্রাইস মুভমেন্টের গতিও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
প্রাইস যদি কষ্ট করে ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে তাহলে ফলস ব্রেকআউট হবার সম্ভাবনা থাকে। আর প্রাইস যদি মহিষের দৌড় দিয়ে ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে, তাহলে সফল ব্রেকআউট হবার সম্ভাবনা থাকে। এরকম সময়ে ফেকআউটের সুযোগ না ধরাই উত্তম।
কিভাবে এই ফলস ট্রেন্ডলাইন ব্রেক ট্রেড করা যায়?
সহজ! যখন প্রাইস আবার ট্রেন্ডলাইনের রেঞ্জে চলে আসবে তখন ট্রেডে এন্ট্রি করবো। এটা ট্রেডের একটা নিরাপদ উপায়। প্রথমে যে চার্ট দেখেছিলাম, সেটা আবার দেখিঃ
চার্ট প্যাটার্ন
চার্ট প্যাটার্ন টেকনিক্যাল অ্যানালিসিসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা আমাদের ডিসিশন মেকিং প্রসেসে সহায়তা করে। ২টা সচরাচর দেখা প্যাটার্ন যেগুলোতে ফলস ব্রেকআউট দেখা যায় তা হলঃ
- হেড এন্ড শোল্ডারস
- ডাবল টপ/বটম
হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্ন নতুন ট্রেডারদের জন্য চিনহিত করতে কষ্টকর হতে পারে। কিন্তু সময় এবং অভিজ্ঞতার সাথে সাথে এটা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা ট্যুলে পরিনত হতে পারে।
হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্ন একটা রিভার্সাল প্যাটার্ন হিসেবে আমরা চিনে থাকি। এই প্যাটার্নে ফলস ব্রেকআউট সচরাচর দেখা যায় কারন অনেক ট্রেডাররা স্টপ লস নেকলাইন ব্রেকের খুব কাছে দিয়ে থাকে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ
যখন প্যাটার্নটা ফলস ব্রেকআউটের শিকার হয়, প্রাইস সাধারনত রিবাউন্ড করতে দেখা যায়। যেসব ট্রেডাররা নিচের দিকের ব্রেকআউটে সেল অথবা উপরের দিকের ব্রেকআউটে বাই দিয়েছে, সাধারনত তাদের স্টপ লস হিট করে। এগুলো হল ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডারদের কাজ যারা অন্যান্য ট্রেডারদের লসকে কুড়িয়ে নেয়।
যদি এটা ধরে নেন যে উপরের হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্নটার প্রথম ব্রেকটা ফলস ব্রেক হবে তাহলে আপনি আপনার ট্রেড অর্ডার প্রথম নেকলাইন ব্রেকের হাইয়ের একটু উপরে দিতে পারেন অথবা ২য় শোল্ডারের একটু নিচে দিতে পারেন।
মনে ব্রেকআউট চিনহিতকরন লেসনে একটা উদাহরন দিয়েছিলাম? চাইলে সেটা আরেকবার দেখে আসতে পারেন।
ডাবল টপ/বটম
বলেনতো ডাবল টপ/বটম প্যাটার্ন ট্রেডারদের কাছে খুব পছন্দনীয় প্যাটার্ন কেন? কারন, এটা চিনহিত করা খুব সহজ।
যখন প্রাইস নেকলাইন ব্রেক করে, এটা সম্ভাব্য রিভার্সালের সংকেত দেয়। একারনে অনেক ট্রেডাররা তাদের এন্ট্রি অর্ডার নেকলাইন ব্রেকের কাছাকাছি দিয়ে থাকে।
এই প্যাটার্নের একটা সমস্যা হল গিয়ে যে প্রচুর পরিমানে ট্রেডাররা এই প্যাটার্ন সম্পর্কে জানে আর একই জায়গায় ট্রেডে এন্ট্রি করে। এটা ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডারদের সাধারন ট্রেডারদের কাছ থেকে টাকা হাতানোর সুযোগ করে দেয়।
হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্নের মত, যখন প্রাইস আবার বাউন্স করে তখন আপনার স্টপ ফেক ব্রেকআউট ক্যান্ডেলের নিচে দিতে পারেন। এখন বুঝতে পারছেন যে মার্কেট আপনাকে কত ধরনের প্যাচের মধ্যে ফেলতে পারে?
এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, কোন ধরনের মার্কেটে ফলস ব্রেকআউট ট্রেড করা যায়?
উত্তর হল যে, সবচেয়ে ভালো ফলাফল রেঞ্জিং মার্কেটে পাওয়া যায়। তাই বলে আপনি মার্কেট সেন্টিমেন্ট, মেজর নিউজ এভেন্ট, কমন সেন্স, এবং অন্যান্য ধরনের মার্কেট অ্যানালিসিস বাদ দিতে পারবেন না।
ফিনান্সিয়াল মার্কেট একটা রেঞ্জের মধ্যে প্রাইস উঠানামা করতে অনেক সময় ব্যায় করে এবং এই হাই ও লো থেকে সরে যাওয়ার খুব বেশী প্রচেষ্টা করে না।
সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স রেঞ্জের মধ্যে বায়ার এবং সেলাররা প্রাইস উঠানামা করায়। এই রেঞ্জবাউন্ড এনভায়রমেন্টে ফলস ব্রেকআউট ট্রেড অনেক লাভজনক হতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন, একসময় না একসময় রেঞ্জ ব্রেক করে এবং নতুন ট্রেন্ডের পথে পা বাড়ায়।
09 সংক্ষেপে ব্রেকআউট এবং ফেকআউট ট্রেডিং
সারাংশঃ ব্রেকআউট এবং ফেকআউট ট্রেডিং
ব্রেকআউট ট্রেডিং
ব্রেকআউট ট্রেডে, আমাদের লক্ষ্য থাকে যে সঠিক সময়ে সঠিক প্রাইসে মার্কেটে এন্টার করা এবং লাভ নেয়া যতক্ষণ ভলাটিলিটি না কমে।
ব্রেকআউট গুরুত্বপূর্ণ কারন আপনি যে কারেন্সি পেয়ারে ট্রেড করেন, তার ডিমান্ড/সাপ্লাই পরিবর্তনের সংকেত দেয়।
স্টক অথবা ফিউচার মার্কেটের মত, আমাদের ফরেক্স মার্কেটে ভলিউম দেখার কোন ব্যাবস্থা নেই। একারনে, আমাদের ভলাটিলিটির উপর নির্ভর করতে হয়।
ভলাটিলিট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রাইস কতটুকু ওঠানামা করেছে তার পরিমাপ করে। এই তথ্য আমাদের সম্ভাব্য ব্রেকআউট বের করতে সহায়তা করে।
কিছু ইনডিকেটর যে আমাদের বর্তমান ভলাটিলিট ধরতে সহায়তা করেঃ
- মুভিং এভারেজ
- মুভিং এভারেজ কনভারজেন্স/ডাইভারজেন্স (ম্যাকডি)
- বোলিঙ্গার ব্যান্ডস
- এভারেজ ট্রু রেঞ্জ (এটিআর)
ব্রেকআউট ২ ধরনেরঃ
- ধারাবাহিক (Continuation) ব্রেকআউট
- রিভার্সাল ব্রেকআউট
ব্রেকআউট চিনহিত করার কিছু ট্যুলঃ
- চার্ট প্যাটার্ন
- ট্রেন্ডলাইন
- চ্যানেল
- ট্রায়েঙ্গেল
ব্রেকআউট কতটা শক্তিশালী তার সম্পর্কে ধারনা নিতে এগুলো ব্যাবহার করা যেতে পারেঃ
- মুভিং এভারেজ কনভারজেন্স/ডাইভারজেন্স (ম্যাকডি)
- রিলেটিভ স্ট্রেনথ ইনডেক্স (আরএসআই)
শেষমেশ, ব্রেকআউট ইকনোমিক ইভেন্ট অথবা নিউজ টাইমে ভালো কাজ করে। তাই যখন চার্ট ওপেন করবেন, সবসময় ইকনোমিক ক্যালেন্ডারে একবার চোখ বুলাবেন।
ফেকআউট ট্রেডিং
ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডাররা ফেকআউট ট্রেডিং করতে পছন্দ করে। আমারাও এভাবে একবার ট্রেড করার চেষ্টা করে দেখতে পারি। যদি আমরা ওইসব ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডারদের ট্রেড করতে পারি, তাহলে কি ধরনের প্রফিট পেতে পারি।
ফেকআউট ট্রেডিং হচ্ছে যে ব্রেকআউটের বিপরীতে ট্রেড করা। ফেকআউট ট্রেডিং তখন করা হয় যখন আপনি মনে করেন যে যেই ডায়রেকশনে সাপোর্ট/রেজিস্টান্স ব্রেক করেছে, প্রাইস পরবর্তীতে সেই ডায়রেকশনে যেতে ব্যার্থ হবে। এসব ক্ষেত্রে ব্রেকআউটের আশায় না বসে থেকে ফেকআউট ট্রেড লাভজনক প্রমানিত হতে পারে।
সম্ভাব্য ফেকআউট সাধারনত সাপোর্ট/রেজিস্টান্স লেভেলের দিকে দেখা যায়। যেগুলো ট্রেন্ডলাইন, চার্ট প্যাটার্ন, অথবা পূর্ববর্তী দৈনিক হাই/লো থেকে তৈরি হয়।
রেঞ্জবাউন্ড মার্কেটে ফেকআউট ট্রেডিঙের সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। তাইবলে আপনি মার্কেট সেন্টিমেন্ট, কমনসেন্স, অন্যান্য ধরনের অ্যানালিসিস বাদ দিতে পারবেন না।
ফিনান্সিয়াল মার্কেট একটা রেঞ্জের মধ্যে প্রাইস উঠানামা করতে অনেক সময় ব্যায় করে এবং এই হাই ও লো থেকে সরে যাওয়ার খুব বেশী প্রচেষ্টা করে না।
সবশেষে, যখন মার্কেটে কোন নিউজ অথবা অর্থনৈতিক ইভেন্ট থাকেনা যেগুলো ট্রেডারদের সেন্টিমেন্টে পরিবর্তন আনতে পারে, ফেকআউট ট্রেডে লাভের সম্ভাবনা তখন বেড়ে যায়।
ব্রেকআউট ট্রেডিং
ব্রেকআউট ট্রেডে, আমাদের লক্ষ্য থাকে যে সঠিক সময়ে সঠিক প্রাইসে মার্কেটে এন্টার করা এবং লাভ নেয়া যতক্ষণ ভলাটিলিটি না কমে।
ব্রেকআউট গুরুত্বপূর্ণ কারন আপনি যে কারেন্সি পেয়ারে ট্রেড করেন, তার ডিমান্ড/সাপ্লাই পরিবর্তনের সংকেত দেয়।
স্টক অথবা ফিউচার মার্কেটের মত, আমাদের ফরেক্স মার্কেটে ভলিউম দেখার কোন ব্যাবস্থা নেই। একারনে, আমাদের ভলাটিলিটির উপর নির্ভর করতে হয়।
ভলাটিলিট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রাইস কতটুকু ওঠানামা করেছে তার পরিমাপ করে। এই তথ্য আমাদের সম্ভাব্য ব্রেকআউট বের করতে সহায়তা করে।
কিছু ইনডিকেটর যে আমাদের বর্তমান ভলাটিলিট ধরতে সহায়তা করেঃ
- মুভিং এভারেজ
- মুভিং এভারেজ কনভারজেন্স/ডাইভারজেন্স (ম্যাকডি)
- বোলিঙ্গার ব্যান্ডস
- এভারেজ ট্রু রেঞ্জ (এটিআর)
ব্রেকআউট ২ ধরনেরঃ
- ধারাবাহিক (Continuation) ব্রেকআউট
- রিভার্সাল ব্রেকআউট
ব্রেকআউট চিনহিত করার কিছু ট্যুলঃ
- চার্ট প্যাটার্ন
- ট্রেন্ডলাইন
- চ্যানেল
- ট্রায়েঙ্গেল
ব্রেকআউট কতটা শক্তিশালী তার সম্পর্কে ধারনা নিতে এগুলো ব্যাবহার করা যেতে পারেঃ
- মুভিং এভারেজ কনভারজেন্স/ডাইভারজেন্স (ম্যাকডি)
- রিলেটিভ স্ট্রেনথ ইনডেক্স (আরএসআই)
শেষমেশ, ব্রেকআউট ইকনোমিক ইভেন্ট অথবা নিউজ টাইমে ভালো কাজ করে। তাই যখন চার্ট ওপেন করবেন, সবসময় ইকনোমিক ক্যালেন্ডারে একবার চোখ বুলাবেন।
ফেকআউট ট্রেডিং
ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডাররা ফেকআউট ট্রেডিং করতে পছন্দ করে। আমারাও এভাবে একবার ট্রেড করার চেষ্টা করে দেখতে পারি। যদি আমরা ওইসব ইন্সটিটিউশনাল ট্রেডারদের ট্রেড করতে পারি, তাহলে কি ধরনের প্রফিট পেতে পারি।
ফেকআউট ট্রেডিং হচ্ছে যে ব্রেকআউটের বিপরীতে ট্রেড করা। ফেকআউট ট্রেডিং তখন করা হয় যখন আপনি মনে করেন যে যেই ডায়রেকশনে সাপোর্ট/রেজিস্টান্স ব্রেক করেছে, প্রাইস পরবর্তীতে সেই ডায়রেকশনে যেতে ব্যার্থ হবে। এসব ক্ষেত্রে ব্রেকআউটের আশায় না বসে থেকে ফেকআউট ট্রেড লাভজনক প্রমানিত হতে পারে।
সম্ভাব্য ফেকআউট সাধারনত সাপোর্ট/রেজিস্টান্স লেভেলের দিকে দেখা যায়। যেগুলো ট্রেন্ডলাইন, চার্ট প্যাটার্ন, অথবা পূর্ববর্তী দৈনিক হাই/লো থেকে তৈরি হয়।
রেঞ্জবাউন্ড মার্কেটে ফেকআউট ট্রেডিঙের সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। তাইবলে আপনি মার্কেট সেন্টিমেন্ট, কমনসেন্স, অন্যান্য ধরনের অ্যানালিসিস বাদ দিতে পারবেন না।
ফিনান্সিয়াল মার্কেট একটা রেঞ্জের মধ্যে প্রাইস উঠানামা করতে অনেক সময় ব্যায় করে এবং এই হাই ও লো থেকে সরে যাওয়ার খুব বেশী প্রচেষ্টা করে না।
সবশেষে, যখন মার্কেটে কোন নিউজ অথবা অর্থনৈতিক ইভেন্ট থাকেনা যেগুলো ট্রেডারদের সেন্টিমেন্টে পরিবর্তন আনতে পারে, ফেকআউট ট্রেডে লাভের সম্ভাবনা তখন বেড়ে যায়।
06 রিভার্সাল থেকে সাবধান
রিভার্সাল থেকে সাবধান
আগেও বলা হয়েছে যে আপনার মূলধনের সুরক্ষা হল আপনার প্রথম উদ্দেশ্য। টাকা আছে ট্রেড করতে পারছেন, টাকা নেই ডেমো আর ভালো লাগে না। লাভ কম হোক ঠিক আছে, লস যেন এত বেশী না হয় যা সামলাতে পারবো না।
রিট্রেসমেন্ট যেকোন সময় কোন প্রকার সংকেত না দিয়েই রিভার্সালে পরিনত হতে পারে। সেজন্য সবসময় প্রস্তুও থাকবেন যেন যে পরিস্থিতিই আসুক না কেন, তা যেন সামলাতে পারেন।
তাই সবসময় স্টপ লস এবং ট্রেইলিং স্টপ ব্যাবহারের অভ্যাস করুন। এটা আপনাকে কোন না কোন দিন বাঁচাবে।
আরও মনে রাখবেন যে রিট্রেসমেন্ট আর রিভার্সাল চিনহিত করার অনেক উপায় আছে। তাই যেটা আপনার জন্য উপযোগী সেটা ব্যাবহার করুন।
আর একটা কথা মনে রাখবেন যে মার্কেটে কি হবে, সেই সম্পর্কে আপনি সবসময় সঠিক হতে পারবেন না। যখন ভুল হবেন, সেটা গ্রহন করতে শিখুন।
আগেও বলা হয়েছে যে আপনার মূলধনের সুরক্ষা হল আপনার প্রথম উদ্দেশ্য। টাকা আছে ট্রেড করতে পারছেন, টাকা নেই ডেমো আর ভালো লাগে না। লাভ কম হোক ঠিক আছে, লস যেন এত বেশী না হয় যা সামলাতে পারবো না।
রিট্রেসমেন্ট যেকোন সময় কোন প্রকার সংকেত না দিয়েই রিভার্সালে পরিনত হতে পারে। সেজন্য সবসময় প্রস্তুও থাকবেন যেন যে পরিস্থিতিই আসুক না কেন, তা যেন সামলাতে পারেন।
তাই সবসময় স্টপ লস এবং ট্রেইলিং স্টপ ব্যাবহারের অভ্যাস করুন। এটা আপনাকে কোন না কোন দিন বাঁচাবে।
আরও মনে রাখবেন যে রিট্রেসমেন্ট আর রিভার্সাল চিনহিত করার অনেক উপায় আছে। তাই যেটা আপনার জন্য উপযোগী সেটা ব্যাবহার করুন।
আর একটা কথা মনে রাখবেন যে মার্কেটে কি হবে, সেই সম্পর্কে আপনি সবসময় সঠিক হতে পারবেন না। যখন ভুল হবেন, সেটা গ্রহন করতে শিখুন।
























No comments:
Post a Comment