01 ফিবোনাচ্চি কে?
ফিবোনাচ্চি পরিচিতি
লিওনার্দো ফিবোনাচ্চি একজন বিখ্যাত ইটালিয়ান গনিতবিদ ছিলেন। তিনি কিছু সংখ্যা নিয়ে গবেষনা করেছিলেন যা প্রাকৃতিক অনুপাত অনুসরন করে। সেগুলো এই রকম ছিল ১,১,২,৩,৫,৮,১৩,২১,৩৪,৫৫,৮৯,১৪৪ এবং চলতে থাকবে। এই সংখ্যাগুলো দিয়ে কি বুঝায়।
আপনি ১+১ = ২ পান। আবার ২+১ ৩ পান। সেই ভাবে ৩+২ = ৫ পান। একইভাবে পিছনের ২টা সংখ্যা যোগ করে আপনি পরের সংখ্যাটি পাবেন।
কিছু সংখ্যা গননা করার পর যদি আপনি একটা সংখ্যাকে তার পরবর্তী সংখ্যা দ্বারা ভাগ দেন তাহলে আপনি ০.৬১৮ পাবেন। যেমন ৩৪/৫৫= ০.৬১৮ হবে। আবার আপনি যদি পরের পরের সংখ্যা দ্বারা ভাগ দেন তাহলে আপনি ০.৩৮২ পাবেন। যেমন ৩৪/৮৯= ০.৩৮২।
এই রেশিওগুলোকে “গোল্ডেন মিন” বলা হয়ে থাকে। যদিও ফিবোর কয়েকটা অ্যাপলিকেশন আছে আমরা মূলত ফিবো রিট্রেসমেন্ট ও এক্সটেনশন নিয়ে কাজ করব। যেই ফিবো রিট্রেসমেন্ট লেভেলগুলোর দিকে আপনাদের লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল
০.২৩৬, ০.৩৮২, ০.৫০০, ০.৬১৮, ০.৭৬৪
ফিবো এক্সটেনশন লেভেলগুলো হল
০, ০.৩৮২, ০.৬১৮, ১, ১.৩৮২, ১.৬১৮
ফিবো রিট্রেসমেন্ট লেভেলগুলো সাপোর্ট ও রেজিস্টেন্স হিসেবে ব্যাবহৃত হয়ে থাকে আর ফিবো এক্সটেনশন প্রফিট লেভেল নির্ধারনেব জন্য ব্যাবহৃত হয়ে থাকে। যেহেতু প্রচুর সংখ্যক ট্রেডাররা এগুলো এন্ট্রি ও এক্সিটের জন্য ব্যাবহার করে থাকে তাই এটা স্বপূরক হিসেবে কাজ করে।
ভয় পাবার কিছু নেই। আমদের এতকিছু গননা করতে হবে না। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে ফিবো ট্যুলগুলো দেয়া থাকে। আর আপনাকে শুধু সুইং হাই ও সুইং লো বের করে ফিবো ড্র করতে হবে।
সুইং হাই ক্যান্ডেলস্টিক হল সেটা যার আগে ও পেছনের ক্যান্ডেলের চেয়ে হাই উপরে থাকে। আর সুইং লো হল সেটা যার আগে ও পেছনের ক্যান্ডেলের চেয়ে লো নিচে থাকে। না বুঝতে পারলে পরবর্তীতে ফিবো ব্যাবহারের সময় বুঝবেন।
লিওনার্দো ফিবোনাচ্চি একজন বিখ্যাত ইটালিয়ান গনিতবিদ ছিলেন। তিনি কিছু সংখ্যা নিয়ে গবেষনা করেছিলেন যা প্রাকৃতিক অনুপাত অনুসরন করে। সেগুলো এই রকম ছিল ১,১,২,৩,৫,৮,১৩,২১,৩৪,৫৫,৮৯,১৪৪ এবং চলতে থাকবে। এই সংখ্যাগুলো দিয়ে কি বুঝায়।
আপনি ১+১ = ২ পান। আবার ২+১ ৩ পান। সেই ভাবে ৩+২ = ৫ পান। একইভাবে পিছনের ২টা সংখ্যা যোগ করে আপনি পরের সংখ্যাটি পাবেন।
কিছু সংখ্যা গননা করার পর যদি আপনি একটা সংখ্যাকে তার পরবর্তী সংখ্যা দ্বারা ভাগ দেন তাহলে আপনি ০.৬১৮ পাবেন। যেমন ৩৪/৫৫= ০.৬১৮ হবে। আবার আপনি যদি পরের পরের সংখ্যা দ্বারা ভাগ দেন তাহলে আপনি ০.৩৮২ পাবেন। যেমন ৩৪/৮৯= ০.৩৮২।
এই রেশিওগুলোকে “গোল্ডেন মিন” বলা হয়ে থাকে। যদিও ফিবোর কয়েকটা অ্যাপলিকেশন আছে আমরা মূলত ফিবো রিট্রেসমেন্ট ও এক্সটেনশন নিয়ে কাজ করব। যেই ফিবো রিট্রেসমেন্ট লেভেলগুলোর দিকে আপনাদের লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল
০.২৩৬, ০.৩৮২, ০.৫০০, ০.৬১৮, ০.৭৬৪
ফিবো এক্সটেনশন লেভেলগুলো হল
০, ০.৩৮২, ০.৬১৮, ১, ১.৩৮২, ১.৬১৮
ফিবো রিট্রেসমেন্ট লেভেলগুলো সাপোর্ট ও রেজিস্টেন্স হিসেবে ব্যাবহৃত হয়ে থাকে আর ফিবো এক্সটেনশন প্রফিট লেভেল নির্ধারনেব জন্য ব্যাবহৃত হয়ে থাকে। যেহেতু প্রচুর সংখ্যক ট্রেডাররা এগুলো এন্ট্রি ও এক্সিটের জন্য ব্যাবহার করে থাকে তাই এটা স্বপূরক হিসেবে কাজ করে।
ভয় পাবার কিছু নেই। আমদের এতকিছু গননা করতে হবে না। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে ফিবো ট্যুলগুলো দেয়া থাকে। আর আপনাকে শুধু সুইং হাই ও সুইং লো বের করে ফিবো ড্র করতে হবে।
সুইং হাই ক্যান্ডেলস্টিক হল সেটা যার আগে ও পেছনের ক্যান্ডেলের চেয়ে হাই উপরে থাকে। আর সুইং লো হল সেটা যার আগে ও পেছনের ক্যান্ডেলের চেয়ে লো নিচে থাকে। না বুঝতে পারলে পরবর্তীতে ফিবো ব্যাবহারের সময় বুঝবেন।
02 ফিবোনাচ্চি রিট্রেসমেন্ট
ফিবোনাচ্চি রিট্রেসমেন্ট
ফিবোনাচ্চি ট্রেন্ডিং মার্কেটে সবচেয়ে ভাল কাজ করে থাকে। ট্রেডের কারন হল আপট্রেন্ডে যখন প্রইস রিট্রেস করবে তখন বাই করা। আর ডাউনট্রেন্ডে রিট্রেসমেন্টের সময় সেল করা।
কিভাবে ফিবো রিট্রেসমেন্ট ড্র করবেন?
বাই ট্রেডের জন্য: সুইং লো থেকে সুইং হাই পর্যন্ত ফিবো টেনে নিন।
সেল ট্রেডের জন্য: সুইং হাই থেকে সুইং লো পর্যন্ত ফিবো টেনে নিন।
আপট্রেন্ডে ফিবো রিট্রেসমেন্ট
নিম্নের চার্টটি দেখুন। আমাদের প্রথম কাজ হল চার্টে বাই অথবা সেল সেটআপ নির্ধারন করা। চার্টে আমরা আপট্রেন্ড নির্ধারন করলাম, তাই আমরা বাই করার সিদ্ধান্ত নিলাম। এখন সুইং লো থেকে সুইং হাই পর্যন্ত ফিবো টানি।
আমাদের উদ্দেশ্য হল রিট্রেসমেন্ট পয়েন্ট থেকে বাই করা। আমরা যে পয়েন্টে বাই করার চিন্তা করব তা হল ২৩.৬, ৩৮.২ এবং ৫০ ফিবো লেভেলে। চলুন দেখি পরবর্তীতে কি হয়।
প্রাইস কয়েকবার ৫০% ফিবো লেভেল ব্রেক করে নিচে নামতে ব্যার্থ হল। তাহলে ৫০% ফিবো লেভেল স্ট্রং সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে। তাহলে এটা কি এন্ট্রির জন্য ভাল পয়েন্ট?
ডাউনট্রেন্ডে ফিবো রিট্রেসমেন্ট
এখন আমরা ডাউনট্রেন্ড দেখতে পাচ্ছি। তাহলে এখন আমরা সেল সেটআপ খুজব। আমরা ফিবো রিট্রেসমেন্টে সেল ট্রেডে এন্ট্রি করবো। সুইং হাই থেকে সুইং লো পর্যন্ত ফিবো রিট্রেসমেন্ট টানি।
আমরা ফিবো রিট্রেসমেন্টে প্রাইস কোন পর্যায়ে যেতে পারে সেই লেভেলগুলো দেখতে পাচ্ছি। চলুন পরে কি হয় দেখি।
চার্টে দেখতে পাচ্ছেন যে ৩৮.২% এবং ৫০% ফিবো লেভেল ভাল এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে।
উপরের উদাহরন ২টি তে আমরা দেখতে পেয়েছি যে, ফিবো লেভেলগুলো খুব ভালো সাপোর্ট ও রেজিস্টেন্স হিসেবে কাজ করেছে। যেহেতু অনেক ট্রেডাররা এই লেভেলগুলোর দিকে নজর রাখে, সেহেতু এগুলো স্বপূরক হিসেবে কাজ করে।
একটা জিনিস মনে রাখবেন যে, প্রাইস সবসময় ওইসব লাইন থেকে ফেরৎ আসবে না। ফিবো অনেক সময় ব্যর্থ হবে। এর কারন হল মার্কেট সবসময় ট্রেন্ডিং অবস্থায় থাকে না।
টিপঃ ফিবো লেভেলে প্রাইস দেখতে চাইলে, ফিবোর প্রপার্টিজে গিয়ে ডেসক্রিপশনের xx এর পাশে (%$) টাইপ করে Ok
ফিবোনাচ্চি ট্রেন্ডিং মার্কেটে সবচেয়ে ভাল কাজ করে থাকে। ট্রেডের কারন হল আপট্রেন্ডে যখন প্রইস রিট্রেস করবে তখন বাই করা। আর ডাউনট্রেন্ডে রিট্রেসমেন্টের সময় সেল করা।
কিভাবে ফিবো রিট্রেসমেন্ট ড্র করবেন?
বাই ট্রেডের জন্য: সুইং লো থেকে সুইং হাই পর্যন্ত ফিবো টেনে নিন।
সেল ট্রেডের জন্য: সুইং হাই থেকে সুইং লো পর্যন্ত ফিবো টেনে নিন।
আপট্রেন্ডে ফিবো রিট্রেসমেন্ট
নিম্নের চার্টটি দেখুন। আমাদের প্রথম কাজ হল চার্টে বাই অথবা সেল সেটআপ নির্ধারন করা। চার্টে আমরা আপট্রেন্ড নির্ধারন করলাম, তাই আমরা বাই করার সিদ্ধান্ত নিলাম। এখন সুইং লো থেকে সুইং হাই পর্যন্ত ফিবো টানি।
আমাদের উদ্দেশ্য হল রিট্রেসমেন্ট পয়েন্ট থেকে বাই করা। আমরা যে পয়েন্টে বাই করার চিন্তা করব তা হল ২৩.৬, ৩৮.২ এবং ৫০ ফিবো লেভেলে। চলুন দেখি পরবর্তীতে কি হয়।
প্রাইস কয়েকবার ৫০% ফিবো লেভেল ব্রেক করে নিচে নামতে ব্যার্থ হল। তাহলে ৫০% ফিবো লেভেল স্ট্রং সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে। তাহলে এটা কি এন্ট্রির জন্য ভাল পয়েন্ট?
ডাউনট্রেন্ডে ফিবো রিট্রেসমেন্ট
এখন আমরা ডাউনট্রেন্ড দেখতে পাচ্ছি। তাহলে এখন আমরা সেল সেটআপ খুজব। আমরা ফিবো রিট্রেসমেন্টে সেল ট্রেডে এন্ট্রি করবো। সুইং হাই থেকে সুইং লো পর্যন্ত ফিবো রিট্রেসমেন্ট টানি।
আমরা ফিবো রিট্রেসমেন্টে প্রাইস কোন পর্যায়ে যেতে পারে সেই লেভেলগুলো দেখতে পাচ্ছি। চলুন পরে কি হয় দেখি।
চার্টে দেখতে পাচ্ছেন যে ৩৮.২% এবং ৫০% ফিবো লেভেল ভাল এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে।
উপরের উদাহরন ২টি তে আমরা দেখতে পেয়েছি যে, ফিবো লেভেলগুলো খুব ভালো সাপোর্ট ও রেজিস্টেন্স হিসেবে কাজ করেছে। যেহেতু অনেক ট্রেডাররা এই লেভেলগুলোর দিকে নজর রাখে, সেহেতু এগুলো স্বপূরক হিসেবে কাজ করে।
একটা জিনিস মনে রাখবেন যে, প্রাইস সবসময় ওইসব লাইন থেকে ফেরৎ আসবে না। ফিবো অনেক সময় ব্যর্থ হবে। এর কারন হল মার্কেট সবসময় ট্রেন্ডিং অবস্থায় থাকে না।
টিপঃ ফিবো লেভেলে প্রাইস দেখতে চাইলে, ফিবোর প্রপার্টিজে গিয়ে ডেসক্রিপশনের xx এর পাশে (%$) টাইপ করে Ok
03 ফিবোনাচ্চির ব্যার্থতা
ফিবোনাচ্চির ব্যার্থতা
আমরা আগে দেখেছি যে সাপোর্ট ও রেজিস্টেন্স যতই শক্তিশালী হোক না কেন, একসময় না একসময় তা ব্রেক করে। তা আবার ফিবোর ক্ষেএেও সত্য।
আমরা আগে বলেছিলাম যে ট্রেন্ডিং মার্কেটে ফিবো সবচেয়ে ভাল কাজ করে। আমরা রিট্রেসমেন্টের সময় ট্রেডে এন্টার করে থাকি। কিন্তু যখন রিভার্সাল হয়, তখন আর ফিবো কাজ করে না। ফিবোর আরেকটা সমস্যা হল যে সুইং হাই ও সুইং লো নির্নয় করা। কারন সবাই একই টাইম ফ্রেম ব্যাবহার করে না তাই মার্কেটে ভিন্ন মত দেখা যায়।
এই চার্টটি আগেও দেখেছি। দেখতে পাচ্ছি যে মার্কেট আপট্রেন্ডে আছে আর আমরা রিট্রেসমেন্ট লেভেলে বাই করব। পরবর্তীতে দেখি কি হয়!
৫০% ফিবো লেভেল আপনাকে ভাল একটি এন্ট্রি পয়েন্টের সংকেত দিচ্ছে। তাই আপনি ৫০% ফিবো লেভেল থেকে বাই করার চিন্তা করতে পারেন। পরবর্তীতে দেখলেন যে প্রাইস রিভার্স করেছে।
এ দিয়ে আমরা কি শিখতে পারলাম?
ফিবো লেভেল অন্যান্য টেকনিক্যাল টুলের মত সার্থকতার উচ্চ সম্ভাবনা প্রদান করে, কিন্তু ফিবো সময়তে ব্যার্থও হয়। আপনি এটা বলতে পারবেন না যে কখন প্রাইস রিভার্স করবে। আপনি আগেও দেখেছেন যে, কোন সময় প্রাইস ৩৮.২% ফিবো লেভেল থেকে ব্যাক করেছে আবার ৫০% লেভেলে থেকেও ব্যাক করেছে। এখন আবার দেখলেন যে প্রাইস সবগুলো ফিবো লেভেল ভেঙ্গে রিভার্স করেছে।
বিভিন্ন ট্রেডাররা বিভিন্নভাবে চার্ট অ্যানালাইজ করে। আবার ভিন্ন টাইমফ্রেম ব্যাবহার করে থাকে। আবার ট্রেডারদের মার্কেটের প্রতি নিজস্ব বায়াসনেস অথবা পক্ষপাত ও আছে।
অবশেষে, আমরা ভবিষ্যৎ দেখেতে পারি না। তাই আমরা যা করতে পারি তা হল বিভিন্নভাবে মার্কেট অ্যানালিসিস করে সার্থকতার হার বাড়াতে পারি। আর আমরা তা ফিবোনাচ্চি ক্ষেএেও করতে পারি।
আমরা আগে দেখেছি যে সাপোর্ট ও রেজিস্টেন্স যতই শক্তিশালী হোক না কেন, একসময় না একসময় তা ব্রেক করে। তা আবার ফিবোর ক্ষেএেও সত্য।
আমরা আগে বলেছিলাম যে ট্রেন্ডিং মার্কেটে ফিবো সবচেয়ে ভাল কাজ করে। আমরা রিট্রেসমেন্টের সময় ট্রেডে এন্টার করে থাকি। কিন্তু যখন রিভার্সাল হয়, তখন আর ফিবো কাজ করে না। ফিবোর আরেকটা সমস্যা হল যে সুইং হাই ও সুইং লো নির্নয় করা। কারন সবাই একই টাইম ফ্রেম ব্যাবহার করে না তাই মার্কেটে ভিন্ন মত দেখা যায়।
এই চার্টটি আগেও দেখেছি। দেখতে পাচ্ছি যে মার্কেট আপট্রেন্ডে আছে আর আমরা রিট্রেসমেন্ট লেভেলে বাই করব। পরবর্তীতে দেখি কি হয়!
৫০% ফিবো লেভেল আপনাকে ভাল একটি এন্ট্রি পয়েন্টের সংকেত দিচ্ছে। তাই আপনি ৫০% ফিবো লেভেল থেকে বাই করার চিন্তা করতে পারেন। পরবর্তীতে দেখলেন যে প্রাইস রিভার্স করেছে।
এ দিয়ে আমরা কি শিখতে পারলাম?
ফিবো লেভেল অন্যান্য টেকনিক্যাল টুলের মত সার্থকতার উচ্চ সম্ভাবনা প্রদান করে, কিন্তু ফিবো সময়তে ব্যার্থও হয়। আপনি এটা বলতে পারবেন না যে কখন প্রাইস রিভার্স করবে। আপনি আগেও দেখেছেন যে, কোন সময় প্রাইস ৩৮.২% ফিবো লেভেল থেকে ব্যাক করেছে আবার ৫০% লেভেলে থেকেও ব্যাক করেছে। এখন আবার দেখলেন যে প্রাইস সবগুলো ফিবো লেভেল ভেঙ্গে রিভার্স করেছে।
বিভিন্ন ট্রেডাররা বিভিন্নভাবে চার্ট অ্যানালাইজ করে। আবার ভিন্ন টাইমফ্রেম ব্যাবহার করে থাকে। আবার ট্রেডারদের মার্কেটের প্রতি নিজস্ব বায়াসনেস অথবা পক্ষপাত ও আছে।
অবশেষে, আমরা ভবিষ্যৎ দেখেতে পারি না। তাই আমরা যা করতে পারি তা হল বিভিন্নভাবে মার্কেট অ্যানালিসিস করে সার্থকতার হার বাড়াতে পারি। আর আমরা তা ফিবোনাচ্চি ক্ষেএেও করতে পারি।




















No comments:
Post a Comment