Monday, September 18, 2017

12 - পিভট পয়েন্ট

01 - পিভট পয়েন্ট

পিভট পয়েন্ট কি?

বাই-সেল সিগন্যাল নির্ধারণ করার জন্য পিভট পয়েন্ট ফরেক্সে অনেক জনপ্রিয় একটি মেথড। রিভার্সাল পয়েন্ট (যেখানে গিয়ে প্রাইস বিপরীত দিকে ফিরে আসে) চিহ্নিত করার জন্য ট্রেডাররা পিভট পয়েন্ট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে।
পিভট পয়েন্টে চার্টটিকে কয়েকটি সেকশনে ভাগ করা হয়। মাঝের পয়েন্টটি হল পিভট পয়েন্ট (PP)। পিভট পয়েন্টের ওপরে প্রাইস থাকলে মার্কেট বুল্লিশ (মার্কেটের গতিবিধি ঊর্ধ্বমুখী) এবং পিভট পয়েন্টের নিচে প্রাইস থাকলে মার্কেট বিয়ারিশ (মার্কেটের গতিবিধি নিম্নমুখী)। R1, R2 এবং R3 হল রেসিসট্যান্স লেভেল এবং পিভট পয়েন্টের (PP) অপরে থাকে। S1, S2 এবং S3 হল সাপোর্ট লেভেল এবং পিভট পয়েন্টের (PP) নিচে থাকে।

এখানে,
  • PP = Pivot point (পিভট পয়েন্ট)
  • S = Support (সাপোর্ট)
  • R = Resistance (রেসিসট্যান্স)

কিভাবে পিভট পয়েন্ট হিসাব করা হয়ঃ

পিভট পয়েন্টের ক্ষেত্রেঃ
  • High = গতকাল প্রাইস সর্বোচ্চ যে প্রাইসে গিয়েছে
  • Low = গতকাল প্রাইস সর্বনিম্ন যে প্রাইসে গিয়েছে
  • Close = গতকাল মার্কেট যে প্রাইসে ক্লোজ হয়েছে
ক্যালকুলেশনঃ

R3 = High + 2 x (PP – Low)
R2 = PP + (High – Low) = PP + (R1 – S1)
R1 = (PP x 2) – Low
PP = (High + Low + Close) / 3
S1 = (PP x 2) – High
S2 = PP – (High – Low) = PP – (R1 – S1)
S3 = Low – 2 x (High – PP)
আপনি এখন কষ্ট করে High, low এবং close বের করে পিভট পয়েন্ট বের করতে পারেন। অথবা পিভট পয়েন্ট ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে High, low এবং close সহজেই ডাটাগুলো বের করে নিতে পারেন। এছাড়া কিছু পিভট ইন্ডিকেটর রয়েছে, যেগুলো আপনার চার্টেই পিভট পয়েন্ট দেখিয়ে দেবে। এজন্য ইন্ডিকেটর বিভাগটি দেখুন।

কিভাবে পিভট পয়েন্ট ব্যবহার করে ট্রেড করবেনঃ

ব্রেকআউট ট্রেডিং
ব্রেকআউট হলে আপনি যেভাবে ট্রেড করেন, এখানেও তা ঠিক সেভাবেই কাজ করবে। প্রাইস যদি পিভট লাইনকে ক্রস করে এবং সেদিকে ক্লোজ হয়, তবে সাধারনত প্রাইস সেদিকেই যেতে থাকে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ

সবুজ জায়গাটি বোঝাচ্ছে যে প্রাইস প্রথমে পিভট পয়েন্টের নিচে ছিল এবং সবুজ জায়গা থেকে পিভট লাইন অতিক্রম করে ওপরের দিকে উঠেছে।
যখন পিভট লাইন ভেঙ্গে যায়, তার মানে হল যে প্রাইস এখন সেদিকে যেতে শুরু করবে। ব্রেকআউট ট্রেড করার উপায় হল, ব্রেক হবার পরেই সেই দিকে ট্রেড ওপেন করা। আপনি যখন ট্রেড ওপেন করবেন, তখন আপনি ব্রোকেন লাইনের ঠিক বিপরীতে স্টপ লস সেট করবেন এবং টেক প্রফিট হবে পরবর্তী লাইন।

ওপরের চার্টটি দেখুন। ট্রেড ওপেন করা হয়েছিল ২.০৫৫০ (সবুজ লাইন) প্রাইসে। স্টপ লস সেট করতে হবে ১.০৫৩৫ এ পিভট পয়েন্টের (লাল লাইন) নিচে। আপনার টেক প্রফিট হবে ১.০৫৯৪ এর R1 এর আশেপাশে।
এই ট্রেডটি মাত্র ৪০ পিপসের ছিল। খুব বেশী উত্তেজিত হবার কোন কারন নেই। কারন এগুলো সবসময় কাজ করে না। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের অন্য কোন কিছুর সাথে আপনি এটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি আরেকটু নিশ্চিত হতে পারনে যে আপনি ভুল ট্রেড করতে যাচ্ছেন না।
রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং
রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং হল যখন প্রাইস ২টি পিভট পয়েন্টের মধ্যে আঁটকে থাকে, অর্থাৎ ২টি লাইনের মধ্যেই বারবার ঘুরতে থাকে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ

যতবার প্রাইস পিভট পয়েন্টকে হিট করে, কিন্তু ব্রেক না করে ফিরে যায়, পিভট পয়েন্ট তত শক্তিশালী হয়। যদি প্রাইস দিনে কোন পিভট পয়েন্টকে ৫ বার হিট করে, কিন্তু ব্রেক না করে, তবে বুঝতে হবে পিভট পয়েন্টটি অনেক শক্তিশালী। কিন্তু প্রাইস যদি পিভট পয়েন্টকে ১ বার হিত করে, তবে রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং ট্রেডিং করার জন্য আপনি আরও ১ বার ঐ পিভট পয়েন্ট হিট করার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।
আপনি যদি কোন চার্ট দেখতে থাকেন এবং দেখেন যে প্রাইস কমপক্ষে ২ বার পিভট পয়েন্টকে হিট করেছে কিন্তু ব্রেক না করে বিপরীত দিকে ফিরে গেছে, তাহলে আপনি রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং করার কথা ভাবতে পারেন।

 


পিভট পয়েন্ট

প্রফেশনাল ট্রেডাররা এবং মার্কেট মেকাররা সম্ভাব্য সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স পাওয়ার জন্য পিভট পয়েন্ট ব্যাবহার করে থাকে। সহজ কথায় পিভট পয়েন্ট এবং এর সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স লেভেলগুলোতে প্রাইস মুভমেন্টের পরিবর্তন ঘটতে পারে।

পিভট পয়েন্ট অনেকটা ফিবনাস্যির মত। অনেক ট্রেডাররা এটা ব্যাবহার করে আর সেই লেভেলগুলো অনেকটা স্বপরিপূরক।ফিবনাস্যি এবং পিভট পয়েন্টের মধ্যে পার্থক্য হল যে পিভট পয়েন্ট চিন্তা নিরপেক্ষ আর ফিবনাস্যিতে হাই/লো নির্ণয়ে ভিন্নমত থাকে।



পিভট পয়েন্ট সর্টটার্ম ট্রেডারদের জন্য প্রয়োজনীয় ট্যুল। ট্রেডাররা শর্টটার্মের ট্রেডে এটা দিয়ে উপকৃত হতে পারে।

রেঞ্জবাউন্ড ট্রেডাররা পিভট পয়েন্ট ব্যাবহার করে রিভার্সাল চিনহিত করতে পারে। ব্রেকআউট ট্রেডাররা কোন লেভেল ব্রেক করা প্রয়োজন সেটা চিনতে পারে। পিভট পয়েন্টের একটা চার্ট


pivot points bangla

চার্টে দেখতে পারছেন যে সোজা লাইন যেগুলো সাপোর্ট/রেজিস্টান্স হিসেবে ব্যাবরিত হচ্ছে। কি ভালো না?

অটো পিভট এন্ড সাপোর্ট রেজিস্টান্স ইন্ডিকেটর

mt4 এর ডিফল্ট ইনডিকেটর এর বাইরে আমি কোন সিগনাল ইন্ডিকেটর পছন্দ করিনা।
এটি কোন সিগনাল দেয়না। জাষ্ট আপনাকে ডেইলি পিভট সাপোর্ট ১ ২ ৩ রেজিস্টান্স ১ ২ ৩ সহজে বের করতে সহায়তা করবে। যারা স্টপলস ছাড়া মার্টিংগেলি সিস্টেম ব্যবহার করেন। তারা এটা দেখে এন্ট্রি নিলে রিস্ক কিছুটা কমে যায়।
এটা খুবই সিম্পল ইন্ডিকেটর।
ইন্সটল করার পর আপনার টার্মিনালে সেটা এমনি দেখাবে
Pivot

02 - পিভট পয়েন্ট গননা


পিভট পয়েন্ট গননা

প্রথম যা শিখবো তা হোল পিভট পয়েন্ট গননা পদ্ধতি।

পিভট পয়েন্ট এবং এর সাথের সাপোর্ট/রেজিস্টান্স গননা করা হয় আগের পেরিয়োডের ওপেন, হাই, লো আর ক্লোজ দিয়ে। অনেক ট্রেডাররা নিউ ইয়র্ক ক্লোজের সময়কে দিনের শেষ হিসেবে নেয়।

পিভট পয়েন্ট গননা নিম্নে দেখানো হলঃ


পিভট পয়েন্ট (পিপি) = (হাই + লো + ক্লোজ) / ৩

সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স লেভেলগুলোর গননা নিন্মে দেখানো হলঃ

প্রথম লেভেলের সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স


রেজিস্ট্যান্স ১ (R1) = (২ x পিপি) – লো
সাপোর্ট ১ (S1) = (২ x পিপি) – হাই

২য় লেভেলের সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স


রেজিস্ট্যান্স (R2) = পিপি + (হাই – লো)
সাপোর্ট ২ (S2) = পিপি – (হাই – লো)

৩য় লেভেলের সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স


রেজিস্ট্যান্স ৩ (R3) = হাই + ২ (পিপি – লো)
সাপোর্ট ৩ (S3) = লো – ২ (হাই – পিপি)



কি সোজা না? যদি কঠিন মনে হয়ে থাকে, তাহলে পিভট পয়েন্ট ক্যালকুলেটর আছে সেটা ব্যাবহার করতে পারেন অথবা এক্সেলে একটা পিভট মডেল বানিয়ে নিতে পারেন। আপনার ইচ্ছা। 

03 - পিভট পয়েন্ট দিয়ে রেঞ্জ ট্রেডিং


পিভট পয়েন্ট দিয়ে রেঞ্জ ট্রেডিং

পিভট পয়েন্টের সবচেয়ে সহজ ব্যাবহার হল এটাকে সাধারন সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্সের মত ব্যাবহার করা। সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্সের মত এই লেভেলগুলো অনেকবার টেস্ট করে। প্রাইস যতবার এই লেভেলগুলো টাচ করে ফিরে আসে, ওই লেভেলটা তত শক্তিশালী হয়।


যদি একটা পিভট পয়েন্ট না ভাঙে, তাহলে সেটা আপনাকে ভালো ট্রেডের সুযোগ দেখাতে পারে। যদি প্রাইস উপরের রেজিস্ট্যান্স লেভেলের কাছে যায়, আপনি ওই পেয়ার সেল করতে পারেন আর স্টপ লস ওইসব লেভেলের উপরে ব্যাবহার করতে পারেন। একইভাবে প্রাইস যখন সাপোর্টের কাছে যায়, আপনি বাই দিয়ে স্টপ লস ওইসব লেভেলের নিচে দিতে পারেন।


একটা চার্ট দেখিঃ





উপরের চার্টে দেখছেন যেঃ

  • প্রাইস সাপোর্ট ২ ব্রেক করতে পারছে না।
  • প্রাইস পিপি ব্রেক করে রেজিস্ট্যান্স ১ এর কাছে গিয়েছে।
  • প্রাইস রেজিস্ট্যান্স ১ এর কাছে গিয়ে থেমে গেছে।



কনজারভেটিভ মাইন্ডে যদি এই ট্রেডটা ধরতেন তাহলেঃ

  • সাপোর্ট ২ এর কাছাকাছি বাই করতেন
  • স্টপ লস সাপোর্ট ৩ এর নিচে দিতেন
  • টেক প্রফিট পিপি আর রেজিস্ট্যান্সের মধ্যে দিতেন।

আর এগ্রেসিভ হলে কি করতেন? ...... নিজে চিন্তা করেন!


একটা কথা মনে রাখবেন, শুধুমাত্র পিভট পয়েন্টের উপর নির্ভর করবেন না। অন্যান্য মেথড এগুলোকে সাপোর্ট করার জন্য ব্যাবহার করুন। যেমনঃ অন্য সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স অথবা ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন ব্যাবহার করতে পারেন।


আর একটা কথা, ট্রেডের সুযোগ সাধারনত সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স ১ এর কাছাকাছি পাওয়া যায়। মাঝেমধ্যে প্রাইস সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স ২ টেস্ট করবে এবং খুব কম সাপোর্ট/রেজিস্টেন্স ৩ টেস্ট করবে।


শেষমেশ, এটাও মনে রাখবেন যে প্রাইস সবগুল লেভেল একবারে ভেঙ্গে আরও নিচে নামতে পারে। তখন কি করবেন? ট্রেড ধরে রাখবেন, নাকি ক্লোজ করবেন, নাকি এই পরা থেকে লাভ নিবেন?


পরের অধ্যায়ে দেখি কি হয় ......

04 - পিভট পয়েন্ট ও ব্রেকআউট


পিভট পয়েন্ট আর ব্রেকআউট

সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্সের মত পিভট পয়েন্টও ব্রেক করবে। পিভট পয়েন্ট দিয়ে রেঞ্জ ট্রেডিং করা যায়, কিন্তু সবসময় না। যখন ওই লেভেলগুলো ভাঙে তখন সেই সুযোগে লাভ বের করে নিন। আগে আমরা ২ ধরনের ব্রেকআউট ট্রেডিং নিয়ে আলোচনা করেছি। তা হল


এগ্রেসিভঃ যখন সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স লাইন ব্রেক করে, অর্ডার ওপেন করা। লস খাবার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

কনজারভেটিভঃ সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স টেস্ট করার জন্য অপেক্ষা করা। ট্রেড মিস করার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

চার্টে দেখি কি হয়ঃ





উপরের চার্টে প্রথমে সেল দিলে ধরা খেতেন। পরবর্তী ২ টা ট্রেডে লাভ হত।





উপরের চার্টে কনজারভেটিভ হয়ে অপেক্ষা করলে ভালো সুযোগ দেখা যাচ্ছে।


এখন ২ টা চার্টে ২ ধরনের ট্রেড করার সুবিধা ও অসুবিধা দেখা যাচ্ছে। এখন মনে মনে বলছেন, তাহলে কোনটা ভালো হবে? এটা নিজে নির্ধারণ করুন।




ব্রেকআউটে স্টপ লস ও টেক প্রফিট বসানো


স্টপ লসের জন্য এক লেভেল উপরে/নিচের এরিয়াটা একটা ভালো জায়গা। যেমনঃ কনজারভেটিভ চার্টে পিভট পয়েন্টে যদি ট্রেড দিতেন তাহলে রেজিস্ট্যান্স ১ এর উপরে স্টপ লসের একটা ভালো জায়গা হত।


এছাড়াও টেক প্রফিটের কথা ভুলবেন না। এটা আপনার উপর যে আপনি কীভাবে আপনার প্রফিট নিয়ন্ত্রন করেন।


শেষে বলতে চাই যে, অন্যান্য ট্যুল দিয়ে নিজের ট্রেড সিগন্যালকে আরও জোরদার করে নিন।

05 - পিভট পয়েন্ট দিয়ে মার্কেট সেন্টিমেন্ট নির্ণয়


পিভট পয়েন্ট দিয়ে মার্কেট সেন্টিমেন্ট নির্ণয় করা

এতক্ষণ আমরা পিভট পয়েন্ট দিয়ে সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্সের ব্যাবহারের কথা বলছিলাম। পিভট পয়েন্টকে অন্য কাজেও ব্যাবহার করা যায়। সেটা হল মার্কেট সেন্টিমেন্ট নির্ণয় করার কাজে।


এর মানে হল, এটা আপনাকে ধারনা দিবে যে মার্কেটে ট্রেডাররা বাই না সেলের দিকে বেশী আগ্রহী। পিভট পয়েন্টে যে পিভট পয়েন্ট (পিপি) লাইনটা আছে, সেটা আপনাকে বুলিশ বিয়ারিশ সেন্টিমেন্টের সংকেত দিবে।


বুলিশ সেন্টিমেন্ট


প্রাইস যখন পিভট পয়েন্টের উপরে থাকে অথবা প্রাইস পিভট ব্রেক করে উপরের দিকে যায়। চার্টটি দেখুনঃ




নতুন দিন শুরু হয়েছে আর প্রাইস পিভট পয়েন্টের নিচে রয়েছে। সময়ের সাথে প্রাইস নিচে নেমেছে। এখানে ট্রেডারদের সেন্টিমেন্ট বিয়ারিশ ছিল। পরের চার্টটা দেখুন







আগের চার্টের মত ডেইলি ওপেন পিভট পয়েন্টের উপরে আর সেদিনের সেন্টিমেন্ট বুলিশ দেখা যাচ্ছে। পরের চার্টটি দেখুনঃ




প্রাইস পিভট পয়েন্ট ব্রেক করেছে, আর দেখা যাচ্ছে যে প্রাইস সেদিন নিচে নেমেছে।


কি বুঝলেন? বুঝেছেন যে, পিভট পয়েন্ট একটা জাদুকরী ট্রেডিং ট্যুল তাই না?পিভট পয়েন্টের উপরে বাই, নিচে সেল আর ব্রেক করলে সেন্টিমেন্টে পরিবর্তন। আর কি লাগে, এই কোটিপতি হয়ে গেলাম আর কি!!!


আবারও বলছি, সব ট্যুল সবসময় কাজ করে না। মার্কেটে উপর নিচ সবসময় থাকবেই আর তাই নিজেকে সেই অনুযায়ী তৈরি করুন। পিভট পয়েন্ট একা আপনাকে ভালো সিগন্যাল দিতে পারবে না। অন্যান্য ট্যুল যেগুলো আপনাকে মার্কেট সেন্টিমেন্ট সম্পর্কে ভালো ধারনা দিবে এর সাথে যোগ করুন।

No comments:

Post a Comment

Golden Rules of Forex/10th NOVEMBER- 2017.

Date:30th  October 2017. Golden Rules of Forex Must check this lin before trade ----- USD DOLAR INDEX CHECK REGULAR FROM THIS L...