01 ফরেক্স কি?
ফরেক্স কি?
যদি আপনি কখনো বিদেশ ভ্রমন করেন তাহলে এয়ারপোর্টে আপনি টাকার পরিবর্তে যে দেশে ভ্রমন করবেন সেই দেশের কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করেন।
আপনি যদি কাউন্টারের স্ক্রিনে লক্ষ করেন তাহলে দেখবেন যে $১ এর জন্য ৳৭৫ এর সমমান টাকা দিতে হচ্ছে। আপনার মন তখন খারাপ হয়ে যাবে যে, এত টাকা নিয়া আসলাম এর এত অল্প এর বিনিময়ে তা এক্সচেঞ্জ করতে হল। পরে যখন দেকবেন যে ১টা পেপসির দাম কয়েক সেন্ট তখন আপনি আবার খুশী হয়ে গেলেন।
যখন আপনি এটা করছেন, তখন আপনি ফরেক্স মার্কেটে অংশগ্রহন করছেন। আপনি এক কারেন্সির বদলে আরেক কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করেছিলেন।আপনি আমেরিকা ভ্রমণকালে টাকার বিনিময়ে ডলার এক্সচেঞ্জ করেছিলেন।
আপনি দেশে আসার সময় যখন ডলার কে আবার টাকায় পরিবর্তন করবেন তখন দেখবেন যে এক্সচেঞ্জ রেট পরিবর্তন হয়েছে। এই যে এক্সচেঞ্জ রেট পরিবর্তন হয়েছে, এটা দিয়ে আপনি ফরেক্স মার্কেটে লাভ করতে পারবেন আর টাকা বানাতে পারবেন।
ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট, যা সাধারনত “ফরেক্স” অথবা "FX" / “এফএক্স” নামে পরিচিত, সেটা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফাইনান্স্যিয়াল মার্কেট। যদি নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE) এর সাথে তুলনা করেন তাহলে দেকবেন যে NYSE তে দৈনিক $২২.৪ বিলিয়ন এর মত ট্রেড হয় আর ফরেক্স মার্কেটে আনুমানিক $৫ ট্রিলিয়ন দৈনিক ট্রেড হয়।
আপনি NYSE, CNBC, Bloomberg অথবা BBC তে বিভিন্ন সংবাদ শুনতে পান মার্কেট সম্পর্কে। তারা মুলত স্টক মার্কেট সম্পর্কে কথা বলে।তাই মার্কেটটাকে অনেক বড় ও কোলাহলপূর্ণ মনে হয়।
কিন্তু ফরেক্স মার্কেটের সাথে তুলনা করলে দেখবেন যে আসলে মার্কেটটা কি রকম বড়। নিম্নের গ্রাফটি আপনাকে ধারনা দিবে।

ফরেক্স মার্কেট
প্রায় ২০০ গুন বেশী বড় অন্যান্য স্টক মার্কেটের চেয়ে। কিন্তু এখানে আর
একটা বাপার আছে। $৫ ট্রিলিয়ন বিশ্বব্যাপী ফরেক্স মার্কেটের সাইজ বুঝায়।
Retail traders মানে আমরা যারা ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করি, তা আনুমানিক $১.৪৯ ট্রিলিয়ন। তাহলে দেখেন যে ফরেক্স মার্কেট এমনেতেও স্টক মার্কেটের চেয়ে বড়।
এখন কি মার্কেট সম্পর্কে কৌতূহল জেগেছে?
যদি আপনি কখনো বিদেশ ভ্রমন করেন তাহলে এয়ারপোর্টে আপনি টাকার পরিবর্তে যে দেশে ভ্রমন করবেন সেই দেশের কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করেন।
আপনি যদি কাউন্টারের স্ক্রিনে লক্ষ করেন তাহলে দেখবেন যে $১ এর জন্য ৳৭৫ এর সমমান টাকা দিতে হচ্ছে। আপনার মন তখন খারাপ হয়ে যাবে যে, এত টাকা নিয়া আসলাম এর এত অল্প এর বিনিময়ে তা এক্সচেঞ্জ করতে হল। পরে যখন দেকবেন যে ১টা পেপসির দাম কয়েক সেন্ট তখন আপনি আবার খুশী হয়ে গেলেন।
যখন আপনি এটা করছেন, তখন আপনি ফরেক্স মার্কেটে অংশগ্রহন করছেন। আপনি এক কারেন্সির বদলে আরেক কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করেছিলেন।আপনি আমেরিকা ভ্রমণকালে টাকার বিনিময়ে ডলার এক্সচেঞ্জ করেছিলেন।
আপনি দেশে আসার সময় যখন ডলার কে আবার টাকায় পরিবর্তন করবেন তখন দেখবেন যে এক্সচেঞ্জ রেট পরিবর্তন হয়েছে। এই যে এক্সচেঞ্জ রেট পরিবর্তন হয়েছে, এটা দিয়ে আপনি ফরেক্স মার্কেটে লাভ করতে পারবেন আর টাকা বানাতে পারবেন।
ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট, যা সাধারনত “ফরেক্স” অথবা "FX" / “এফএক্স” নামে পরিচিত, সেটা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফাইনান্স্যিয়াল মার্কেট। যদি নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE) এর সাথে তুলনা করেন তাহলে দেকবেন যে NYSE তে দৈনিক $২২.৪ বিলিয়ন এর মত ট্রেড হয় আর ফরেক্স মার্কেটে আনুমানিক $৫ ট্রিলিয়ন দৈনিক ট্রেড হয়।
আপনি NYSE, CNBC, Bloomberg অথবা BBC তে বিভিন্ন সংবাদ শুনতে পান মার্কেট সম্পর্কে। তারা মুলত স্টক মার্কেট সম্পর্কে কথা বলে।তাই মার্কেটটাকে অনেক বড় ও কোলাহলপূর্ণ মনে হয়।
কিন্তু ফরেক্স মার্কেটের সাথে তুলনা করলে দেখবেন যে আসলে মার্কেটটা কি রকম বড়। নিম্নের গ্রাফটি আপনাকে ধারনা দিবে।
Retail traders মানে আমরা যারা ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করি, তা আনুমানিক $১.৪৯ ট্রিলিয়ন। তাহলে দেখেন যে ফরেক্স মার্কেট এমনেতেও স্টক মার্কেটের চেয়ে বড়।
এখন কি মার্কেট সম্পর্কে কৌতূহল জেগেছে?
02 কি ট্রেড করি?
ফরেক্স মার্কেটে কি ট্রেড করা হয়?
সহজ উত্তর হল মূলা ... থুক্কু মুদ্রা।
যেহেতু আপনি কায়িক কিছু কিনছেন না, তাই এটা একটু বিভ্রান্তিকর লাগতে পারে।
কারেন্সি কেনাকে একটি দেশের শেয়ার কেনার মত মনে করতে পারেন, যেভাবে একটি কোম্পানির শেয়ার কিনেন। কারেন্সির দাম একটি দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অবস্থা দেখায় যে মার্কেট সেই কারেন্সি নিয়ে কি চিন্তা করছে।
ধরুন যখন আপনি, জাপানী কারেন্সি ক্রয় করবেন তখন আপনি জাপানের ১ টি শেয়ার কিনছেন। আপনার কেনার পেছনে উদ্দেশ্য হল যে জাপানী অর্থনীতি ভালো করবে আর ভবিষ্যতে যখন সেই শেয়ারটা বিক্রি করবেন তখন লাভ করবেন।
সাধারনত এক কারেন্সির দাম অন্য কারেন্সির দামের সাথে বাড়বে না কমবে তা নির্ভর করে যে ২ টি দেশের মধ্যে কার তুলনায় কে ভালো করছে।
যাইহোক, আপনি যখন আরও বিস্তারিতভাবে জানবেন, তখন ট্রেড করতে আরও আগ্রহী হবেন।
মেজর কারেন্সিসমূহ
কারেন্সির সিম্বল সর্বদা তিন অক্ষরের হয়ে থাকে। যেখানে প্রথম ২টি অক্ষর দেশের নাম চিনহিত করে আর ৩য় অক্ষর দেশের কারেন্সি চিনহিত করে।
যেমন NZD তে NZ দিয়ে বুঝায় নিউজিল্যান্ডকে এবং D দিয়ে বুঝায় ডলারকে।
উপরের চার্টে যে কারেন্সিগুলো দেখতে পাচ্ছেন সেগুলোকে মেজর কারেন্সি বলা হয়। কারন সেগুলো সবচেয়ে বেশী ট্রেড করা কারেন্সি।
ডলারের আরও কিছু নামঃ greenbacks, bones, benjis, benjamins, cheddar, paper, loot, scrilla, cheese, bread, moolah, dead presidents, and cash money
কারেন্সি জোড়ায় জোড়ায় ট্রেড করা হয়
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে একটি কারেন্সি কেনা হয় অন্ন কারেন্সি বিক্রি করে। কারেন্সি ট্রেড করা হয় একটি ব্রকার অথবা ডিলার এর মাধ্যমে, আর জোড়ায় ট্রেড করা হয়। যেমন Euro এবং U.S. Dollar (EUR/USD) অথবা the british pound এবং Japanese yen (GBP/JPY).
যখন আপনি ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করেন, তখন আপনি কারেন্সি জোড়া হিসেবে ক্রয় অথবা বিক্রয় করেন।
উপরের ছবিটাতে ষাঁড় এবং ভাল্লুক দরি টানাটানির প্রতিযোগিতা লেগেছে। কারেন্সি পেয়ারে যদি ষাঁড়কে ইউরো এবং ভাল্লুককে এউসডি ধরেন, তাহলে তারাও এভাবে প্রতিযোগিতা করে থাকে। এক্সচেঞ্জ রেট কমে বারে যেই কারেন্সি শক্তিশালী থাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে।
মেজর কারেন্সি পেয়ার
নিম্নের কারেন্সি পেয়ারগুলোকে মুখ্য কারেন্সি পেয়ার অথবা “Majors” বলে গণ্য করা হয়। সবগুলো পেয়ারয়ে ইউএসডি আছে আর প্রচুর পরিমানে ট্রেড করা হয়।
মেজর ক্রস-কারেন্সি পেয়ার অথবা মাইনর কারেন্সি পেয়ার
কারেন্সি পেয়ার যেগুলোতে ইউএসডি থাকে না সেগুলকে ক্রস কারেন্সি বলা হয়ে থাকে। মেজর ক্রসগুলকে মাইনর বলা হয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশি ট্রেড করা কারেন্সিগুল হল ইউরো, ইয়েন এবং জিবিপি।
Euro Crosses (ইউরো ক্রস)
Yen Crosses (ইয়েন ক্রস)
Pound Crosses (পাউন্ড ক্রস)
Other Crosses (অন্যান্য ক্রস)
Exotic Pairs (এক্সটিক পেয়ার)
এক্সটিক পেয়ারগুলো সচরাচর দেখা যায় না। আপনার ব্রোকার কিছু এক্সটিক পেয়ার আপনাকে ট্রেড করতে দিতে পারে তাই জেনে রাখা ভালো। এক্সটিক পেয়ার মেজর কারেন্সির সাথে অন্য একটি ননমেজর কারেন্সি যোগ করবে। নিম্নে কিছু উদাহরণ দেয়া হলঃ

সহজ উত্তর হল মূলা ... থুক্কু মুদ্রা।
যেহেতু আপনি কায়িক কিছু কিনছেন না, তাই এটা একটু বিভ্রান্তিকর লাগতে পারে।
কারেন্সি কেনাকে একটি দেশের শেয়ার কেনার মত মনে করতে পারেন, যেভাবে একটি কোম্পানির শেয়ার কিনেন। কারেন্সির দাম একটি দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অবস্থা দেখায় যে মার্কেট সেই কারেন্সি নিয়ে কি চিন্তা করছে।
ধরুন যখন আপনি, জাপানী কারেন্সি ক্রয় করবেন তখন আপনি জাপানের ১ টি শেয়ার কিনছেন। আপনার কেনার পেছনে উদ্দেশ্য হল যে জাপানী অর্থনীতি ভালো করবে আর ভবিষ্যতে যখন সেই শেয়ারটা বিক্রি করবেন তখন লাভ করবেন।
সাধারনত এক কারেন্সির দাম অন্য কারেন্সির দামের সাথে বাড়বে না কমবে তা নির্ভর করে যে ২ টি দেশের মধ্যে কার তুলনায় কে ভালো করছে।
যাইহোক, আপনি যখন আরও বিস্তারিতভাবে জানবেন, তখন ট্রেড করতে আরও আগ্রহী হবেন।
মেজর কারেন্সিসমূহ
The
Majors
|
|||
Symbols
|
Country
|
Currency
|
Nickname
|
USD
|
United
States
|
Dollar
|
Buck
|
EUR
|
Europe
|
Euro
|
Fiber
|
JPY
|
Japan
|
Yen
|
Yen
|
GBP
|
United
Kingdom
|
Pound
|
Cable
|
CHF
|
Switzerland
|
Franc
|
Swissy
|
CAD
|
Canada
|
Dollar
|
Loonie
|
AUD
|
Australia
|
Dollar
|
Aussie
|
NZD
|
Newzeland
|
Dollar
|
Kiwi
|
যেমন NZD তে NZ দিয়ে বুঝায় নিউজিল্যান্ডকে এবং D দিয়ে বুঝায় ডলারকে।
উপরের চার্টে যে কারেন্সিগুলো দেখতে পাচ্ছেন সেগুলোকে মেজর কারেন্সি বলা হয়। কারন সেগুলো সবচেয়ে বেশী ট্রেড করা কারেন্সি।
ডলারের আরও কিছু নামঃ greenbacks, bones, benjis, benjamins, cheddar, paper, loot, scrilla, cheese, bread, moolah, dead presidents, and cash money
03 কারেন্সি জোড়ায় জোড়ায় ট্রেড করা হয়
কারেন্সি জোড়ায় জোড়ায় ট্রেড করা হয়
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে একটি কারেন্সি কেনা হয় অন্ন কারেন্সি বিক্রি করে। কারেন্সি ট্রেড করা হয় একটি ব্রকার অথবা ডিলার এর মাধ্যমে, আর জোড়ায় ট্রেড করা হয়। যেমন Euro এবং U.S. Dollar (EUR/USD) অথবা the british pound এবং Japanese yen (GBP/JPY).
যখন আপনি ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করেন, তখন আপনি কারেন্সি জোড়া হিসেবে ক্রয় অথবা বিক্রয় করেন।

উপরের ছবিটাতে ষাঁড় এবং ভাল্লুক দরি টানাটানির প্রতিযোগিতা লেগেছে। কারেন্সি পেয়ারে যদি ষাঁড়কে ইউরো এবং ভাল্লুককে এউসডি ধরেন, তাহলে তারাও এভাবে প্রতিযোগিতা করে থাকে। এক্সচেঞ্জ রেট কমে বারে যেই কারেন্সি শক্তিশালী থাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে।
মেজর কারেন্সি পেয়ার
নিম্নের কারেন্সি পেয়ারগুলোকে মুখ্য কারেন্সি পেয়ার অথবা “Majors” বলে গণ্য করা হয়। সবগুলো পেয়ারয়ে ইউএসডি আছে আর প্রচুর পরিমানে ট্রেড করা হয়।

মেজর ক্রস-কারেন্সি পেয়ার অথবা মাইনর কারেন্সি পেয়ার
কারেন্সি পেয়ার যেগুলোতে ইউএসডি থাকে না সেগুলকে ক্রস কারেন্সি বলা হয়ে থাকে। মেজর ক্রসগুলকে মাইনর বলা হয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশি ট্রেড করা কারেন্সিগুল হল ইউরো, ইয়েন এবং জিবিপি।

Yen Crosses (ইয়েন ক্রস)

Pound Crosses (পাউন্ড ক্রস)

Other Crosses (অন্যান্য ক্রস)

Exotic Pairs (এক্সটিক পেয়ার)
এক্সটিক পেয়ারগুলো সচরাচর দেখা যায় না। আপনার ব্রোকার কিছু এক্সটিক পেয়ার আপনাকে ট্রেড করতে দিতে পারে তাই জেনে রাখা ভালো। এক্সটিক পেয়ার মেজর কারেন্সির সাথে অন্য একটি ননমেজর কারেন্সি যোগ করবে। নিম্নে কিছু উদাহরণ দেয়া হলঃ

04 মার্কেট সাইজ এবং লিকুইডিটি
মার্কেট সাইজ এবং লিকুইডিটি
নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এর মত ফরেক্স মার্কেট কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হয় না।
ফরেক্স মার্কেট চলে ওভার-দ্যা-কাউন্টার অথবা “OTC” অথবা “ইন্টারব্যাংক” এর লেনদেনের মাধ্যমে। এটি একটি ইলেক্ট্রনিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর সাথে সংযুক্ত তাই ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে এবং ট্রেড করা যায়।
এর অর্থ যে স্পট ফরেক্স মার্কেট সারা বিশ্বে ছড়িয়ে রয়েছে যার কোন কেন্দ্রীয় অবস্থান নেই। তা যেকোন জায়গায় হতে পারে, এমনকি মাউন্ট ফিজির শীর্ষে।
ফরেক্স ওটিসি মার্কেট হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এর খুবই জনপ্রিয় ফাইনান্স্যিয়াল মার্কেট। বিশ্বজুড়ে বহু সংখ্যক মানুষ এবং অর্গানাইজেশন এখানে ট্রেড করে।
নিচের ছকে সর্বোত্তম ১০টি সক্রিয় কারেন্সি দেখানো হলো।
* যেহেতু এখানে লেনদেনের সময় ২টা কারেন্সি জড়িত থাকে, তাই চার্টে পারসেন্টেজের যোগফল ১০০% এর পরিবর্তে ২০০% হবে।
ডলার হলো সবচেয়ে বেশী ট্রেডকৃত কারেন্সি, শতকরা ৮৪.৯ ভাগের উপর সকল লেনদেনে এর অংশগ্রহন থাকে। ইউরোর স্থান হলো ২য় ৩৯.১ ভাগ। আর জাপনীস মুদ্রা ইয়েন হল ৩য় ১৯.০ ভাগ। দেখতে পাচ্ছেন যে, লিস্টে মেজর কারেন্সিগুলোই শীর্ষতালিকা দখল করে আছে।
কারন দুটি মুদ্রা প্রত্যেকটি লেনদেনের সাথে জড়িত শতকরা অনুযায়ী নিজস্ব মোট মুদ্র শতকরা ২০০ ভাগ ১০০ ভাগের পরিবর্তে।
The Dollar is the King
আপনি হয়তো লক্ষ করেছেন যে, আমরা প্রায়ই ইউএস ডলার (USD) এর নাম উল্লেখ করে থাকি। যদি USD প্রত্যেক কারেন্সি পেয়ারের অর্ধেক হয়, আর মেজর যদি শতকরা ৭৫% হয়, তাহলে ইউএস ডলারের দিকে নজর দেয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে।
প্রকৃতপক্ষে ইন্টারন্যাশনাল মনেটারি ফান্ড (IMF) অনুসারে ইউএস ডলার বিশ্বের অফিসিয়াল ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভের প্রায় ৬২% দখল করে আছে! কারন বেশীর ভাগ বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং কেন্দ্রিয় ব্যাংক তা রিজার্ভ করে, তারা ইউএস ডলারের দিকে নজর রাখে।
আরও গুরুর্ত্বপূর্ন কারন আছে, যে কেন ইউএস ডলার ফরেক্স মার্কেটে কেন্দ্রীয় ভুমিকা পালন করেঃ
Speculation (স্পেকুলেশন)
একটি গুরুত্বপূর্ন জিনিস নোট করুণ ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে যে, যেখানে কমার্শিয়াল এবং ফাইনান্স্যিয়াল লেনদেন ট্রেডিং ভলিউমের অংশ, বেশীর ভাগ কারেন্সি ট্রেডিং সংঘটিত হয় স্পেকুলেশনের উপর ভিত্তি করে।
অন্য কোথায়, বেশীরভাগ ট্রেডিং ভলিউম ইন্ট্রাডে প্রাইস মুভমেন্ট বাই/সেল এর মাধ্যমে হয়ে থাকে। স্পেকুলেটরদের ট্রেডিং ভলিউম আনুমানিক ৯০% এর বেশী হয়ে থাকে।
ফরেক্স মার্কেট অনুসারে এর অর্থ হচ্ছে লিকুইডিটি – কোন নির্দিষ্ট সময়ে বাই এবং সেলের পরিমান। এটা প্রচুর পরিমানে হয়ে থাকে।
আর এটা কারো জন্য কারেন্সি ক্রয় বিক্রয় খুবই সহজ করে দেয়।
বিনিয়োগকারীর দৃষ্টিকোণ থেকে, লিকুইডিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন এটা নির্ধারণ করবে যে নির্দিষ্ট একটা সময়সীমার মধ্যে কত সহজে প্রাইস ধারা পরিবর্তন করতে পারে।
যেখানে ফরেক্স মার্কেট তুলনামুলকভাবে খুবই তরল, কারেন্সি পেয়ার এবং সময়সাপেক্ষে মার্কেট ডেপথ পরিবর্তন হতে পারে।
এসম্পর্কে পরবর্তীতে আরও বিস্তারিতভাবে জানবো।
নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এর মত ফরেক্স মার্কেট কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হয় না।
ফরেক্স মার্কেট চলে ওভার-দ্যা-কাউন্টার অথবা “OTC” অথবা “ইন্টারব্যাংক” এর লেনদেনের মাধ্যমে। এটি একটি ইলেক্ট্রনিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর সাথে সংযুক্ত তাই ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে এবং ট্রেড করা যায়।
এর অর্থ যে স্পট ফরেক্স মার্কেট সারা বিশ্বে ছড়িয়ে রয়েছে যার কোন কেন্দ্রীয় অবস্থান নেই। তা যেকোন জায়গায় হতে পারে, এমনকি মাউন্ট ফিজির শীর্ষে।
ফরেক্স ওটিসি মার্কেট হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এর খুবই জনপ্রিয় ফাইনান্স্যিয়াল মার্কেট। বিশ্বজুড়ে বহু সংখ্যক মানুষ এবং অর্গানাইজেশন এখানে ট্রেড করে।
নিচের ছকে সর্বোত্তম ১০টি সক্রিয় কারেন্সি দেখানো হলো।

* যেহেতু এখানে লেনদেনের সময় ২টা কারেন্সি জড়িত থাকে, তাই চার্টে পারসেন্টেজের যোগফল ১০০% এর পরিবর্তে ২০০% হবে।
ডলার হলো সবচেয়ে বেশী ট্রেডকৃত কারেন্সি, শতকরা ৮৪.৯ ভাগের উপর সকল লেনদেনে এর অংশগ্রহন থাকে। ইউরোর স্থান হলো ২য় ৩৯.১ ভাগ। আর জাপনীস মুদ্রা ইয়েন হল ৩য় ১৯.০ ভাগ। দেখতে পাচ্ছেন যে, লিস্টে মেজর কারেন্সিগুলোই শীর্ষতালিকা দখল করে আছে।
The Dollar is the King
আপনি হয়তো লক্ষ করেছেন যে, আমরা প্রায়ই ইউএস ডলার (USD) এর নাম উল্লেখ করে থাকি। যদি USD প্রত্যেক কারেন্সি পেয়ারের অর্ধেক হয়, আর মেজর যদি শতকরা ৭৫% হয়, তাহলে ইউএস ডলারের দিকে নজর দেয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে।

প্রকৃতপক্ষে ইন্টারন্যাশনাল মনেটারি ফান্ড (IMF) অনুসারে ইউএস ডলার বিশ্বের অফিসিয়াল ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভের প্রায় ৬২% দখল করে আছে! কারন বেশীর ভাগ বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং কেন্দ্রিয় ব্যাংক তা রিজার্ভ করে, তারা ইউএস ডলারের দিকে নজর রাখে।
আরও গুরুর্ত্বপূর্ন কারন আছে, যে কেন ইউএস ডলার ফরেক্স মার্কেটে কেন্দ্রীয় ভুমিকা পালন করেঃ
- ইউনাইটেড স্টেট বিশ্বের অর্থনীতির মধ্যে সবচেয়ে বড়।
- বিশ্বের সবচেয়ে সঞ্চয়ী মুদ্রা হলো ইউএস ডলার।
- ইউনাইটেড স্টেট বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে বেশী লিকুইড ফাইনান্স্যিয়াল মার্কেট
- ইউনাইটেড স্টেট বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশী স্থিতিশীল রাজনৈতিক ব্যাবস্থা।
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক ক্ষমতার অধিকারী হলো ইউনাইটেড স্টেট।
- ইউএস ডলার অনেক ক্রস-বর্ডার লেনদেনের জন্য এক্সচেঞ্জের মাধ্যম। যেমন, তেলের দাম ইউএস ডলারে। তাই যদি মেক্সিকো সৌদিআরব থেকে তেল কিনতে চায়, তাহলে তারা ইউএস ডলারের মাধ্যমেই কিনতে পারবে। যদি মেক্সিকোর কাছে ডলার না থাকে, তাহলে তাদের প্রথমে পেসো বিক্রি করে ডলার কিনতে হবে।
Speculation (স্পেকুলেশন)
একটি গুরুত্বপূর্ন জিনিস নোট করুণ ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে যে, যেখানে কমার্শিয়াল এবং ফাইনান্স্যিয়াল লেনদেন ট্রেডিং ভলিউমের অংশ, বেশীর ভাগ কারেন্সি ট্রেডিং সংঘটিত হয় স্পেকুলেশনের উপর ভিত্তি করে।
অন্য কোথায়, বেশীরভাগ ট্রেডিং ভলিউম ইন্ট্রাডে প্রাইস মুভমেন্ট বাই/সেল এর মাধ্যমে হয়ে থাকে। স্পেকুলেটরদের ট্রেডিং ভলিউম আনুমানিক ৯০% এর বেশী হয়ে থাকে।
ফরেক্স মার্কেট অনুসারে এর অর্থ হচ্ছে লিকুইডিটি – কোন নির্দিষ্ট সময়ে বাই এবং সেলের পরিমান। এটা প্রচুর পরিমানে হয়ে থাকে।
আর এটা কারো জন্য কারেন্সি ক্রয় বিক্রয় খুবই সহজ করে দেয়।
বিনিয়োগকারীর দৃষ্টিকোণ থেকে, লিকুইডিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন এটা নির্ধারণ করবে যে নির্দিষ্ট একটা সময়সীমার মধ্যে কত সহজে প্রাইস ধারা পরিবর্তন করতে পারে।
যেখানে ফরেক্স মার্কেট তুলনামুলকভাবে খুবই তরল, কারেন্সি পেয়ার এবং সময়সাপেক্ষে মার্কেট ডেপথ পরিবর্তন হতে পারে।
এসম্পর্কে পরবর্তীতে আরও বিস্তারিতভাবে জানবো।
05 কারেন্সি ট্রেডের বিভিন্ন উপায়
কারেন্সি ট্রেডের বিভিন্ন উপায়
কারেন্সি বিভিন্নভাবে ট্রেড করা যায়। এদের মধ্যে স্পট ফরেক্স, ফিউচারস, অপশন্স এবং এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইফটি) উল্লেখযোগ্য।
স্পট মার্কেট (Spot Forex Market)
কারেন্সি জায়গারটা জায়গায় ট্রেড হয় বর্তমান মার্কেট মুল্লে। স্প্রেড খুব কম থাকে। অ্যাকাউন্ট খোলাও খুব সহজ। আপনি স্পট মার্কেটে $১ দিয়েও ট্রেড শুরু করতে পারবেন।
আপনার ট্রেডের জন্য চার্ট থাকবে। এছাড়াও ইন্টারনেটে প্রচুর পরিমানে খবর বের হয় তাই আপনার তথ্যর অভাব হবে না।
ফিউচার মার্কেট (Futures)
আপনি যে কোন সম্পত্তি (এই ক্ষেত্রে কারেন্সি) একটি নির্দিষ্ট মুল্লে ক্রয় অথবা বিক্রয় করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে যেই চুক্তিপত্র থাকে তা স্ট্যান্ডার্ড আকারে থাকে। যেহেতু ফিউচার কেন্দ্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়, তাই সব তথ্য সহজলভ্য।
অপশন মার্কেট (Options)
অপশন মার্কেটে আপনি একটা সম্পত্তি কিনতে পারবেন কিন্তু তার মালিকানা পাবেন না। আপনি যদি কিছু কিনেন অথবা বিক্রি করেন তাহলে আপনাকে ভবিষ্যৎ একটি সময়ে নির্দিষ্ট মুল্লে তা ছেরে দিতে হবে। অপশন মার্কেটের একটি অসুবিধা হল যে এটা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে না।
এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (Exchange Traded Fund)
এটা বেশীদিন হয়নি চালু হয়েছে। এটা ফরেক্সকে স্টকের সাথে মিলিয়ে বাজারে ছাড়া হয়। এতে ঝুকি কমে যায়। এগুল সাধারনত ফিনাঞ্চিয়াল ফার্মগুলো উপস্থাপন করে থাকে।
কারেন্সি বিভিন্নভাবে ট্রেড করা যায়। এদের মধ্যে স্পট ফরেক্স, ফিউচারস, অপশন্স এবং এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইফটি) উল্লেখযোগ্য।
স্পট মার্কেট (Spot Forex Market)
কারেন্সি জায়গারটা জায়গায় ট্রেড হয় বর্তমান মার্কেট মুল্লে। স্প্রেড খুব কম থাকে। অ্যাকাউন্ট খোলাও খুব সহজ। আপনি স্পট মার্কেটে $১ দিয়েও ট্রেড শুরু করতে পারবেন।
আপনার ট্রেডের জন্য চার্ট থাকবে। এছাড়াও ইন্টারনেটে প্রচুর পরিমানে খবর বের হয় তাই আপনার তথ্যর অভাব হবে না।
ফিউচার মার্কেট (Futures)
আপনি যে কোন সম্পত্তি (এই ক্ষেত্রে কারেন্সি) একটি নির্দিষ্ট মুল্লে ক্রয় অথবা বিক্রয় করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে যেই চুক্তিপত্র থাকে তা স্ট্যান্ডার্ড আকারে থাকে। যেহেতু ফিউচার কেন্দ্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়, তাই সব তথ্য সহজলভ্য।
অপশন মার্কেটে আপনি একটা সম্পত্তি কিনতে পারবেন কিন্তু তার মালিকানা পাবেন না। আপনি যদি কিছু কিনেন অথবা বিক্রি করেন তাহলে আপনাকে ভবিষ্যৎ একটি সময়ে নির্দিষ্ট মুল্লে তা ছেরে দিতে হবে। অপশন মার্কেটের একটি অসুবিধা হল যে এটা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে না।
এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (Exchange Traded Fund)
এটা বেশীদিন হয়নি চালু হয়েছে। এটা ফরেক্সকে স্টকের সাথে মিলিয়ে বাজারে ছাড়া হয়। এতে ঝুকি কমে যায়। এগুল সাধারনত ফিনাঞ্চিয়াল ফার্মগুলো উপস্থাপন করে থাকে।
06 ফরেক্স এর সুবিধা
ফরেক্স এর সুবিধা
ফরেক্স মার্কেটের অনেক সুবিধা আছে যা অন্যান্য মার্কেটে দেখতে পাবেন না। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হল:
কোন কমিশন নেই: আপনি মূলত ব্রোকারকে কোন কমিশন দেন না। আপনার ব্রোকার আপনাকে মূলত যা চার্জ করবে তা হল “আসক - বিড = স্প্রেড”।
কোন মধ্যবর্তী লোক নেই: আপনি সরাসরি ট্রেড শুরু করতে পারবেন। ট্রেড শুরু করার জন্য আপনাকে কোন তৃতীয় পক্ষকে বলতে হবে না।
নিধারিত লট সাইজ নেই: আপনি কতটুকু ট্রেড করবেন তা আপনার উপর নির্ভর করবে। ধরুন, আপনি যদি ফিউচার মার্কেটে সিলভার ট্রেড করতে যান তাহলে আপনাকে ৫,০০০ আউন্স সিলভার কিনতে হবে। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে ৫,০০০ আউন্স কিনতে বাধ্য না।
স্বল্প খরচ: ট্রেড করতে আপনার ব্রোকার আপনাকে খুব অল্প চার্জ করে। সেটাকে আমরা স্প্রেড বলে থাকি। এটা সাধারনত আপনার লট সাইজের উপর নির্ভর করে।
২৪ ঘন্টার মার্কেট: অন্যান্য মার্কেট সাধরনত সকালে খুলে বিকেলে বন্ধ হয়ে যায়। আর ট্রেডের জন্য আপনাকে পরের দিনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ফরেক্স মার্কেট সোমবার খুলে আর শুক্রবার বন্ধ হয়। আর এর মাঝে ২৪ ঘন্টাই খোলা থাকে।
মার্কেট নিয়ন্ত্রন করা যায় না: ফরেক্স মার্কেট এত বড় যে যদি কোন
দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক যদি প্রাইস নিজের ইচ্ছামত মুভ করতে চায়, তাহলে তা
বেশিক্ষনের জন্য করতে পারবে না।
লেভারেজ: আমারা লেভারেজ সম্পর্কে জেনেছি। আমরা অল্প অর্থে বিনিময়ে অনেক অর্থ দিয়ে ট্রেড করতে পারি। ফরেক্স মার্কেট ছাড়া অন্য কোন মার্কেট আপনাকে এই সূযোগ দেয় না।
মার্কেটে এন্ট্রি সহজ: মার্কেটে প্রবেশ করতে আপনাকে হাজার বাধা বিপওি পারি দিতে হবে না। ঘরের মধ্যে একটা কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশনই যথেষ্ট। ব্রোকারও আপনার কাছে হাজার হাজার ডলার ডিপোজিট চাবে না। এখন ব্রোকাররা $১ ও ডিপোজিট করতে দেয়।
প্রচুর তথ্য পাবেন: ফরেক্স লিখে যদি গুগলে সার্চ দেন তাহলে দেখবেন যে কি পরিমান তথ্য পান। ইন্টারনেটে এত তথ্য আছে যা আপনার জন্য পর্যাপ্ত পরিমানের চেয়ে অনেক বেশি। তাই আপনার তথ্যের অভাব হবে না।
আপনি হয়ত বুঝতে পেরেছেন যে ফরেক্স অন্যান্য মার্কেটের তুলনায় অনেক ভালো আর বেশি সুবিধা প্রদান করে থাকে। নিচের টেবিলটি দেখুন:
ফরেক্স মার্কেটের অনেক সুবিধা আছে যা অন্যান্য মার্কেটে দেখতে পাবেন না। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হল:
কোন কমিশন নেই: আপনি মূলত ব্রোকারকে কোন কমিশন দেন না। আপনার ব্রোকার আপনাকে মূলত যা চার্জ করবে তা হল “আসক - বিড = স্প্রেড”।
কোন মধ্যবর্তী লোক নেই: আপনি সরাসরি ট্রেড শুরু করতে পারবেন। ট্রেড শুরু করার জন্য আপনাকে কোন তৃতীয় পক্ষকে বলতে হবে না।
নিধারিত লট সাইজ নেই: আপনি কতটুকু ট্রেড করবেন তা আপনার উপর নির্ভর করবে। ধরুন, আপনি যদি ফিউচার মার্কেটে সিলভার ট্রেড করতে যান তাহলে আপনাকে ৫,০০০ আউন্স সিলভার কিনতে হবে। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে ৫,০০০ আউন্স কিনতে বাধ্য না।
স্বল্প খরচ: ট্রেড করতে আপনার ব্রোকার আপনাকে খুব অল্প চার্জ করে। সেটাকে আমরা স্প্রেড বলে থাকি। এটা সাধারনত আপনার লট সাইজের উপর নির্ভর করে।
২৪ ঘন্টার মার্কেট: অন্যান্য মার্কেট সাধরনত সকালে খুলে বিকেলে বন্ধ হয়ে যায়। আর ট্রেডের জন্য আপনাকে পরের দিনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ফরেক্স মার্কেট সোমবার খুলে আর শুক্রবার বন্ধ হয়। আর এর মাঝে ২৪ ঘন্টাই খোলা থাকে।
লেভারেজ: আমারা লেভারেজ সম্পর্কে জেনেছি। আমরা অল্প অর্থে বিনিময়ে অনেক অর্থ দিয়ে ট্রেড করতে পারি। ফরেক্স মার্কেট ছাড়া অন্য কোন মার্কেট আপনাকে এই সূযোগ দেয় না।
মার্কেটে এন্ট্রি সহজ: মার্কেটে প্রবেশ করতে আপনাকে হাজার বাধা বিপওি পারি দিতে হবে না। ঘরের মধ্যে একটা কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশনই যথেষ্ট। ব্রোকারও আপনার কাছে হাজার হাজার ডলার ডিপোজিট চাবে না। এখন ব্রোকাররা $১ ও ডিপোজিট করতে দেয়।
প্রচুর তথ্য পাবেন: ফরেক্স লিখে যদি গুগলে সার্চ দেন তাহলে দেখবেন যে কি পরিমান তথ্য পান। ইন্টারনেটে এত তথ্য আছে যা আপনার জন্য পর্যাপ্ত পরিমানের চেয়ে অনেক বেশি। তাই আপনার তথ্যের অভাব হবে না।
আপনি হয়ত বুঝতে পেরেছেন যে ফরেক্স অন্যান্য মার্কেটের তুলনায় অনেক ভালো আর বেশি সুবিধা প্রদান করে থাকে। নিচের টেবিলটি দেখুন:
Forex
|
Stock
|
Futures
|
|
24-Hour
Trading
|
Yes
|
No
|
No
|
Minimal
or no Commission
|
Yes
|
No
|
No
|
Instant
Execution of Market Orders
|
Yes
|
No
|
No
|
Short-selling
without an Uptick
|
Yes
|
No
|
No
|
No
Middlemen
|
Yes
|
No
|
No
|
No
Market Manipulation
|
Yes
|
No
|
No
|
Leverage
|
1:500
|
1:2
|
No
|
07 মার্কেট স্ট্রাকচার
মার্কেটের স্ট্রাকচার অথবা কাঠামো
ফরেক্স মার্কেটকে আরো ভালভাবে বুঝার জন্য দেখি যে স্টক মার্কেট ও ফরেক্স মার্কেট কিভাবে পরিচালিত হয়। প্রথমে স্টক মার্কেটটা দেখি:
স্টক মার্কেটটি (উদাহরণস্বরূপ Dhaka Stock Exchange) স্বভাবত একচেটিয়া মার্কেট। মার্কেটে একটি স্পেশালিস্ট থাকে। সে নিজের ইচ্ছামত প্রাইস কন্ট্রোল করতে পারে। স্পেশালিস্টের নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সে প্রাইসের হেরফের করতে পারে।
এটা কিভাবে সম্ভব?
স্টক মার্কেটে স্পেশালিস্ট অর্ডার সম্পাদান করতে বাধ্য থাকে। এখন ধরুন, সেলারের সংখ্যা বায়ারের চেয়ে বেড়ে গেল। স্পেশালিস্ট যে অর্ডার সম্পাদান করতে বাধ্য সে স্টকগুলো সেল করতে পারবে না। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে স্পেশালিস্ট লেনদেনের মূল্য বাড়িয়ে দিতে পারে যা সেলারদের মার্কেট থেকে দূরে থাকতে বাধ্য করে।
স্পট ফরেক্স মার্কেট
স্পট ফরেক্স মার্কেটটি ডিসেন্ট্রালাইজড মার্কেট। এই জন্য প্রাইস কোট ভিন্ন বোকারে ভিন্ন রকম দেখতে পারেন। এটা আপনার কাছে ভালো নাও লাগতে পারে। কিন্তু আপনি যদি জানেন যে ফরেক্স মার্কেটে প্রচন্ড প্রতিযোগিতার কারনে ব্রোকার আপনাকে প্রায় সবসমযই সবচেয়ে ভালো ডিল অফার করবে। তাহলে আপনি কি বলবেন?
এই সেই কারনের জন্য ফরেক্স মার্কেট মার্কেট একেবারে খাটি একটি মার্কেট না।
আবার ডিসেন্ট্রালাইজড দেখে মার্কেটে বিশৃঙ্খলাও নেই। ফরেক্স মার্কেটে
অংশগ্রহনকারীদেরকে বড় থেকে ছোট সারিতে সাজানো হলে এইভাবে দেখা যায়:
সারিতে প্রথমে মেজর ব্যাংকগুলোকে দেখতে পাচ্ছেন। অংশগ্রহনকারীরা ইলেকট্রনিক ব্রোকারেজ সার্ভিস (EBS) অথবা রয়টার্স ডিলিং ৩০০০ স্পট ম্যাচিং এর মাধ্যেমে সরাসরি ট্রেড করে থাকে।
এই ২টা কোম্পানী কোক আর পেপসির মত। সবসময় মক্কেলের জন্য মারামারি করে। দুটো কোম্পানীই প্রায় একই ধরনের কারেন্সি পেয়ার প্রদান করে থাকলেও, কিছু কিছু কারেন্সি পেয়ারে ১টা তে আরেকটার চেয়ে বেশি তারল্য দেখা যায়।
ইবিএস প্লাটফর্মে EUR/USD, USD/JPY, EUR/JPY, EUR/CHF, and USD/CHF বেশি তারল্য দেখা যায়। রয়টার্স প্লাটফর্মে GBP/USD, EUR/GBP, USD/CAD, AUD/USD, and NZD/USD বেশি তারল্য দেখা যায়। ইন্টারব্যাংকে অংশগ্রহনকারী ব্যাংকগুলো এই প্রাইস দেখতে পায়। এর মানে এটা না যে তারা সেইরেটে ট্রেড করে। এখানে অনেক কিছু আছে যা রেট ভিন্নভাবে পোষন করে।
পরের সারিতে আসে হেজ ফান্ড (Hedge Funds), কর্পোরেশন (Corporations), রিটেইল মার্কেট মেকার (Market makers) এবং রিটেইল ECN। যেহেতু এরা ইন্টারব্যাংকে সরাসরি ট্রেড করতে পারে না, তাদের কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাথে ট্রেড করতে হয়। এর মানে তাদের জন্য খরচ একটু বেড়ে যায় আর তাদের ইন্টারব্যাংকের অংশগ্রহনবারীদের চেয়ে একটু বেশি চার্জ করতে হয়।
একদম শেষের সারিতে রিটেইল ট্রেডাররা পরে। মানে আমরা। ফরেক্স মার্কেটের অসংখ্য সুযোগ সুবিধার জন্য আমরা এই মার্কেটে অনেক বড়বড় সত্ত্বাদের সাথে ট্রেড করতে পারি।
ফরেক্স মার্কেটকে আরো ভালভাবে বুঝার জন্য দেখি যে স্টক মার্কেট ও ফরেক্স মার্কেট কিভাবে পরিচালিত হয়। প্রথমে স্টক মার্কেটটা দেখি:

স্টক মার্কেটটি (উদাহরণস্বরূপ Dhaka Stock Exchange) স্বভাবত একচেটিয়া মার্কেট। মার্কেটে একটি স্পেশালিস্ট থাকে। সে নিজের ইচ্ছামত প্রাইস কন্ট্রোল করতে পারে। স্পেশালিস্টের নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সে প্রাইসের হেরফের করতে পারে।
এটা কিভাবে সম্ভব?
স্টক মার্কেটে স্পেশালিস্ট অর্ডার সম্পাদান করতে বাধ্য থাকে। এখন ধরুন, সেলারের সংখ্যা বায়ারের চেয়ে বেড়ে গেল। স্পেশালিস্ট যে অর্ডার সম্পাদান করতে বাধ্য সে স্টকগুলো সেল করতে পারবে না। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে স্পেশালিস্ট লেনদেনের মূল্য বাড়িয়ে দিতে পারে যা সেলারদের মার্কেট থেকে দূরে থাকতে বাধ্য করে।
স্পট ফরেক্স মার্কেট
স্পট ফরেক্স মার্কেটটি ডিসেন্ট্রালাইজড মার্কেট। এই জন্য প্রাইস কোট ভিন্ন বোকারে ভিন্ন রকম দেখতে পারেন। এটা আপনার কাছে ভালো নাও লাগতে পারে। কিন্তু আপনি যদি জানেন যে ফরেক্স মার্কেটে প্রচন্ড প্রতিযোগিতার কারনে ব্রোকার আপনাকে প্রায় সবসমযই সবচেয়ে ভালো ডিল অফার করবে। তাহলে আপনি কি বলবেন?


সারিতে প্রথমে মেজর ব্যাংকগুলোকে দেখতে পাচ্ছেন। অংশগ্রহনকারীরা ইলেকট্রনিক ব্রোকারেজ সার্ভিস (EBS) অথবা রয়টার্স ডিলিং ৩০০০ স্পট ম্যাচিং এর মাধ্যেমে সরাসরি ট্রেড করে থাকে।
এই ২টা কোম্পানী কোক আর পেপসির মত। সবসময় মক্কেলের জন্য মারামারি করে। দুটো কোম্পানীই প্রায় একই ধরনের কারেন্সি পেয়ার প্রদান করে থাকলেও, কিছু কিছু কারেন্সি পেয়ারে ১টা তে আরেকটার চেয়ে বেশি তারল্য দেখা যায়।
ইবিএস প্লাটফর্মে EUR/USD, USD/JPY, EUR/JPY, EUR/CHF, and USD/CHF বেশি তারল্য দেখা যায়। রয়টার্স প্লাটফর্মে GBP/USD, EUR/GBP, USD/CAD, AUD/USD, and NZD/USD বেশি তারল্য দেখা যায়। ইন্টারব্যাংকে অংশগ্রহনকারী ব্যাংকগুলো এই প্রাইস দেখতে পায়। এর মানে এটা না যে তারা সেইরেটে ট্রেড করে। এখানে অনেক কিছু আছে যা রেট ভিন্নভাবে পোষন করে।
পরের সারিতে আসে হেজ ফান্ড (Hedge Funds), কর্পোরেশন (Corporations), রিটেইল মার্কেট মেকার (Market makers) এবং রিটেইল ECN। যেহেতু এরা ইন্টারব্যাংকে সরাসরি ট্রেড করতে পারে না, তাদের কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাথে ট্রেড করতে হয়। এর মানে তাদের জন্য খরচ একটু বেড়ে যায় আর তাদের ইন্টারব্যাংকের অংশগ্রহনবারীদের চেয়ে একটু বেশি চার্জ করতে হয়।
একদম শেষের সারিতে রিটেইল ট্রেডাররা পরে। মানে আমরা। ফরেক্স মার্কেটের অসংখ্য সুযোগ সুবিধার জন্য আমরা এই মার্কেটে অনেক বড়বড় সত্ত্বাদের সাথে ট্রেড করতে পারি।
No comments:
Post a Comment